বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ  ৬ মাদক কারবারি গ্রেফতার চিত্রনায়ক সালমান শাহর দেহবাশেষ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল ঝালকাঠিতে ব্রাকের আয়োজনে স্বপ্নসারথি কিশোরীদের সমাপনী অনুষ্ঠান সাভারে সাংবাদিকদের ওপর হামলা মামলার প্রধান আসামি শামীম গ্রেফতার বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী পাবনায় হোসেন আলী হত্যার ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের  নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সিরাজিস সাদিক সাপাহারে মাল্টি স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত অপ-সাংবাদিকতা প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের সঙ্গে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও সম্পাদকদের মতবিনিময়
জাতীয় আদ-দ্বীনের জবাবে সন্তুষ্ট নই, সিদ্ধান্ত হবে বৈঠকের পর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
logo

আদ-দ্বীনের জবাবে সন্তুষ্ট নই, সিদ্ধান্ত হবে বৈঠকের পর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন আদ-দ্বীন হাসপাতালের দেয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন বলে। তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাবে প্রয়োজনীয় তথ্যের চেয়ে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় বেশি রয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আদ-দ্বীন হাসপাতাল জবাব দিয়েছে, সেটি পড়েছি। প্রয়োজনীয় তথ্যের বাইরে অনেক গল্প-কাহিনী তারা লিখেছে, যা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের বৈঠকের পর এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদ-দ্বীন হাসপাতালের জবাবে আমি সন্তুষ্ট নই।”

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “তারা চার থেকে পাঁচ পৃষ্ঠা লিখেছে, কিন্তু সবই ভেগ (অস্পষ্ট) রিপ্লাই। প্রয়োজনীয় তথ্য না দিয়ে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বেশি লিখেছে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান বৈঠকের সিদ্ধান্তের পর জানানো হবে।

গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির একাধিক দিক উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না; পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং এসি ব্যবস্থাও অপ্রতুল ও অনিয়মিতভাবে পরিচালিত হতো।

তদন্তে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং গুরুতর অবস্থার পরও সময়মতো চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা জন্মের পর সুস্থ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বলা হয়, প্রসব-পরবর্তী জটিলতার জন্য বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তবে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। একই সঙ্গে হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা এক চিঠিতে শোকজ করা হয়েছিল।

খুঁজুন