বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের দিশারি: আইনমন্ত্রী তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ বিএসইসির নতুন চেয়্যারম্যান মাসুদ খান ভারত-পাকিস্তান কোনো বলয়ে যেতে চাই না: মির্জা ফখরুল শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের ৫ম কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ পৈত্রিক সম্পত্তির ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামারে’ চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ব্যবসায়ী
অপরাধ ১৭ মামলার আসামী:সিআইডির হাতে গ্রেফতার
logo

১৭ মামলার আসামী:সিআইডির হাতে গ্রেফতার

ঘটনাটি ০২/১০/২০২৫ খ্রি তারিখের, ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল গাজীপুর মহানগরীর পশ্চিম ধীরাশ্রমের একটি বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাকাতি সংঘটিত করে। সিআইডি সেই মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে কাজ শুরু করলে ডাকাত দলের প্রধান হিসাবে শফিকুল ইসলাম (৪১), পিতা-খোরশেদ আলম, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-দড়িচর, থানা-হোমনা, জেলা-কুমিল্লা-কে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পিসিপিআর যাচাই করে জানা যায়, তার নামে ডাকাতিসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। গত ০৯/১১/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ডাকাত দলের প্রধান শফিকুল ইসলামকে সিআইডি’র গাজীপুর জেলা ও মেট্রো ইউনিট হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা হতে গ্রেফতার করে। 

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গত ০২/১০/২০২৫ খ্রি তারিখ রাত আনুমানিক ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গাজীপুর মহানগরীর পশ্চিম ধীরাশ্রমের একটি বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত প্রবেশ করে। ডাকাতেরা অস্ত্রের মুখে গৃহকর্তা মোঃ আব্দুল সোবহান (৫৭), তার স্ত্রী, ছোট বোন, নাতি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বেঁধে ফেলে। পরে তারা স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোনসহ প্রায় ২২ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নেয়। এরপর গৃহকর্তার ছেলের ফ্ল্যাটেও ডাকাতি করে। পরে পার্শ্ববর্তী আরেকটি বাড়িতেও একই কায়দায় ডাকাতি সংঘটিত করে। ডাকাতিতে বাধা দিলে ডাকাতদের সঙ্গে থাকা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে আঘাত করলে বাড়ির কয়েকজন বাসিন্দা আহত হন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় গৃহকর্তা বাদী হয়ে জিএমপি সদর থানার মামলা নং- ০৪, তারিখ- ০২/১০/২০২৫খ্রি., ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করেন।

ডাকাত দলের মূলহোতা গ্রেফতারকৃত শফিকুল ইসলাম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ডাকতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। সে আরও জানায় যে, এই ডাকাতি শেষে সে দুবাই চলে যেতে চেয়েছিলো। তবে প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে গ্রেফতারকৃত শফিকুল ইসলাম আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার, সে বছরের অর্ধেক সময় বিশেষ করে বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুমে দুবাইয়ে অবস্থান করতো এবং বাকি সময় দেশে অবস্থান করতো। মূলত সে শীতকালীন সময়কে ডাকাতির উপযুক্ত সময় বলে মনে করে । এ সময় সে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ডাকাতদেরকে একত্র করে ঢাকা মহানগরীর ডেমরা এলাকার একটি পার্কে বসে কোথায় কোথায় ডাকাতি করা হবে সে বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করতো । পরে পরিকল্পনা অনুসারে তারা ডাকাতি শেষে সবাই দেশের নানান জায়গায় ছড়িয়ে গিয়ে একেকজন একেক পেশা অবলম্বন করে জীবিকা নির্বাহের ভান করতো। তাদের মূল পেশা হচ্ছে ডাকাতি যা প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির গাজীপুর জেলা ও মেট্রো বিভাগ পরিচালনা করছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত ডাকাতির ঘটনায় শফিকুল ইসলাম ছাড়াও ইতোমধ্যে ২ জন আসামী গ্রেফতার রয়েছে । অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন