আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস মায়ের মমতা ও ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে । প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি পালন করা হয়। মায়ের অসীম ঋণ কখনোই শোধ হওয়ার নয়, তবে তাঁর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ দিন হিসেবে আজ বিশ্বের কোটি কোটি সন্তান তাঁদের মাকে সম্মান জানাচ্ছেন।
বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আজ মায়ের সাথে সন্তানদের ছবি এবং আবেগঘন স্মৃতিচারণে মুখরিত।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনেকে ঘরেই মায়ের জন্য বিশেষ খাবার তৈরি করছেন বা উপহার দিয়ে মাকে চমকে দিচ্ছেন। তবে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মায়েদের জন্য দিনটি কিছুটা বিষণ্ণতার হলেও, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেখানে গিয়েও মায়েদের সাথে সময় কাটাচ্ছে।
মায়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিন লাগে না এমন কথা প্রচলিত থাকলেও, এই একটি দিন অন্তত মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বিশেষ গুরুত্ব পায় সবার কাছে।
মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের প্রথম শিক্ষক, আশ্রয় ও সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, বিশ্ব মা দিবস সেই অনুভূতিকে আরও বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। ১৯০৮ সালে সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করেছিলেন আন্না জার্ভিস নামে এক ব্যক্তি। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের মায়ের স্মৃতির জন্য এই বিশেষ দিনটি উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে সরকারি মা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে।
বর্তমানে দিবসটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীক হয়ে উঠেছে। তবে শুধু একটি দিন নয়, বছরের প্রতিটি দিনেই মায়ের প্রতি যতœ, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা প্রয়োজন।
তবে প্রতিদিনের ভালোবাসাকে আরেকটু বাড়িয়ে বিশেষ করতে এই দিনটির গুরুত্বকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়েরাই যেন সুখী থাকেন, সন্তান হিসেবে এই যেন হয় সবার প্রত্যাশা।
আজ বিশ্ব মা দিবস
আজ বিশ্ব মা দিবস
আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস মায়ের মমতা ও ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে । প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি পালন করা হয়। মায়ের অসীম ঋণ কখনোই শোধ হওয়ার নয়, তবে তাঁর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ দিন হিসেবে আজ বিশ্বের কোটি কোটি সন্তান তাঁদের মাকে সম্মান জানাচ্ছেন। বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আজ মায়ের সাথে সন্তানদের ছবি এবং আবেগঘন স্মৃতিচারণে মুখরিত। দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনেকে ঘরেই মায়ের জন্য বিশেষ খাবার তৈরি করছেন বা উপহার দিয়ে মাকে চমকে দিচ্ছেন। তবে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মায়েদের জন্য দিনটি কিছুটা বিষণ্ণতার হলেও,
বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেখানে গিয়েও মায়েদের সাথে সময় কাটাচ্ছে। মায়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিন লাগে না এমন কথা প্রচলিত থাকলেও, এই একটি দিন অন্তত মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বিশেষ গুরুত্ব পায় সবার কাছে। মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের প্রথম শিক্ষক, আশ্রয় ও সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, বিশ্ব মা দিবস সেই অনুভূতিকে আরও বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। ১৯০৮ সালে সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করেছিলেন আন্না জার্ভিস নামে এক ব্যক্তি। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের মায়ের স্মৃতির
জন্য এই বিশেষ দিনটি উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে সরকারি মা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে দিবসটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীক হয়ে উঠেছে। তবে শুধু একটি দিন নয়, বছরের প্রতিটি দিনেই মায়ের প্রতি যতœ, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা প্রয়োজন। তবে প্রতিদিনের ভালোবাসাকে আরেকটু বাড়িয়ে বিশেষ করতে এই দিনটির গুরুত্বকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়েরাই যেন সুখী থাকেন, সন্তান হিসেবে এই যেন হয় সবার প্রত্যাশা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত