Logo
আজঃ সোমবার ০৫ জুন ২০২৩
শিরোনাম

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৯৮ বার পেছাল

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদক:৯৮ বারের মতো পেছাল সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ। আগামী ২২ জুন প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

আজ সোমবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলমের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন ।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আট জন। অপর আসামিরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।


আরও খবর



গাবতলীতে ভূমিহীন-গৃহহীন মুক্ত ঘোষনার লক্ষে উপজেলা কমিটির সভা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

আল আমিন মন্ডল (বগুড়া) :রবিবার আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার ‘গাবতলী উপজেলা’কে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষনার লক্ষে ইছামতি হলরুমে উপজেলা যৌথ কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিলুফা ইয়াছমিন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফতাবুজ্জামান- আল-ইমরান এর সভাতিত্ত্বে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মুক্তা ও রেকসেনা আক্তার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাহিদা আকাতার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাবেক কমান্ডার হুমায়ুন আলম চান্দু, এমআর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান মজনু, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বুলবুল আহম্মেদ, ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, আব্দুল গফুর, ফারুক আহম্মেদ, শহিদুল ইমসলাম বাবু, ইঞ্জিনিয়ার রাজ্জাকুল আমিন রোকন, আব্দুল মজিদ মন্ডল, আব্দুল ওহাব মন্ডল, আব্দুল রশিদ মোল্লা, মজিবুর রহমান, ইউনুছ আলী, শাহীদুল ইসলাম টনি। এসময় উস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, নির্বাচন কর্মকর্তা রুহুল আমিন, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান, সৈয়দ আহম্মেদ কলেজ অধ্যক্ষ সাইদুজ্জামান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফ আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আলিফা খাতুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা নাইম হোসেন, সমবায় কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ভূইয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, প্রানি সম্পদ দপ্তরের এলইও ডাঃ লিটন আহম্মেদ, উপজেলা সহঃ ইন্সট্রাক্টর টি এম হাসানুজ্জামান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এবং ইউপি সচিবগন প্রমূখ।


আরও খবর



শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ থাকে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানী ঢাকায় সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার মার্কেট, দোকানপাট বন্ধ থাকে। আপনি হয়তো প্রস্তুতি নিচ্ছেন আপনার পছন্দের কোন মার্কেটে যাবেন আজ। কিন্তু সেই মার্কেট খোলা আছে কিনা তা হয়তো জানেন না। তাই আগে জেনে নিন ঢাকার কোন মার্কেট আজ বন্ধ এবং খোলা রয়েছে। না হলে কষ্ট করে গিয়ে ফিরে আসতে হতে পারে।

মনে রাখাতে হবে সপ্তাহের ভিন্ন ভিন্ন দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেট, দোকানপাট বন্ধ থাকে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক শুক্রবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট, মার্কেট বন্ধ থাকে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে:
বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে:

আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।


আরও খবর



প্রচন্ড তাপদহে থেমে নেই কৃষকরা চলছে বীজ বহন ধান কাটা মাড়ায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর:বেশ কয়েক দিন ধরে চলছে তীব্র তাপমাত্রা, ঘরে বাহিরে কোন স্বস্তি নেই, মাঠে বেশি সময় দাড়াতেই পরছেননা কৃষক শ্রমিকরা। কিন্ত খরতাপে ঘরে থাকলে তো আর চাষা বাদ হবে না। কোনকিছু আটকাতে পারে না রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষক শ্রমিকদের। ভরদমে আলু পরবর্তী ধান কাটা মাড়ায় ও রোপা আমন চাষের জন্য চলছে বীজ বপনের কাজ।  বিশেষ করে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ পর্যন্ত রাস্তায় তেমন ভাবে দেখা মিলছেনা জনসাধারনের। পিচঢালা রাস্তায় যেন শরীর পুড়ে যাচ্ছে। গত বুধবার বাড়ি টিন দিয়ে ছাওয়ার জন্য উল্টিয়ে ফেলেন পৌর সদর গুবিরপাড়া গ্রামের হান্নান। মিস্ত্রী র কাজ করছেন সুবারন। কিন্তু প্রখর রোদে দাড়াতেই পারছেন না। শুক্রবারে কাজে এসে সকালেই শুয়ে পড়েন। আর কাজে হাত দিতে পারেন নি। তিনি জানান, বিগত ২০০৩ সাল থেকে মিস্ত্রির কাজ করছি। জৌষ্ঠ মাসে এমন প্রচন্ত রোদের প্রখরতা দেখিনি। টিন ছাওয়ার জন্য উপরে উঠলে মনে হচ্ছে মাথার কয়েক হাত উপরে সূর্য। অথচ কোটিকোটি মাইন উপরে সূর্য, সেই তাপ সহ্য হচ্ছে না। শরীর হাত পা মুখমন্ডল মনে হচ্ছে পুড়ে যাচ্ছে। আমার জীবনে চলতি বছরে রমজান মাসে ও মে জুনে দেখছি ভয়াবহ তাপ প্রবাহ। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে বোমন ও পেশার লো হয়ে গেছে। আমার সাথে আরেকজন কাজ করছিল তার একই অবস্থা। কাজ করতে না পারলে সংসার ও কিস্তি মিটবে না।

জানা গেছে,  উপজেলা জুড়ে প্রতিটি মাঠে আলু পরবর্তী ধান কাটার ধুৃম পড়েছে। কিন্তু রোদের তাপে শ্রমিকরা এক ঘন্টা কাজ করলে দু ঘন্টা মাথায় বুকে পানি দিতে হচ্ছে। শরীরে থাকা সার্ট পরনের লুঙ্গি ঘামে ভিজে একাকার হয়ে পড়ছে।শ্রমিক মুস্তফা জানান, রোদের তাপের কারনে ফজরের আযানের আগে ধান কাটা শুরু করছি। তখন আবার কোয়াশা পড়ছে। আরেক শ্রমিক মফিজ জানান, গরীবের কাজ না করলে ভাত জুটবেনা। তাপে পুড়ে হলেও কাজ করে সংসার পরিচালনা করতে হবে।এদিকে উপজেলা জুড়ে আলুর জমিতে রোপন করা ধান পেকেছে, ইতিপূর্বেই কাটা শুরু হয়েছে। রয়েছে শ্রমিক সংকটের কারনে বেকায়দায় কৃষকরা। ধান মাড়ায় হপার হারভেস্টাকর মেশিন এসেছে অর্ধশতাধিকের মত। একবিঘায় মেশিনে নিম্মে১৫০০ থেকে উর্ধ্বে ২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। আর শ্রমিক দিয়ে ৬-৭ হাজার টাকা খরচ। কিন্তু মেশিনে খড় পাচ্ছেনা, আর শ্রমিক কাটা মাড়ায় করলে খড় পাচ্ছেন।এছাড়াও রোপা আমন রোপনের জন্য বীজ বহন শুরু হয়ে গেছে।গত বৃহস্পতিবার বীজ বপনের সময় বিহারইল মাঠে কথা হয় মাদারিপুর গ্রামের কৃষক সুফিয়ানের সাথে। তিনি জানান ১০ শতাংশের কিছু বেশি জমিতে স্বর্না জাতের ৪৫ কেজি বীজ বহন করছি। ৪৫ কেজি বীজ ভালো হলে ১০ বিঘা জমি রোপন করা যাবে। আমরা একটু আগাম বীজ বপন ও চাষ করে থাকি। তিনি আরো জানান বিঘায় ৪ কেজি বীজ লাগে। এক বিঘা জমিতে বীজ তৈরি থেকে উত্তোলন পর্যন্ত ৬-৭ হাজার টাকা খরচ হয়।ওহিদুল নামের আরেক কৃষক সাড়ে তিন মন বীজ বপন করেছেন।

সুফিয়ান, আব্দুল সহ একাধিক কৃষকরা জানান, এক মন বীজের ধান কিনতে হচ্ছে ১৭০০-১৮০০ টাকা দিয়ে। অথচ একমন ধান বিক্রি হচ্ছে ১হাজার টাকায়।  কৃষক যাবে কোথায়, কেজি প্রতি সারের দাম ৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। আবার পটাশ সার ১২০০-১৩০০ টাকা ছাড়া মিলছে না। সব দিক থেকে মরছে কৃষক। কিভাবে একজন প্রান্তিক কৃষক পথে বসবে সেটাই করা হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, আরো এক সপ্তাহ বোরো ধান কাটা চলবে। তারপর থেকে যেটা কাটা হবে সেটা আউশ হিসেবে ধরা হবে। রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৪০০ হেক্টর। সে মোতাবেক ১১২০ হেক্টর জমিতে বীজের লক্ষমাত্রা, সে অনুপাতে ৮০০ মে:টন বীজের প্রয়োজন। তবে খরতাপের কারনে অবশ্য শ্রমিকদের মারাত্মক কষ্ট হলেও কৃষকরা শুকনো ঝরঝরে ধান ঘরে তুলতে পারছেন। এবার বোরোতে বাম্পার ফলন হয়েছে, তবে ফড়িয়া সিন্ডিকেট দাম কমছে, সে বিষয়ে বিপনন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে হাট বাজার, আড়ত ও চাতালে অভিযান পরিচালনা করবে।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা জসিম হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৫০জন দেখেছেন

Image

 লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক:লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান জসিমকে গুলি করে হত্যার দায়ে আটজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আমিনা ফারহিন এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুরে জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলী হোসেন বাচ্চু, মো. মোস্তফা, মো. খোকন, আবুল হোসেন, মোবারক উল্যা, কবির হোসেন রিপন, জাফর আহম্মদ ও হিজবুর রহমান স্বপন।

মেহেদী হাসান জসিম চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মফিজ উল্যার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর গ্রামের মফিজ উল্যার সঙ্গে একই বাড়ির মোবারক উল্যা ও আলী হোসেন বাচ্চুদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে মোবারকরা ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি মফিজ উল্যাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। এ ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়।

এরপর থেকে মফিজের মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য হুমকি দেয়, না করলে হত্যা করা হবেও হুমকি দেওয়া হয়। এ জন্য মফিজ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না যেতে পেরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আত্মগোপনে থাকতেন।

একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ মোবারকদের করা মামলাটি উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরনবী তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে মফিজের ছেলে হাসান জসিমের নাম বাদ দেওয়ায় মোবারকরা চরম ক্ষিপ্ত হয়। এ কারণে জসিম ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামে আত্মীয় গোলাম মাওলার বাড়িতে আত্মগোপনে যায়।

জসিমের সঙ্গে তার বড় ভাই আবদুল হাই ও গোলাম মাওলার ভাই মাসুদ একই কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ওইদিন দিবাগত গভীর রাতে আসামিরা জানালার গ্রিল ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে। এ সময় তারা জসিমের বুকে গুলি করে। তাকে বাঁচানোর জন্য অন্যরা এগিয়ে আসলে আসামিরা গুলি করার হুমকি দিয়ে তাদের পিটিয়ে আহত করে।পরে জসিমকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পরদিন জসিমের বাবা মফিজ উল্যাহ বাদী হয়ে সদর থানায় মোবারকসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সবশেষ ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এতে সাক্ষ্য-প্রমাণে মোবারক উল্যা, আলী হোসেন বাচ্চু, অজি উল্যা, কবির হোসেন রিপন, হিজবুর রহমান স্বপন, আবুল কাশেম, সফিক উল্যসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আসামিদের মধ্যে আবুল কাশেম, সফিক উল্যা, আমির হোসেন ও অজি উল্যা মারা গেছেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় প্রদান করেন।

রায়ের সময় সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি হিজবুর রহমান স্বপন পলাতক রয়েছেন।

রায়ের পর মামলার বাদী মফিজ উল্যা বলেন, ‘আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। মামলার রায়ে আমি সন্তুষ্ট।


আরও খবর



গয়েশ্বর, এ্যানীসহ বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর নিউমার্কেট থানার সায়েন্সল্যাব এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নাম উল্লেখ করা আসামিদের অন্যতম হলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।

নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সবুজ মিয়া মামলাটি করেছেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় পুলিশবক্সের ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

আজ বুধবার দুপুরে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল গনি সাবু বলেন, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির পদযাত্রা থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। মামলায় বিএনপির ৪৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

একই সংঘর্ষের ঘটনায় এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শেখ রবিউল আলমসহ ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে ধানমন্ডি থানায় মামলা করে পুলিশ।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির পদযাত্রা থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। মামলায় শেখ রবিউল আলমসহ ৫২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সংঘর্ষের ঘটনায় ২৭ জনকে আটক করা হয়েছিল। মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গতকাল নিউমার্কেট থানার সায়েন্সল্যাব ও ধানমন্ডি থানার সিটি কলেজ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে চান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এসময় বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। একইসঙ্গে একটি একটি দোতলাবাসে তারা আগুন ধরিয়ে দেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য শেখ রবিউল আলমকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।


আরও খবর