Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী থানা আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:সোমবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৮৪জন দেখেছেন

Image

মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেনসহ নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করেন তারা। এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ ও আব্দুর রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেন  সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন তিনি, দলে তার অবদান অপরিসীম। সাজেদা চৌধুরী যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, সেই আদর্শকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

 সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৩৫ সালের ৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। গতবছর ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৮৭ বছর বয়সে মারা যান বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের উপনেতা।

 সাজেদা চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর-২ নির্বাচনী এলাকার নগরকান্দা ও সালতা উপজেলায় দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো।

তার জন্ম ও রাজনৈতিক জীবন-

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালতা ও সদরপুর আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ ও মা সৈয়দা আছিয়া খাতুন।

 ১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৬৯-১৯৭৫ সময়কালে তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডসের ন্যাশনাল কমিশনার এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ পদে আসীন ছিলেন।


আরও খবর

হাসপাতালে ভর্তি শামীম ওসমান

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




বাকেরগঞ্জে মেধাবী শিক্ষার্থী লোপার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image
রবিউল ইসলাম বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:বরিশালের বাকেরগঞ্জে মেধাবী শিক্ষার্থী  লোপা আক্তারের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের মা জেসমিন বেগম বাদি হয়ে ধর্ষক রিয়াজ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলার কামারখালি আলহাজ্ব হযরত আলী ডিগ্রী কলেজের সম্মুখে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ হাওলাদার একজন দুশ্চরিত্র ও লম্পট। গত ২১ জুন দিবাগত রাতে তাদের সহপাঠী কামারখালী আলহাজ্ব হযরত আলী ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী লোপা আক্তারকে লম্পট রিয়াজ জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই সে ও তার ভাই রাকিবুল আলম হাওলাদার লোপাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যার ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে তার লাশ নিজ ঘরে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে জানালার গ্রিলের সাথে বেঁধে রাখে। ঐদিন নামাজ পড়ার জন্য লোপার মা তাকে ডাকতে গেলে লাশ দেখে ডাকচিৎকার দেয়। তার ডাকচিৎকার শুনে আসামি রিয়াজ হাওলাদার সেখানে গিয়ে বলে হার্ট অ্যাটাকে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। 

লোপার মা জেসমিন বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়ে লোপার সাথে কলেজ পড়ুয়া একটি ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনা জানতে পেরে দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আসামি রিয়াজ হাওলাদার তার কন্যাকে ব্লাকমেইল করে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে লোপা রাজি না হওয়ায় লম্পট রিয়াজ হাওলাদার তার কন্যাকে ধর্ষণ শেষে মেরে ফেলেছে। প্রশাসনের নিকট তিনি অবিলম্বে তার কন্যার হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

আরও খবর



কালিয়াকৈরে ধর্ষণের পর কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্তা,গ্রেপ্তার ধর্ষক

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মুসলিম এক মাছ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নানা প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একাধিকবার ধর্ষণের পর চার মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েন ওই কিশোরী। উপজেলার কালামপুর খাজারডেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ওই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার গাজীপুর জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত হলেন, কালিয়াকৈর উপজেলার কালামপুর এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় মাছ ব্যবসা করেন।

এলাকাবাসী, কিশোরীর পুরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ৪/৫ মাস আগে কালিয়াকৈর উপজেলার কালামপুরের খাজারডেক এলাকার সুশিল চন্দ্র সরকারের ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে নানা প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন একই এলাকার মাছ ব্যবসায়ী রফিকুল। আর তার একাধিকবার ধর্ষণের পর চার মাসের অন্তসঃত্তা হয়ে পড়েন ওই কিশোরী। এতে নিরুপায় হয়ে গত কয়েক দিন আগে ওই কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। এ ঘটনায় গত ২/৩ দিন আগে ওই কিশোরীর বাবা সুশীল চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ করেন। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে তার পরিবারের অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে ওই কিশোরীরসহ তার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় ধর্ষক রফিকুল। পরে নিরুপায় হয়ে গত সোমবার ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গাজীপুর আদালতে রফিকুলকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর ওইদিন রাতেই ধর্ষক রফিকুলকে গ্রেপ্তার করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। পরে মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃতকে গাজীপুর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ওই কিশোরীর বাবা সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, নানা প্রলোভন দেখিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে রফিক। এতে আমার মেয়ে ৪ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় গেলেও পুলিশ প্রথমে আমাদের অভিযোগ নেয়নি। পরে থানা পুলিশ একটা অভিযোগ নিলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এছাড়াও মেয়েসহ আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় লম্পট রফিক। তাই সোমবার গাজীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি।

কালিয়াকৈর থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন অর রশিদ জানান, এ ঘটনায় রফিকুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



নবীনগরে রাস্তার দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারের নবীনগর টু কোম্পানীগঞ্জ সড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯ টা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রথমে স্থানীয় অবৈধ দখলদারদের বাধায় উচ্ছেদ অভিযান কিছুটা ব্যাহত হলেও পুলিশের জোড়ালো ভূকিকায় কিছুক্ষণ পর থেকে শক্তিশালী ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা। এতে টানা সাত ঘণ্টার অভিযানে রাস্তার দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত হয়।


উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম। উচ্ছেদ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন, উপজেলার সহকারী কমিশনা ভূমি আবু মোছা, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার শিউলী, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি সহ প্রায় শতাদিক পুলিশ সদস্য।


এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম জানান, দোকানগুলো সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্বে ব্যবসায়ীদের একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করে এসব অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও সেটি মানা হয়নি। ফলে বিধি অনুযায়ী এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য স্থানীয়দের সচেতন থাকার আহ্বান জানান।


এব্যাপারে জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন জানান, আগামীতে এই বাজারের মধ্য দিয়ে ফোরলেনের রাস্তা নির্মাণ করা হবে। ফলে আমাদের জায়গাগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন হয়ে পড়ায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেক্রমে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।


জানা যায়, এই বাজারটি কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থান ছিল না, বরং এটি উপজেলার কয়েক হাজার পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস ছিল। এই বাজার উচ্ছেদের ফলে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও কর্মী বেকার হয়ে পড়েছে। এতে করে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ তাদের পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি। বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে আচমকা এ অভিযানে তাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হওয়ার নয়।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য থাকায় বিপাকে জমি ক্রেতা ও গ্রহিতা , রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রায় দু'সপ্তাহ ধরে সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। এতে  লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। সম্প্রতি গত ১৩ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে বীরগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে রিপন চন্দ্র মন্ডল যোগদান করার পর থেকে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে জমির ক্রেতা ও বিক্রেতারা  দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ -কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো। জাকারিয়া জাকাকে অবহিত করেন। মাননীয়  সাব-রেজিস্টার রিপন চন্দ্র মন্ডলকে বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ডেকে এনে সাবধান করে দেওয়ার পরেও তিনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে জমি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে জমি সম্পাদন করে করে আসছিল। 

গত ২৯-০৫-২০২৪ ইং তারিখে ঠাকুরগাঁও জেলার উত্তর গড়েয়া এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে মো: মিজানুর রহমান ১০৬ জরুরি হেল্প নাম্বারে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সহকারী পরিচালক মো: ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে উপ-সহকারী পরিচালক মো: কামরুন নাহার সরকার, সহকারী পরিদর্শক মো: মিজানুর রহমান ও উচ্চমান সহকারী মোঃ শাহজাহান আলী সমন্বয়ে একটি তদন্ত দল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এলে ও তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নকল নবিশ সুমন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ নিয়ে ঘুষখোর অফিসারের খাস কামরায় তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করে। ফলে দুদকের তদন্ত টিম সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চন্দ্র মণ্ডলের উপস্থিতিতে ওই রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসা করেন দুদক টিম।

প্রাথমিক তদন্তে সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে আনিত ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ সত্য মর্মে স্বীকার করে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সহকারী পরিচালক মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, দলিল করতে মাঠপর্চা ও নামজারী থাকার পরেও বাটোয়ারা দলিলের অজুহাতে ৭ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আরো অনেকে মৌখিক অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্ত শেষে দুদক টিম স্থান ত্যাগ করতে চাইলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা রিপন চন্দ্র মণ্ডলের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং গেটে তালা লাগিয়ে দেয়।

বীরগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে সীমাহীন ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগকারী

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



‘বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে চীন’

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার অর্থনৈতিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বুধবার (১০ জুলাই) বেইজিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে তার দেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। এই প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফর এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছয়টি সফরের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তা স্মরণ করে লি কিয়াং বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, বৈঠকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং মানবতার কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেছে দুই প্রধানমন্ত্রী।

দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উদযাপনে আগামী বছর বাংলাদেশ সফরের জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপনের ওপর দুই নেতাই গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর লি কিয়াং এবং শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি এবং সাতটি ঘোষণাপত্র সই করেছে বাংলাদেশ ও চীন। এরমধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর