Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

পরীমণিকে নিয়ে যা বললেন রাজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২৫৯জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক ;চিত্রনায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজের সংসার ভেঙে যাচ্ছে-এমন খবর কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে আসছে। এরই মাঝে আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যের লাইভে আসেন অভিনেতা শরিফুল রাজ।

রাজ লাইভে এসে তার সংসারে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ব্যক্তি জীবনের অনেক কিছু খোলামেলা আলোচনা করেন। লাইভের শুরুতে রাজকে প্রশ্ন করা হয় আপনার আইডি থেকে যেসব ছবি ও ভিডিও আপলোড করা হয়ছে সেগুলো কে করেছে? প্রশ্নের জবাবে রাজ বলেন আমি জানি না। তবে আমার আমার আইডি হ্যাক হয়নি।

কিছুক্ষণ একই প্রশ্নের জবারের সূত্র ধরে রাজ বলেন, আমার আইডি হ্যাক হয়ে থাকলেও যারা হ্যাক করেছে তারা এগুলো আপলোড করে আবার আইডি ফেরত দিয়েছে।

শরিফুল রাজের এই জবাবের রেশ টেনে তাকে পুনার প্রশ্ন করা হয়, তাহলে কী আপনার পাসওয়ার্ড কেউ জানে? জবাবে রাজ বলেন, আমার পাসওয়ার্ডের অ্যাকসেস নেওয়ার মতো মানুষ আছে। তবে কার কাছে আমার এই পাসওয়ার্ড আছে তার নাম বলতে চাই না।

রাজের অ্যাকাউন্ট থেকে ফাঁস হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এগুলো আসলে আমার পাঁচ ছয়-বছর আগের করা ভিডিও। এগুলো ফাঁস করে কে অথবা কারা কী বুঝাতে চেয়েছে সে সম্পর্কে আমি কিছু জানি বুঝতে পারছি না। ভিডিওগুলো আমার কাছেই ছিল। হয়তো কোনো হোয়াসআপ গ্রুপ অথবা ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ থেকে এগুলো থাকে পারে। ৫ বছর আগের আগে এ ভিডিওগুলো করা, তাই এ সম্পর্কে আমার পরিষ্কার ধারণা নেই। তবে ভিডিওগুলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়নি। জাস্ট আমরা বন্ধুরা ফান করার জন্য করেছি।

প্রায় ৩৭ মিনিটের লাইভে আরও বলেন, আমাদের একটি সন্তান আছে। সুতরাং এই সন্তানের কথা চিন্তা করে হলেও আমাদের সব সমস্যা মিটিয়ে ফেলা উচিত। রাজকে আরও প্রশ্ন করা হয়- কয়েকদিন আগে পরীমণি বলেছিল রাজ ২০ দিন ধরে বাসায় নেই। এ সময় আমি কোথায় ছিলেন? জবাবে রাজ বলেন, পরী সত্যি বলেছে। এসময় আমি আমার গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছিলাম।

লাইভে অপর এক প্রশ্নের জবাবে রাজ বলেন, ‘আমি ও পরী সেপারেশনে (আলাদা) আছি। আর আমি এই বিষয় নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবতে চাই না।’

এর আগে রাজ আরও বলেন, আমরা আলাদা হলেও আমাদের বেবির টেককেয়ার আমরা দুইজনই করবো।

এরপর রাজকে প্রশ্ন করা হয় আপনি কী ডিভোর্সের দিকে আগাতে চান? জাবাবে রাজ বলেন এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমার আরও অনেক সময় লাগবে।


আরও খবর



বাড্ডায় বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান, র‌্যাবের অভিযান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার টেকপাড়া এলাকায় বোমা তৈরির একটি কারখানা ঘিরে রেখেছে । বুধবার (২২ মে) র‍্যাব-৩ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন পূর্ব বাড্ডার টেকপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ হাতবোমা ও বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। বাড়িটি ঘিরে রেখেছেন র‍্যাব-৩ এর সদস্যরা।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।


আরও খবর



নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদে এসব কি হচ্ছে!

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের পক্ষপাতিত্ব, স্বজনপ্রীতি, দূর্নীতি আর সীমাহীন অনিয়মে এসব প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। কয়েকশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্প স্থানীয়দের সুবিধার পরিবর্তে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রকল্প জনগণের কোনই কাজে আসছে না।

প্রকল্পগুলো কেন ও কার স্বার্থে নেয়া হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, প্রকল্পের শত কোটি টাকা পানিতে গচ্ছা গেছে।

জেলার ধামইরহাট, পত্নীতলা ও মহাদেবপুর  উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদের ড্রেজিং, বাঁধ সংস্কার ও তীর প্রতিরক্ষার তিনটি প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড একশ’ ৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। শতকরা ১০ ভাগ কম মূল্যে টেন্ডারে এটির ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গতবছর ৩০ জুন শেষ হবার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হলেও এখনও এর কাজ শেষ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ধামইরহাট উপজেলার শিমুলতলী থেকে মহাদেবপুর উপজেলার কালনা ব্রীজ পর্যন্ত মোট ২৭ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং করা হয়। ড্রেজিংয়ের ফলে নদের ডুবোচর বিলুপ্ত, নদেরভাঙন থেকে রক্ষা, নদের গতিপথ পরিবর্তন বন্ধ হওয়া সংক্রান্ত ভাঙন রোধ, নদের পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, নাব্যতা বৃদ্ধি, কৃষি সেঁচের আওতা বাড়া, পানি ডিসচার্জ ক্যাপাসিটি বাড়া, এলাকার পানি নিস্কাষন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হওয়ার মধ্য দিয়ে সাগর বিপ্লব সংঘটিত হওয়া প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল।কিন্তু প্রকল্পের কাজ এতই নিম্নমানের করা হয়েছে যে, এসব কোনটিরই বাস্তবায়ন করা  হয়নি। ড্রেজিং কাজ নামমাত্র করায় নদের পানি প্রবাহ বাড়েনি। বরং এই নদ এখনও আগের মতই শুকিয়ে রয়েছে। শুষ্ক মওসুমে পুরো নদ জুড়ে পানির বদলে বালি আর মাটি দেখা যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ এটি একটি লোক দেখানো টাকা লোপাটের প্রকল্প। প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ কাজ না করেই আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তাদের মন্তব্য।

এ প্রকল্পে ২৫ কিলোমিটার নদের পশ্চিম তীরের বাঁধ পূণঃআকৃতিকরণ (রিসেকশন) করার কথা। এতে বর্তমান অবস্থা থেকে বাঁধ দেড় মিটার উঁচু ও ৫ মিটার চওড়া হবে। মহাদেবপুর এলাকায় এ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার প্রকল্পে যেকোন বৈধ স্থান থেকে মাটি এনে দিতে বাধ্য থাকলেও একের পর এক অবৈধ স্থান থেকে মাটি এনে এখানে দেওয়া হয়েছে। প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে মাঠের পর মাঠ ফসলি জমি থেকে উর্বর টপ সয়েল কেটে এনে এ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করে বেআইনীভাবে শতাধিক পুকুর খনন করে সেই মাটি পরিবহণ করে এ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। দূর থেকে খোলা ট্রাক্টরে করে মাটি পরিবহণ করায় পাকা রাস্তায় মাটি পড়ে কাদায় সয়লাব হয়েছে। শুষ্ক মওসুমে পুরো এলাকা ধুলোময় হয়েছে। মানুষ স্বাভাবিক চলাচল ও জীবন ধারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। এমনকি এই প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারিরা প্রকাশ্যে নদীতে ভেক্যু মেশিন বসিয়ে মাটি চুরি করে বাঁধে দিয়েছে। এভাবে বেআইনীভাবে ঠিকাদারকে সহযোগিতা করে বিশাল অংকের অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বাঁধে বালুকা মাটি না দিয়ে লাল এঁটেল মাটি দেওয়ায় বর্ষার সময় পুরো বাঁধ কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। ফলে বাঁধের উপর দিয়ে কোন যানবাহন বা মানুষ চলাচল করতে পারে না। বাঁধের আশেপাশের মানুষ এ সময় বাড়িতে একরকম বন্দি অবস্থায় থাকেন। 

এ বাঁধ পূণঃআকৃতিকরণে বাঁধসংলগ্ন লক্ষাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। অনেক জায়গায় ব্যক্তি মালিকানার গাছও কেটে সাবাড় করা হয়েছে। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পরিবর্তে প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়েছে। বেশিরভাগ জায়গায় বাঁধ সম্প্রসারণে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।এ বাঁধ নিয়ে সবচেয়ে নেতিবাচক যে প্রচারটা হচ্ছে তা হলো, নদের পশ্চিম তীরে দুই যুগ আগে বিশ্ববাঁধ নির্মাণ করা হয়। এর উপর দিয়ে আবার নতুন করে বাঁধ নির্মাণের কোন প্রয়োজন ছিল না বলে স্থানীয়রা মনে করেন।মহাদেবপুরে সর্বশেষ বন্যা হয়েছে ১৯৯৬ সালে। গত ২৮ বছরে এ উপজেলায় কোন বন্যা হয়নি। বরং বছরের পর বছর ধরে পানির প্রবাহ না থাকায় এ নদ।একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদে যেখানে পানিই নেই, সেখানে শতকোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ সম্প্রসারণ কার জন্য তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এছাড়া নদের তীর প্রতিরক্ষায় বাঁধের ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সিসি ব্লক ফেলার কাজও করা হচ্ছে। এখানেও নিম্নমানের ব্লক তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফইজুর রহমান অবৈধভাবে ঠিকাদারকে সহযোগিতার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, নদ থেকে মাটি বাঁধে যায়নি।

মহাদেবপুরে আত্রাই নদের ভাটি অংকে কোন বালু না থাকায় এবার প্রথম পর্যায়ে এ অংশের ডাক দেওয়া হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে মাটি ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভাটি অংশের শুধুমাত্র মহাদেবপুর ও দারিয়াপুর মৌজার বালুমহাল ১৬ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। মহাদেবপুর মৌজায় পাশাপাশি একটি ঢালাই ব্রীজ ও একটি বেইলী ব্রীজ রয়েছে। এর এক কিলোমিটার পরেই অন্য মৌজা। এ ছাড়া দরিয়াপুর মৌজার এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে শিবগঞ্জ খেয়াঘাটে নির্মিত হচ্ছে আরো একটি ঢালাই ব্রীজ। এসব ব্রীজের এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলনের জন্য কিভাবে ইজারা দেওয়া হলো তা নিয়ে স্থানীয়দের হাজারো প্রশ্ন। বালু না থাকায় ইজারাদার নদের  মধ্যে সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে বাঁধ দিয়ে বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে ভেক্যু মেশিন দিয়ে গভীর গর্ত করে লাল মাটি তুলে বিক্রি করছে। ফলে একদিকে বিস্তর টাকা খরচ করে বাঁধ সংস্কার করা হচ্ছে, অন্যদিকে মাটি কেটে ও বাঁধের উপর দিয়ে মাটি পরিবহণ করে বাঁধকে হুমকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে।জানতে চাইলে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা জানান, বালুমহাল ইজারা নিয়ে কোনক্রমেই মাটি কাটা যাবেনা। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নির্দিষ্ট দূরত্বে না হলে বালুও তোলা যাবেনা বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।

২০১৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর মহাদেবপুরে আত্রাই নদের হাতুড় ইউনিয়নের কালনা ঘাট ও উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবগঞ্জ ঘাটে দুটি ব্রীজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়। এজন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আত্রাই নদের মহিষবাথান ঘাটে একটি ব্রীজ নির্মাণের। এখানে ঐতিহ্যবাহী হাট, প্রতিদিনের বাজার, স্কুল, মাদরাসা, ব্যাংক, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি রয়েছে। কিন্তু সিংহভাগ জনতার দাবি উপেক্ষা করে সেসময় এখানে ব্রীজটি নির্মাণ না করে এখান থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে একটি ফাঁকা জায়গায় কালনা ঘাটে এটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর কারণ হিসেবে জানা যায়, মহিষবাথান হাটের কাছাকাছি বালুর পয়েন্ট ছিল। এখানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে নদের ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলনের ফলে একশ’ ফুটের বেশি গভীর খাদে পরিণত হয়েছিল। ওই বালুর পয়েন্ট ঠিক রাখতে ব্রীজ নির্মাণের স্থান একটি জনমানবহীন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। মহিষবাথান হাট এলাকায় আত্রাই নদের সাথে মহাদেবপুর-পত্নীতলা পাকা সড়ক ও মহাদেবপুর-সরাইগাছী পাকা সড়কের সংযোগ সড়কও রয়েছে। কিন্তু কালনা ঘাটে কোন সংযোগ সড়ক নেই। জনতার স্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে কার স্বার্থে ব্রীজটি কালনা ঘাটে নির্মাণ করা হচ্ছে তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

এ ব্রীজটি নির্মাণের সময় এর দৈর্ঘ্য ধরা হয় ৩৫০ মিটার। ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু কাজ শুরু হবার কিছুদিন পর জানা যায়, এস্টিমেট ভূল হয়েছে। তখন কাজ বন্ধ রেখে নতুন করে এস্টিমেট করা হয়। নতুন এস্টিমেটে এটির দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় মাত্র ২৬২ মিটার। তিন বছর এর নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি এর কাজ আবার শুরু করা হয়। গতবছর ১০ জুলাই নির্মাণ কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও আজও এটির ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়নি। শিবগঞ্জ ঘাটের ব্রীজটিরও একই অবস্থা। বিষয়টি জানতে তদানিন্তন উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রথমে এই নদীকে ‘‘ক’’ শ্রেণির হিসেবে গণ্য করে হাই ফ্লাড লেভেল থেকে ৮ মিটার উঁচুতে ব্রীজের পাটাতন বসানোর প্ল্যান করা হয়েছিল জন্য ব্রীজের দৈর্ঘ্য বেশি হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানতে পারেন যে, এই নদী ‘‘ক’’ শ্রেণির নয়, বরং ‘‘খ’’ শ্রেণির। তাই হাই ফ্লাড লেভেলের ৫ মিটার উঁচুতে পাটাতন বসানোর এস্টিমেট করা হয়। এতে ব্রীজের দৈর্ঘ্য কমে আসে। ব্রীজ দুটির ডিজাইন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা করেছিলেন বলেও তিনি জানান। তবে যারা এই ভূল কাজটি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা তা তিনি জানাতে পারেননি।

ভূল ডিজাইন করে বেশি এস্টিমেট দেখিয়ে ওই প্রকৌশলীরা কার স্বার্থ রক্ষা করেছিলেন তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই ব্রীজ দুটি নির্মাণে এত বেশি সময় লাগাতে স্থানীয়দের দূর্ভোগের দায় কে নেবে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এছাড়া এই নদে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে উপজেলার সবরকমের ময়লা আবর্জনা, হাঁস-মুরগি, মাছ, গরু খাসির নারীভুড়ি ও উচ্ছিষ্ট। ফলে নদী দুষণ বাড়ছে। এনিয়ে একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা করা হলেও নদীতে ময়লা ফেলা বন্ধ হয়নি।


আরও খবর



ইসলামপুরে অসচ্ছল ৫০ হাজার ৬শত ৮২ পরিবার পাচ্ছে ভিজিএফ চাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৬৭জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর)প্রতিনিধি:জামালপুরের ইসলামপুরের ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫০ হাজার ৬৮২টি পরিবার পাবে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, দুস্থ, অসচ্ছল, অক্ষম, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক, অতিদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা প্রদানের লক্ষে এসব বরাদ্দ দিয়েছেন বর্তমান সরকার।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু জানান, ইসলামপুর পৌরসভায় ৪ হাজার ৬২১ জন, কুলকান্দি ইউনিয়নের ২ হাজার ৭শত ৫৭ জন, বেলগাছা ইউনিয়নে ৩ হাজার ৯৬৮ জন, চিনাডুলী ইউনিয়নে ৪ হাজার ২শত ৬৭ জন, সাপধরী ইউনিয়নে ২ হাজার ৪শত ২২ জন, নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে ৩ হাজার ৯শত ৬৮ জন, ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে ৩ হাজার ৭শত১৬ জন, পাথর্শী ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬শত ৪৭ জন, পলবান্ধা ইউনিয়নে ৩ হাজার ৩শত জন, গোয়ালের চর ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬৪ জন, গাইবান্ধা ইউনিয়নে ৫ হাজার ৯৩ জন, চরপুটিমারী ৪ হাজার ৯শত ২৩ জন, চর গোয়ালিনী ইউনিয়নে ২ হাজার ৯শত ৩৬ জনসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫০ হাজার ৬৮২ জন অতিদরিদ্র পাবে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল।

জানা গেছে, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, দুস্থ, উপার্জনে অক্ষম, অসচ্ছল, অক্ষম, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক, অতিদরিদ্রদের সহায়তা প্রদানের লক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ভিজিএফ কর্মসূচির চাল বিতরণ করার কথা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কমপক্ষে ৭০ ভাগ মহিলাকে অন্তভ’ক্তি করা সহ জনসাধারণের অবগতির জন্য মাইকিং করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করতে সংশিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদকে বলা হয়েছে। ভিজিএফ চাল উত্তোলন করে চেয়ারম্যানদের পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বেই নির্দিষ্ট তারিখে বিতরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও মনিটরিং করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। বিতরণে কোন প্রকার দুর্নীতি পেলে সংশিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের মাসিক সমন্বয় সভা ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাটঃপপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের  উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে মাসিক সমন্বয় সভা  ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে ঢাকায় মতিঝিলে কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়ে মিটিং রুমে এ মাসিক সমন্বয় সভা ও বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলীর  সভাপতিত্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য  রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্য নির্বাহী সদস্য  বি এম ইউসুফ আলী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের  উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল) সৈয়দ মোতাহার হোসেন, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( উন্নয়ন প্রশাসন) নওশের আলী নাঈম, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, আল আমিন বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন মহসিন,  ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিলুর রহমান দুলাল,  আল বারাকা ইসলামী বীমা প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সুলতান মাহমুদ। 

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক সেলিম মিয়া, জনপ্রিয় একক বীমা প্রকল্পের  উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন, পপুলার ডিপিএস  প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক আবু মঈদ শাহীন, আল বারাকাহ ইসলামী একক বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক  মোহাম্মদ এনামুল হক, আল আমিন বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মোখলেছুর রহমান, আল বারাকা ইসলামী একক বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মাহাবুবুর রহমান।

প্রশিক্ষণ  কর্মশালা শেষে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমা গ্রাহকের হাতে বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি এম ইউসুফ আলী।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যার তদন্ত সঠিক পথেই এগুচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে তদবির বা কোনো চাপ নেই,বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সঠিক পথেই তদন্ত আগাচ্ছে। বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আনারের মেয়ে বাবা হত্যার বিচার চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তদন্তে কেউ যাতে পার পেয়ে না যায় তিনি সেই অনুরোধ করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই হত্যার তদন্তে কোনো তদবির বা চাপ নেই। কে চাপ দিবে? তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে সেভাবেই বিচার প্রক্রিয়া এগোবে।


আরও খবর