Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
"ঘূর্ণিঝড় মিধিলি"

ভোলার লালমোহনে প্রায় ১২ কোটি টাকার কৃষি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৪০৪জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ঘূর্ণিঝড় মিধিলির তান্ডবে ভোলার লালমোহন উপজেলায় কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধানের ক্ষতি হওয়ার ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি উপকূল অতিক্রমের সময় লালমোহন উপজেলায় আঘাত হানে। এতে ক্ষেতে থাকা অন্তত ২০ শতাংশ ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মাঠে থাকা শীতকালীন শাক-সবজিরও ক্ষতি হয়েছে। টাকার হিসেবে সব মিলিয়ে লালমোহনে প্রায় ১২ কোটি টাকার কৃষি ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোড এলাকার কৃষক মো. মোশারেফ হোসেন জানান, এ বছর তিন একর জমিতে ধান চাষ করেছি। এ ধান চাষে অন্তত এক লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। শুক্রবারের ঝড়ের কারণে ক্ষেতের অধিকাংশ ধান এখন জমিতে লুটিয়ে পড়ে গেছে। যার ফলে এসব ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এ জন্য এ বছর ধানে আমাকে লোকসান গুণতে হবে।

ওই ইউনিয়নের পূর্ব চরউমেদ গ্রামের আরেক ধান চাষি মো. নূরনবী মিয়া বলেন, জমি লগ্নি রেখে এ বছর আড়াইশত শতাংশ জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করি। প্রথম থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ক্ষেতে ফসলও ভালো হয়েছে। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ে জমির অধিকাংশ ধানই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে। এসব ধান আর থাকবে না, সব নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা ক্ষুদ্র কৃষক, এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া আমাদের জন্য কষ্টের হবে। এ জন্য আমরা সহযোগিতা কামনা করছি।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে লালমোহন উপজেলায় ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে লালমোহনের লর্ডহার্ডিঞ্জ, বদরপুর, ধলীগৌরনগর, পশ্চিম চরউমেদ ও ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের চাষিরা সর্বোচ্চ ধানের আবাদ করেছেন।

লালমোহন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্যাহ বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে লালমোহনের কৃষকদের অনেকটা ক্ষতি হয়েছে। কারণ আগামী ১৫ দিন পর থেকেই কৃষকরা তাদের জমির ধান কাটতে পারতেন। এখন যে সব ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তা আর টিকবে না। এ সকল ধান পঁচে যাবে। আমরা কৃষি অফিস থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের একটি তালিকা করেছি। অন্যদিকে, শুক্রবার দুপুরে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় মিধিলির তা-বে লালমোহন উপজেলায় অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। যার মধ্যে ৪৫টি ঘরের আংশিক ক্ষতি ও ১৫টি ঘর পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনামিকা নজরুল বলেন, আমরা ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করে প্রাথমিকভাবে একটি তালিকা ইতোমধ্যে জেলায় পাঠিয়েছি। সেখান থেকে বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে তা পৌঁছে দিবো। এছাড়া মানুষ পূর্ব থেকে সতর্ক থাকায় কোনো আহত বা নিহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘূর্ণিঝড়ের খবরে উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে তিন হাজারেরও অধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা তাদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি।


আরও খবর



বেনাপোলে পাসপোর্ট যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:ঈদুল আজহার ছুটিতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ভ্রমণে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বেড়ে প্রায় তিন গুণ হয়েছে। পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বৃদ্ধি পেয়ে আজ সহ গত তিন দিনে ২২ হাজার ৮৯১ জন পাসপোর্টধারী দুদেশে আসা-যাওয়া করেছেন। ঈদের ছুটিতে ভারতে যাত্রী যাতায়াত বৃদ্ধি পেলেও অব্যবস্থাপনার কারণে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।

ভ্রমণ, ব্যবসা ও চিকিৎসার জন্য পাসপোর্ট যাত্রীরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করেন। ইমিগ্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি বেশি থাকায় গত তিন দিনে রেকর্ড পরিমাণ যাত্রী বেনাপোল বন্দর দিয়ে পারাপার হয়েছেন। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অন্তত তিন গুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে দুই দেশের ইমিগ্রেশনে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে ভোগান্তি বেশি বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ১২ জুন থেকে ১৫ পর্যন্ত তিন দিনে মোট ২২ হাজার ৮৯১ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৫২ জন বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করেছেন। আর ৭ হাজার ৮৩৯ জন ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত সময়ে আরও কয়েক হাজার যাত্রী ভারত ভ্রমণে যাতায়াত করবেন বলে জানা গেছে।

বেনাপোল-পেট্রাপোল নো-ম্যান্সল্যান্ডে সরেজমিনে গিয়ে পলাশ নামে এক যাত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এবার পরিবার নিয়ে ভারতে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি। কিন্তু এখানে তিন ঘণ্টা তীব্র গরম আর রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। লাইন কমছে না। এখানকার অফিসাররা ধীরগতিতে কাজ করায় সময়টা বেশি লাগছে। এখনও কত সময় লাগবে বলতে পারছি না।’

গোলাম মোস্তফা নামে আরেক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষ করতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগলেও পেট্রাপোল নো-ম্যান্সল্যান্ডে রৌদ্রের মধ্যে দুই ঘণ্টার ওপরে দাঁড়িয়ে আছি। ইমিগ্রেশনে কখন ঢুকবো বলতে পারছি না।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদুল আজহার ছুটিতে তিন দিনে ২২ হাজার ৮৯১ জন যাত্রী দুই দেশের মধ্যে আসা-যাওয়া করেছেন। স্বাভাবিক সময়ে এ সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন ৪ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে থাকে। তবে এবার রেকর্ডসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেছেন। যাদের অধিকাংশই ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির কারণে ভ্রমণ ও চিকিৎসার জন্য ভারতে গমন করছেন।’

এ ছাড়া পেট্রাপোলে ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পেট্রাপোলের ওসির সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ হচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে তাদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে জানানো হয়েছে, ইমিগ্রেশনে দেরি হচ্ছে না। দেরি হওয়ার মূল কারণ বিএসএফের তল্লাশি। এরপরও যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাগিদ দেন।


আরও খবর



পত্নীতলায় ভূমিসেবা সপ্তাহ দিবস পালিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৭২জন দেখেছেন

Image
দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:"স্মার্ট ভূমিসেবা, স্মার্ট নাগরিক" প্রতিপাদ্যে ভূমি সেবা সপ্তাহ দিবস উদযাপন উপলক্ষে পত্নীতলায় উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে শনিবার উপজেলা চত্বরে র‍্যালী শেষে উপজেলা সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভূমি সেবা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ফিতা কেটে দিবসের উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ পপি খাতুনের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গাফফার। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ রাহাত, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিনা বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থা পত্নীতলার দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার আমিনুল হক, জাইকা'র রাইহানুল আলম, বহবলপুর ভূমি কর্মকর্তা এনামুল হক, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মসিউর রহমান, উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ সূধীজন প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় জনগণের হয়রানি বন্ধ করতে এবং এই সংক্রান্ত সেবা সহজলভ্য করতে ভূমি সেবাকে জনগণের দ্বোরগোড়ায় নিয়ে যেতে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই যেন সাধারণ মানুষ ভূমি সুরক্ষাসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে, সেজন্য স্থাপিত হয়েছে ভূমি সেবা প্ল্যাটফর্ম। এটি সকরকারের ডিজিটালাইজেশনের অন্যতম একটি সেবা খাত। এর ফলে কোন নগদ লেন-দেন ছাড়াই ভূমিসেবা গ্রহীতারা কোন সময় ক্ষেপন ছাড়া ও হয়রানিমুক্তভাবে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে স্বচ্ছন্দে সেবা নিতে পারছেন। এতে করে সময় সাশ্রয়সহ সাধারণ নাগরিকদের অর্থ ব্যয়ও অনেক কমে আসবে।

আরও খবর



ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী তাসলিমা চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image
সাইদুর রহমান মাগুরা থেকে:স্ত্রী আর তিন সন্তান নিয়ে টেনেটুনে সংসার চলছিল জুয়েল হোসেনের। ভ্যান চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে চলত জুয়েলদের পরিবার। এরই মধ্যে তাঁর আদরের বড় কন্যা তাসলিমার দেহে বাসা বাঁধে মরণব্যাধি ব্লাড ক্যানসার। ক্যানসার আক্রান্ত মেয়েকে নিয়ে দিশেহারা জুয়েল ও রাশিদা দম্পতি। হাতপায়ের ব্যাথায় বাড়িতে বিছানায় ছটফট করলেও অর্থাভাবে মিলছে না তাসলিমার চিকিৎসা। 

 নহাটা রাণী পতিত পাবনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসলিমা৷ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামে বসবাস তাদের। জেলা সদর থেকে শুরু করে দেশের নামীদামী সব হাসপাতালে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাসলিমার ঠাঁই হয় ঢাকা মেডিকেলের হেমাটোলজি ডিপার্টমেন্টে।  বহু পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জানা যায় তাসলিমা ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত। নিজেদের সামান্য অর্থ, ধারদেনা, আত্মাীয়স্বজনের সহায়তা ও স্থানীয়দের আর্থিক অনুদানে পরীক্ষা- নিরীক্ষা আর হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে সব শেষ। 

জরুরি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা না দিলে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাসলিমার চিকিৎসা এগিয়ে নিতে কমপক্ষে দুই লাখ টাকার প্রয়োজন। সেই অর্থ জোগাড়ের উপায়ন্তর না দেখে সংকটাপন্ন মেয়ে ও পরিবার নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন জুয়েল। 

তাসলিমার জীবন বাঁচাতে সে তার সহপাঠী, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, দেশে এবং প্রবাসে অবস্থিত বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে অর্থ সহায়তা চেয়েছে।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০১০০২২২৭৯৫৩৮৩। 

আরও খবর



কালিয়াকৈরে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা,আহত-১

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৯৭জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সরকারী এক কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের এক নেতাকে প্রকাশ্যে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় কুপিয়ে অপর এক ছাত্রলীগ নেতাকে গুরুতর জখম করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চন্দ্রা ডাইনকিনি এলাকায় ওই কলেজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হলো, কালিয়াকৈর উপজেলার বরিয়াবহ এলাকায় মোতালেব হোসেনের ছেলে আল আমিন হোসেন (১৯)। সে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজের ডিগ্রী ১ম বর্ষের ছাত্র ও ওই কলেজের দ্বাদশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল। অপর আহত হলো, ওই শাখা ছাত্রলীগের সদস্য কামরুল হাসান (১৯)। তাৎক্ষনিকভাবে তার ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী, সহকর্মী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কালিয়াকৈর উপজেলার জাতির বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের এইসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। ওই বিদায় বেলার অনুষ্ঠানে সাউন সিস্টেমকে কেন্দ্র করে ওই সরকারী কলেজ শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান গ্রুপের সঙ্গে দ্বাদশ শ্রেনী শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতৃ বৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ মিলে ওই দু-গ্রুপের মধ্যে বিষয়টি মিমাংসার কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের দু- গ্রুপ নিয়ে বসার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চন্দ্রা ডাইনকিনি এলাকায় ওই কলেজের পাশে দ্বাদশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন ও কামরুলকে পেয়ে প্রকাশ্যে এলোপাথারী কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের গ্রুপের সদস্যদের অভিযোগ, বিদায়ী অনুষ্ঠানের সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালিয়াকৈর ছাত্রলীগের সভাপতি ও ওই কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমন খান ও ওই কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানের নেতৃত্বে সাকিব, হৃদয়, আকাশ, কাউসার, আলামিনসহ বেশকিছু ছাত্রলীগের নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপারী কুপিয়ে তাদের জখম করে।

পরে আহতদের ফেলে রেখে হামলাকারী ছাত্রীলীগের নেতাকর্মীরা একটি বাসে উঠে সাভারের দিকে চলে যায়। এসময় ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই ছাত্রলীগ নেতা আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও গুরুতর আহত কামরুল হাসানকে উন্নত চিকিৎসক জন্য টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি এএফএম নাসিম ও তদন্ত ওসি তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তবে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ওই সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুফিয়া বেগম জানান, শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদায় অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোন ধরণের র‌্যাগ-ডে পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেই অনুষ্ঠানে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনার জেরে একটি পক্ষ হামলা চালিয়ে এক ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও অপর এক ছাত্রকে আহত করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম ওই নিহতের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চি করে জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজের এইএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সিনিয়র ও কলেজের শিক্ষকরা বিষয়টি মিমাংসা করার কথা ছিল। তবে তদন্ত শেষে হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে। এছাড়াও এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



মাগুরার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের বিচার ও আসামী গ্রেফতারের দাবিতে মিছিল ও মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুরে জোড়া খুনের আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলার  ৫ মাস অতিক্রান্ত হলেও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও  কাঙ্খিত অগ্রগতি না হওয়ায় নিহতের পরিবার এবং এলাকাবাসী  ক্ষোভ প্রকাশ করে এ মানববন্ধনে যোগ দেয়।

বুধবার ২৯ মে  দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে নিহতর পরিবার ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইমদাদুল হক ক্যাপ্টেন,  মামলার বাদী আবুল কালাম, নিহত সবুজের স্ত্রী আলেয়া খাতুন ও ছোট ভাই আব্দুল্লাহ।বক্তারা অভিযোগ করেন,মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্রাম্য  দলাদলি কে কেন্দ্র করে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর রাতে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের পানিঘাটা গ্রামের সবুজ মোল্যা (৩০) ও তার আপন ভাই হৃদয় মোল্যা(১৭) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ঐ গ্রামের পুকুর পাড়ে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কালিমুল্লাহ জানান, পানিঘাটার দুই সহোদর সবুজ ও হৃদয় হত্যার পরদিন তার বড় ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা রুজু করেন। পুলিশ ইতিমধ্যে এজাহার ভুক্ত  ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে। একজন আসামী ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

আরও খবর