Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

সায়মা ওয়াজেদকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪৯জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা, অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কার্যভার গ্রহণ করবেন।সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের এই সম্মানজনক অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডা. সামন্ত লাল সেন। 

সোমবার রাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারী তারিখে অটিজম বিশেষজ্ঞ সামেয়া ওয়াজেদ বর্তমান পরিচালক ড. পুনাম ক্ষেত্রপাল সিং এর আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন শেষে ১ফেব্রুয়ারি থেকেই পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১৫৪তম নির্বাহী বোর্ড সভায় উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন আজ মঙ্গলবার তার নির্ধারিত বক্তব্যে সায়মা ওয়াজেদের এই দায়িত্বপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মত কোন বাংলাদেশীর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে এরকম দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক পদে দায়িত্বপ্রাপ্তি হচ্ছেন। এই প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সায়মা ওয়াজেদ অটিজম আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে কাজ করে ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী পরিচিত। 

তিনি বলেন, সায়মা ওয়াজেদের মত একজন দক্ষ ব্যক্তিত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্বপ্রাপ্তিতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এ অঞ্চলে আগামীতে অগ্রগতি আসবে। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কন্যা। তিনি জানেন কীভাবে কাজগুলো করতে হবে। তাঁর এই দায়িত্বপ্রাপ্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গর্ব অনুভব করছে, এবং সায়মা ওয়াজেদের আগামী দিনগুলোর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছে। 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লালসেনের বক্তব্যকালে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১৫৪তম নির্বাহী বৈঠক সোমবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এরপরই ১লা ফেব্রুয়ারী থেকে ড. সায়মা ওয়াজেদ দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

গত বছরের ১ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে সায়মা ওয়াজেদ সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হন।

আরও খবর



ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব নিলেন সায়মা ওয়াজেদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রীকন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভারতের দিল্লি অফিসে তিনি যোগদান করেন।

সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি এবং বিশ্বে দ্বিতীয় নারী হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সম্মানজনক পদে যোগ দিয়েছেন। কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ রকম মর্যাদাপূর্ণ পদে যোগদান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

এর আগে, গত বছরের ১ নভেম্বর সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আরডি নির্বাচনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক ১০টি দেশের মধ্যে ৮-২ ভোটের বিপুল ব্যবধানে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হন।

তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বৃহস্পতিবার ভারতের দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


আরও খবর



জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক মারা গেছেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:বার্ধক্যজনিত রোগের সঙ্গে লড়াই করে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আজ শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে সকাল ১০.৩০টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

দীর্ঘ দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন অঞ্জনা। অনেক সময় বাড়িতেই তার চিকিৎসা হতো। তার দুই মেয়ে নীলাঞ্জনা এবং চন্দনা মায়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে, খুব ভেঙে পড়েছেন যিশুর স্ত্রী।

অভিনেত্রীর জন্ম ১৯৪৪ সালে। কোচবিহারের মেয়ে, নাম ছিল আরতি ভৌমিক। ২০ বছর বয়সে বাংলা সিনেমায় অভিষেক হয় ‘অনুষ্টুপ চন্দ’ ছবির মাধ্যমে। তবে প্রথম ছবি মুক্তির আগেই তিনি নাম বদলে হন অঞ্জনা। উত্তম কুমারের সঙ্গে তার জুটি প্রশংসিত সর্বত্র। নিজের ক্যারিয়ারের অধিকাংশ ছবিই করেছেন মাহনায়কের সঙ্গে। বহু দর্শক বিশ্বাস করতেন, উত্তম কুমারের সঙ্গে তার যে জমাট রসায়ন, তা অন্য কোনও নায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধলে সেভাবে পর্দায় ধরা দেয় না।

অবশ্য সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ‘মহাশ্বেতা’ ছবিতে তার অভিনয় নজর কাড়ে দর্শক ও সমালোচকদের। তারপর নেভি অফিসার অনিল শর্মাকে বিয়ে করেছিলেন অঞ্জনা। বিয়ের পর থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। তিনি বরাবরই বিশ্বাস করতেন, দর্শকদের অপেক্ষা করানোর মধ্যেই অভিনেতার সাফল্য। যদিও আশির দশকের পর সেভাবে আর কোনো দিনই পর্দায় দেখা যায়নি তাকে।

ষাট থেকে আশির দশকের বাংলা সিনেমায় ছিল তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। এখনও বহু দর্শক মনে রেখেছেন তাকে। ‘চৌরঙ্গী’, ‘থানা থেকে আসছি’, ‘নায়িকা সংবাদ’র মতো ছবিতে তার অভিনয় এখনও মনে রেখেছেন দর্শক। তার এবং উত্তম কুমারের পর্দার রসায়ন দর্শকের ছিল খুব প্রিয়। অঞ্জনা বহু বছর ধরেই ছিলেন অন্তরালে। দুই মেয়ে নীলাঞ্জনা ও চন্দনা দুজনেই একসময় অভিনয় করতেন।

নীলাঞ্জনা এখন টেলিপাড়ার সফল প্রযোজক। তার স্বামী অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত চুটিয়ে অভিনয় করছেন। কয়েক বছর আগে ‘উমা’ সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে অভিষেক হয় যিশু-নীলাঞ্জনার বড় মেয়ে অর্থাৎ অঞ্জনার নাতনি সারার।


আরও খবর

ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ৭ম বর্ষপূর্তি

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




স্বামীর তৈরী ঘরটাকেই আমার স্বর্গ মনে হয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ‘যে ঘরে স্বামীর সাথে সত্তর বছর কাটিয়েছি। মা হয়েছি চৌদ্দটি সন্তানের। সেই স্মৃতি আকড়ে ধরে বাঁচতে চাই বাকি জীবন। যদিও স্বামী গত হয়েছেন ত্রিশ বছর। এখনও মনে হয় উনি এ ঘরেই আছেন’। এমন নানা রমক স্মৃতি বিজড়িত অভিমত ব্যক্ত করছিলেন একশো চৌদ্দ বছর

বয়সি বৃদ্ধা জাহেরা বেগম। জাহেরা বেগম মেহেরপুর গাংনী উপজেলার কচুইখালি গ্রামের মৃত আতর আলীর স্ত্রী। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়লেও রান্নাসহ সংসারের সব কাজই করেন স্বাভাবিক ভাবে। আধুনিকতায় মাটির দেয়াল ও খড়ের চাউনির ঘর বিলুপিÍ হলেও এখনও বিভিন্ন এলাকার মানুষ দেখতে আসেন জাহেরা বেগমের মাটির দেয়াল আর আট চালা খড়ের ঘরটি।

বৃদ্ধা জাহেরা বেগম বলেন, ‘ছেলেদের সবারই পাকা ঘর হয়েছে। আমাকে তারা তাদের পাঁকা ঘরে রাখতে চায়। আমি সেখানে থাকতে চাইনা। স্বামীর তৈরী ঘরটাকেই আমার স্বর্গ মনে হয়। স্বামীর সাথে সংসারের অনেক স্মৃতিই জড়িয়ে আছে মাটির ঘরে। ঘরে ঢুকলেই মনে পড়ে স্বামী সন্তানের হাজারও স্মৃতি। বয়স হলেও এখনও সংসারের কাজ করতে ভাল লাগে। এখনও সাভাবিকভাবেই চলতে পারি। যতদিন বেঁচে আছি এখানেই থাকতে চাই’।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্বামীর ঘরে আসেন জাহেরা বেগম। তখন স্বামীর যশ ছিল, খ্যাতি ছিল। সে সময় স্বামী তৈরী করেছিল ৮ চালা বিশিষ্ট একটি মাটির ঘর। সে ঘরেই শুরু হয় তাদের দাম্পত্য জীবন। সংসার জীবনে মা হয় ১৪টি সন্তানের। এদের মধ্যে ৮ ছেলে ও ৬ মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে সবাই আছেন স্বামীর সংসারে। ছেলেরা সকলেই সাবলম্বি। তাদের রয়েছে একেক জনের পাঁকা ঘর।সব ছেলেরা বৃদ্ধা মা জাহেরা বেগমকে তাদের ঘরে থাকতে অনুরোধ করলেও তাতে নারাজ বৃদ্ধা জাহেরা বেগম । স্বামীর স্মৃতি আকড়ে ধরে স্বামীর হাতের নির্মিত আট চালা ঘরেই থাকতে চান তিনি।

জাহেরা বেগমের বড় ছেলে নুর ইসলাম বলেন, ‘আমার মায়ের অনেক বয়স হয়েছে। আমরা চেষ্টা করি তাকে আমাদের সংসারে রাখতে। কিন্তু কোন ভাবেই তাকে বোঝাতে পারিনা। সে মাটির ঘরেই থাকতে সাচ্ছন্দবোধ করেন। আমরাও আমার বৃদ্ধা মায়ের যতœ নিয়ে থাকি। মা বলে পাকা ঘরে শীতের সময় বেশি শীত ,আর গরম কালে বেশি গরম। মাটির ঘর তার থেকে অনেকটাই ব্যতিক্রম’।

ছোট ছেলে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘মাকে বুঝিয়ে যখন মাটির ঘর থেকে সরাতে পারিনি তখন সে ঘরের পাশেই আমি পাঁকা ঘর নির্মাণ করেছি। যাতে আপদে বিপদে আমিও মায়ের পাশে থাকতে পারি’। তিনি আরো বলেন, আশপাশের গ্রামে আর এতবড় মাটির ঘর নেই। অনেক মানুষই আমাদের মাটির ঘরটি এখনও দেখতে আসে। ঘর দেখতে এসে অনেকেই আবেগ আপ্লুত হন।

ঘর দেখতে আসা গাংনী শহরের তোফায়েল জানান, একসময় জীবন ধারনের একমাত্র বাসস্থান মাটির দেয়াল আর খড়ের ছাউনি। এখন আর চোখে পড়েনা। তাই বৃদ্ধা জাহেরার মাটির ঘরটি দেখতে এসিছেন। বৃদ্ধা বয়সেও মাটির ঘরটি অনেক যতœ করে রাখেন জাহেরা বেগম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য খোকন মিয়া জানান, খুব বেশি দিনের কথা নয়, যেখানে প্রতিটি গ্রামেই চোখে পড়তো প্রায় এক তৃতীয়াংশ মাটির বাড়ি। অনেকেই মাটির দেয়াল আর খড়ের ঘরকে আরও দৃষ্টি নন্দন আর পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী আট চালা ঘর তৈরী করে বসবাস করতেন। সে ঘরকে আমরা চিলিকোঠা বলে থাকি। ইদানিং সেসব ঘর আর চোখে পড়েনা। জাহেরা বেগম তার নিপুন হাতের ছোয়ায় আজও মাটির ঘরটিকে সুন্দর করে রেখেছেন। তাছাড়া যারা মাটির তৈরী ঘর নির্মান কাজে নিয়োজিত ছিল সেসব কারিগররাও তাদের পেশা পরিবর্তন করেছেন। যার ফলে মাটির ঘর আর কেও নির্মাণ করছেন না।

ধানখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কচুইখালি গ্রামের জাহেরা বেগমকে চিনি। তার বয়স প্রায় ১১৪ বছর। আমরাও চেষ্টা করেছি তাকে সরকারি ‘‘জমি আছে ঘর নাই ’’ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করে দিতে। কিন্তু তিনি নিতে চাননি। স্বামীর তৈরী মাটির ঘরেই তিনি বাকি জীবন কাটাতে চান। প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সরকারি সুবিধা দেয়া হয় বৃদ্ধা জাহেরা বেগমকে।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিজিবি মহাপরিচালক পদে মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামানের যোগদান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসানের কাছ হতে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

বিজিবিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, ঢাকায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী ২৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের সাথে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন লাভ করেন।

মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি স্কুল অব আর্টিলারি, ফোর্ট সিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর, ঢাকা, ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ, ওয়েলিংটন, তামিলনাড়–, ভারত এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, নয়াদিল্লি থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস), ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ও এমফিল এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি) থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

মেজর জেনারেল আশরাফ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন নিযুক্তিতে বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ৫টি আর্টিলারি ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১টি আর্টিলারি রেজিমেন্ট ও ২টি আর্টিলারি ব্রিগেড কমান্ড করেছেন। তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ইনস্ট্রাক্টর, একটি পদাতিক ডিভিশনের স্টাফ অফিসার গ্রেড-৩, একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর এবং একটি পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) এর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মেজর জেনারেল আশরাফ জাতিসংঘ শান্তি মিশন ইথিওপিয়া এবং সুদান এ অংশগ্রহণ করে অত্যন্ত সফলতার সাথে মিশন সম্পন্ন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সচিবালয়ে শান্তিরক্ষী মিশন অপারেশন্স এ ফোর্স জেনারেশন অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ৫০ নেতাকর্মী কারাগারে

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:নাশকতার দুই মামলায় মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আকরুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ ৫০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিকেলে মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহম্মদপুর আমলি দ্বিতীয় আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমনা পাল সব নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সবাই উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের সময় পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরপর পুলিশ ককটেল উদ্ধার করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র পুলিশ বাদী হয়ে মহম্মদপুর থানায় ১০১ জনের নাম উল্লেখসহ ১ হাজার ৩০০ জনকে অজ্ঞাত করে বিস্ফোরণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ১ নভেম্বর উপজেলার ধোয়াইল আদর্শ নুরানি হাফেজি মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনে রাত ১২টার দিকে বিএনপি ও সমমনা দলের নেতাকর্মীরা নাশকতা করার জন্য জড়ো হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় 

এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে। পরে ২ নভেম্বর এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ অভিযোগে স্থানীয় বিএনপির ১৯৯ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহেদ হাসান টগর ও মো. মনিরুল ইসলাম মুকুল জানান, নির্বাচনের আগে আন্দোলন দমানোর জন্য নাশকতার নামে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে দুইটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার দুপুরে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪