Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

"ভোটারপ্রতি ১০ টাকা খরচ করতে পারবেন প্রার্থীরা"

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ২৫৬জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ করতে পারবেন তা ঠিক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ভোটারপ্রতি নির্বাচনি ব্যয় ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) নির্বাচনি ব্যয় নির্ধারণ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই ব্যয়সীমা ঠিক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মনোনয়ন দেওয়া রাজনৈতিক দল থেকে নেওয়া খরচসহ একজন প্রার্থীর নির্বাচনি খরচ ২৫ লাখ টাকার বেশি হবে না। যে দল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেবেন, সে দল সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবে। ১০০ প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকা ব্যয় করা যায়। ২০০ প্রার্থীর জন্য তিন কোটি টাকা এবং দুই শতাধিক প্রার্থী দিলে সংশ্লিষ্ট দল সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।

দলগুলো চাঁদা ও অনুদান অন্যান্য থেকে আয় করতে পারে। তবে নির্বাচনে ব্যয় করতে হয় নির্ধারিত খাতে। এক্ষেত্রে পার্টি প্রধানের ভ্রমণ, পোস্টার, প্রচারকাজের জন্য ব্যয় করতে হয়।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ভোটারপ্রতি ব্যয় ১০ টাকা নির্ধারণ করেছিল ইসি।

নির্বাচন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। ভোটের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করতে পারে ইসি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।


আরও খবর



আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর উদ্যোগে ঝিনাইদহে বৃক্ষরোপণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

কামরুজ্জামান ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:ঝিনাইদহ জেলা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১১ টায় আঞ্জুমান মিলনায়তনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ (অবঃ) মোঃ আমিনুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সাইদুল আলম, জেলা সেক্রেটারী মোঃ আশরাফুল ইসলাম, সমাজসেবক মোকাদ্দেস আলী, কৃষিবীদ আহমেদ হোসেন, এইড এনজিও পরিচালক তারিকুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ। অসুস্থ আঞ্জুমান সদস্যদের জন্য এবং প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আল মাহাদী। পরে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



সুনামগঞ্জে নৌকা ডুবি: নারীসহ ৩ জন নিখোঁজ, ৪ জন উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ:সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলের স্রোতের কবলে পড়ে নদীতে ডুবির মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় নারীসহ ৩জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে শিশুসহ ৪জন যাত্রীকে।

নিখোঁজরা হলো- জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের নৈনগাঁও-আজমপুর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মানুষিক প্রতিবন্ধী জোসনা বেগম (৩৫), গুলো বিবি (৭৫) ও নৌকার মাঝি জমির আলী (৪০)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- আজ মঙ্গলবার (২রা জুলাই) সকাল ১০টার দিকে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা নারী ও শিশুসহ ৭জন যাত্রী পাশের আজমপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে ছোট ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে সুরমা নদী পারাপারের সময় পাহাড়ি ঢলের স্রোতের কবলে পড়ে।

ওই সময় নৌকাটি ডুবে পানিতে ভেসে যায়। আর এই ঘটনাটি তাৎক্ষনিক ভাবে চারদিকে জানাজানি হয়ে পড়ে। পড়ে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে নদীতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৪জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু বাকি ৩জনকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। এঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দোয়ারাবাজার থানার ওসি বদরুল হাসান জানান- সন্ধ্যায় পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুজি করেও নৌকার মাঝিসহ নিখোঁজ ৩জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় দু’টি ব্রিজের কাজ শেষ নিয়ে শঙ্খায় জনসাধারণ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image
হাবিবুর রহমান, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় ‘পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ এর অধীন সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া হাট-জামজামী ভায়া ঝাউদিয়া সড়কের কুমার নদীর উপর প্রি-ষ্ট্রেজড গার্ডার ব্রিজটি ৪ বছরেও নির্মান শেষ হয়নি। ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা প্রাক্কলন ব্যায়ে ৮১ মিটার দৈর্ঘের ব্রিজটি দুই বছর বা ২৪ মাস সময় ধরে নির্মান বাস্তবায়ন শুরু হয় মার্চ ২০২১সালে। নির্ধারিত সময়কাল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে শেষ হলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় ঝুলে গেছে প্রকল্পটি। এতে গত ৪বছর ধরে সীমাহিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে এই ব্রিজের সুবিধাভোগী কৃষি প্রধান অঞ্চলের কয়েক লক্ষ মানুষ। এছাড়াও হরিনাকুন্ডু ও আলমডাঙ্গা উপজেলার সাথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার একমাত্র সংযোগ সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এলজিইডি ও ঠিকাদাদের গাফিলতি ও যোগাসাজসী অবহেলায় এমন পরিস্থিতি। দ্রুত ব্রিজটির নির্মান সম্পন্নের দাবি স্থানীয়দের। তবে অভিযোগ নাকচ করে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানালেন খুব শীঘ্রই ব্রিজটির নির্মানকাজ শেষ করে জনগণ চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের নভেম্বরে কুষ্টিয়া আলমডাঙ্গা সড়কের বিত্তিপাড়া হতে ঝাউদিয়া বাজার যেতে উজানগ্রাম এলাকার গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের (জিকে) খালের উপর ২৫ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য সেতু নির্মানের আদেশ দেয়া হয়। এই ব্রীজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। একই বছরের ৩ নভেম্বর কার্যাদেশ পাওয়া সেতু নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ৪ নভেম্বর শেষ করার কথা। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ থেকে ৩০% । ওই সেতু থেকে মাত্র এক কিঃমিঃ দুরে একই সড়কের কুমার নদীর উপর ৮১ মিটার দৈর্ঘের আরেকটি সেতু নির্মানের কার্যাদেশ দেয়া হয়। এই সেতুটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু কাজ হয়েছে আনুমানিক মাত্র ৩০%। শুধু মাত্র কয়েকটি পিলার দেখা যাচ্ছে। সেতু দু’টি নির্মাণের কাজ পান পাবনা জেলার এমএনএম এ্্যান্ড এসই (জেভি) নামের যৌথ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক পাবনার বেড়া উপজেলার কাশিনাথপুর এলাকার নুরুজ্জামান মিয়া। ঠিকাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এলজিইডি কাজের মেয়াদও বাড়িয়েছে। তার পরেও কাজ হয়নি। পরবর্তীতে অন্য এক ঠিকাদরকে ব্রীজ নির্মানের কাজ দেয়া হলে সেও কাজ না করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বাস্তবায়নাধীণ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় সীমাহিন দুর্ভোগ ও কৃষি পন্য বহন করা দু:সাধ্য হয়ে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্রিজটির নির্মান শেষ করে স্বাভাবিক চলাচলের রাস্তাটিও মেরামতের দাবি তাদের। ব্রিজ সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা জরিনা খাতুন (৫৫)র অভিযোগ সেই ৪বছর আগে শুরু হয়ছে এই কাম এতোদিন সহ্য কইরি ছিলাম যে কাজ শ্যাষ হলিই তো আবার সব ঠিক হয়ে যাবিনি। কিন্তু একন দেখতিচি, এডি আমারে গলার গাড় হয়ে গেছে। সরকার যিন কামডা তাড়াতারি শ্যাষ কইরি দেয় এই আমার আবেদন। উজানগ্রাম এলাকার বাসিন্দারা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, গা গ্রামের মানুষের কষ্ট দ্যাকার কেউ নেই গো। এই যে গাংয়ের উপর ব্রিজটা আইজ ৪বছর ধরি শেষ করতি পারতেছে না। কি এর সমস্যা আর কিইবা তার সুমাধান হবি কিডা দেকপি কও, আমরা মাঠ ঘাটের ফসল আনতি কত কষ্ট কত্তি হচ্ছে, কষ্টডা তো আমরাই পাচ্ছি। একই ভাবে চলাচলরত ড্রাইভাররা বলেন, কাম কত্তি কত্তি অদ্দেক কইরি ফ্যালা থুয়ে চইলি গেছে। এতোদিন ধইরি আমারে ভুগান্তিই যাচ্ছেনা। ব্রিজটা হয়ে গেলি আমরা বাঁচি। কুষ্টিয়া জেলা সচেতন মহলের প্রতিনিধি শেখ মোঃ সুভীন আক্তার বলেন, কুষ্টিয়ায় নির্মানাধীন রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্ট ও অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পগুলি নানা অনিয়ম অবহেলায় অসম্পন্ন ভাবে ঝুলে আছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে সকল প্রস্ততি ও সক্ষমতাসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু হলেও ঝুলে থাকা এসব প্রকল্পে একদিকে বাড়ছে ব্যয় অন্যদিকে স্বভাবিক চলাচল ব্যহতের পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে ভোগান্তি। এই যদি হয় বাস্তব চিত্র তাহলে মাসে মাসে এসব মিটিং করে আদৌ কি পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। সচেতন নাগরিক কমিটি সনাক এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম টুকু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এই পরিস্থিতি সৃষ্টি জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দায়িত্বহীণতার প্রমান থাকলে অবশ্যই তার জবাবদিহিতাসহ শাস্তি হওয়া উচিত। টেকসই উন্নয়ন অভিযাত্রা বাস্তবায়নে সরকারের অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পরও কেনো এমন জনভোগান্তি হবে, এতে হয় তাদের অনিয়ম অবহেলা আছে নচেৎ তারা অযোগ্য। তিনি এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উন্নয়ন সমন্বয় সভাতে। তিনি আরও বলেন, গত উন্নয়ন সমন্বয় সভাতে যোগ দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর এলজিইডি কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উজানগ্রাম-ঝাউদিয়া সড়কের কুমার নদীর উপর নির্মানাধীণ ৮১ মিটার দৈর্ঘের ব্রিজটির নির্মান কাজ কিছু দিন বন্ধ ছিলো তবে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী তিন প্রার্থীর শপথ গ্রহণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

লুৎফর অরেঞ্জ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ এ জয়ী ৩ প্রার্থী ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার শপথ বাক্য পাঠ করেছেন।

চেয়ারম্যান পদে ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে আজহারুল ইসলাম আজাহার এবং ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে মাহবুবা শাহরীন ৪ জুলাই ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে শপথ বাক্য পাঠ করেন। শপথ বাক্য পাঠ করান ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাবিরুল ইসলাম।

মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের ষষ্ঠতম এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত আনারস মার্কায় ৫৫ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে দু'জন প্রার্থী প্রতিযোগিতা করেন। তালা মার্কায় আজহারুল ইসলাম আজাহার ৫৬ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে তিনজন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে শরিক হন। তাদের মধ্যে ৫৫ হাজার ৪৮৮ ভোট পেয়ে মাহবুবা শাহরীন কলস মার্কা নিয়ে জয়লাভ করেন।

শপথ বাক্য অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ কর্মীগণ।


আরও খবর



ঘুরে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছে ঘর পাওয়া দূর্গম যমুনা তীরবর্তী মানুষগুলো

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর)প্রতিনিধি:জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা নদীর ভাঙনে নিঃস্ব পরিবারগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই এখন সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্প। প্রতিবছর নদী ভাঙনের শিকার যমুনাতীরবর্তী মানুষগুলোর কাছে সরকারের দেয়া আশ্রয়ন প্রকল্প গুলো আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। সম্প্রতি উপজেলায় যমুনার দুর্গম সাপধরী ই্উনিয়নের চেঙ্গানীয়া আশ্রয়ন প্রকল্পে ঠাঁই হয়েছে নদীভাঙা ও অসহায় ৪০টি পরিবারের। আশ্রয়ন প্রকল্পে বিনামূল্যের ঘর পেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা।

প্রায় ১০ বছর আগে ময়মনসিংহের জহুরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় পানফুল বেগমের। অসহায় পানফুল অভাবের তাড়নায় ছোট বেলায় পাড়ি জমান ঢাকা শহরে। চাকরী নেয় গার্মেন্টসে। সেই থেকে পরিচয় স্বামী জহুরুল ইসলামের সাথে। পরিচয় থেকে বিয়েতে গড়ায় তাদের জীবন। তাদের কুলজুড়ে আসে কন্যা সন্তান। এরপর থেকেই স্বামী আর খোঁজ নেয়নি, স্বামী আরেকটি বিয়ে করায় দেখতে আসেনি মেয়ের মুখও। 

সদ্যজাত মেয়ে নিয়ে পানফুলের আশ্রয় হয় দিনমজুর বাবার ঘরে। দিনমুজর বাবার ভিটেমাটি না থাকায় এ বাড়ি ও বাড়ি কাজ করেই চলতো তার জীবন। এরপর থেকেই আশ্রয় নিয়েছেন এক বাড়ি থেকে অন্যবাড়ি। অবশেষে পানফুলের আশ্রয় হয়েছে চেঙ্গানীয়া আশ্রয়ন প্রকল্পে। মাথা গোঁজার ঠাঁই আর সরকারের ভাতা আর হাঁস-মুরগি পালন ও যমুনার চরে ফসল তুলেই চলছে ফুটফুটে সন্তানকে নিয়ে তার জীবন। শুধু পানফুলই নন, সাপধরী ইউনিয়নে যমুনার ভাঙন ও অসহায় নিঃস্ব ৪০টি পরিবারের আশ্রয় হয়েছে চেঙ্গানীয়া আশ্রয়ন প্রকল্পে। তারা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গতকাল উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি ঘরে গিয়ে আশ্রিতদের দলিল হস্তান্তর করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম মন্ডল বলেন, সরকার সারাদেশেই আশ্রয়হীনদের গুচ্ছগ্রামে বিনামূল্যে ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় দূর্গম চরগুলোতে গুচ্ছগ্রাম তৈরি করা হয়েছে।এতে অসহায় পরিবারগুলোর মাথাগোঁজার ঠাই হয়েছে। তবে এসব আশ্রয়ন প্রকল্পে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু জানান- দূর্গম যমুনার চরসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে অসহায়,নদী ভাঙ্গনে আশ্রয়হীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম নির্মান করা হয়েছে।এতে অসহায় পরিবারগুলোর মাথাগোঁজার ঠাই হচ্ছে। প্রতিটি ঘর দুই লাখ পয়ত্রিশ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪০টি ঘর তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও আশ্রয়ন প্রকল্পে কমিউনিটি সেন্টার নির্মিত হচ্ছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ’মি) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন যমুনার দুর্গম চরে আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে। যমুনার দুর্গম সাপধরী ই্উনিয়নের চেঙ্গানীয়া আশ্রয়ন প্রকল্পে মূলত নদী ভাঙন ও অসহায় আশ্রয়হীন ৪০টি পরিবারকে ঘর ও দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। বন্যার সময় আশ্রয়ন প্রকল্পটি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।


আরও খবর