Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

অসত্য ও গুজব মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তির উত্থানের ভিত্তি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, দেশকে অসত্য ও গুজব মুক্ত করতে পারলে দেশে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তির কোনো জায়গা হবে না। কারণ এ অপশক্তি কেবল অসত্য ও গুজবের ওপর ভিত্তি করে তাদের জায়গা করে নিয়েছে। 
তিনি বলেন, এই অপশক্তি বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও জয়বাংলাসহ সব সত্যগুলোর মধ্যে বিভ্রান্তি ঢুকিয়েছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারা এটা করছে।

সরকারি দলের সদস্য চয়ন ইসলামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বই অপপ্রচার ও গুজব নিয়ে খুবই চিন্তিত। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনকে আগামী-দিনের এক নম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে আমরা নিজেরা আক্রান্ত। আমরা সবাই এ বিষয়ে অবগত আছি। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে অংশীজনের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলেছি।’ 

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের স্বার্থে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গুজবকে প্রতিহত ও ডিস-ইনফরমেশনকে আটকে দেওয়া সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। এজন্য আইন, স্বরাষ্ট্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার প্রয়োজন হবে। আমরা এরই মধ্যে কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি, শিগগির একটি জায়গায় যেতে পারবো। যাতে এদেশে অবাধ তথ্যপ্রবাহ হয় আবার মিস-ইনফরমেশনকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে পারি।’
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি প্রশ্নে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকারের নজরে আছে। হয়তো এসব আইডিতে ইতিবাচকভাবে পোস্টগুলো হচ্ছে। কিন্তু কখনো কখনো এটার মধ্যে অনিশ্চিয়তা থাকে। আমরা বলতে পারছি না, সবসময় ইতিবাচক পোস্ট দেবে কী না। কাজেই এটা জানাটা খুবই জরুরি। কোন উৎস থেকে এটা খোলা হয়েছে। বলেও দেওয়া আছে এ ধরনের কোনো অ্যাকাউন্ট অনুমতি ছাড়া খোলা যাবে না। 

তিনি বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে এগুলো বন্ধ করার মত সক্ষমতা নেই। আমরা এগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখবো। স্বরাষ্ট্র, আইন ও আইসিটি বিভাগের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটা সমাধান বের করবো। যাতে এ ধরনের সুযোগ আর ভবিষ্যতে তৈরি না হয়।’

আরও খবর



চাঞ্চল্যকর পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মান্দার থেকে গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা ;নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মান্দায় চাঞ্চল্যকর পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল হোসেন (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্ধসঢ়;রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে র‌্যাব-৫ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যম বিষয়টি জানানো হয়। গ্রেফতারকৃত বাবুল হোসেন নওগাঁ সদর উপজেলার চকবিরাম গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে। নিহত পুলিশ কর্মকর্তা নীলফামারী জেলায় ডিএসসিতে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। প্রেস

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , নিহত পুলিশ কর্মকর্তা কাজের সুবাদে ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর রাজশাহী জেলা আদালতে সাক্ষ্য দিতে যান। সাক্ষ্য প্রদান শেষে তিনি ও তাঁর বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে বিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন পেট্রোল পাম্পের সামনে পৌঁছালে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা নওগাঁগামী ফারুক পরিবহন নামের একটি বাসের ধাক্কায় তাঁরা গুরুতর আহন হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিরামপুর

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা বাদি হয়ে বিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর র‌্যাব-৫, রাজশাহী সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্প ও র‌্যাব-২ এর যৌথ অভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের জন্য ব্যাপকভাবে তৎপরতা শুরু করেন। কিন্তু আসামি বাবুল হোসেন চতুরতার সাথে বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে থাকার চেষ্টা অব্যাহত ছিল।

অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৭ ফেব্ধসঢ়;রুয়ারি) ভোরে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলা এলাকা থেকে আসামি বাবুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি বাবুল হোসেনকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দিনাজপুরের বিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তি উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পবিত্র শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহ্বান জানিয়েছেন, পবিত্র শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।

তিনি পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানান। তিনি বলেন, মানবজাতির জন্য সৌভাগ্যের এই রজনী বয়ে আনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও বরকত। এ রাতে আল্লাহপাক ক্ষমা প্রদর্শন এবং প্রার্থনা পূরণের অনুপম মহিমা প্রদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র শবে বরাতের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তার অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফেরাত।

প্রধানমন্ত্রী পবিত্র এই রজনীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, আমিন। বাসস


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানি পৌঁছেছেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে জার্মানি পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান মিউনিখ বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মিউনিখের হোটেল বায়েরিশার হফে ৩ দিনের এই সম্মেলন হবে ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি। সম্মেলনে প্রায় ৬০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, গণমাধ্যম, সরকারি ও বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রায় পাঁচশ প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম বিদেশ সফর।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জার্মানির উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।


আরও খবর



আমরা কোথায় যাবে, কী করব?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নিজের অফিসে ঢুকতে পারব কিনা এটা এখন বাইরের লোকের এখতিয়ার হয়ে গেছে। দেশের মানুষের কাছে এর বিচারের ভার দিলাম, বলেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গ্রামীণ টেলিকম ভবনের নিচতলায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আমি দুঃখ-কষ্টে পড়ে গেছি। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে আছি। এ ভবনটা আমরা করেছি। এটা আমাদের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। হঠাৎ ৪ দিন আগে বাইরের লোক এসে জবরদখল শুরু করে। আর আমরা বাইরের লোক হয়ে গেলাম, বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পুলিশের কাছে সহযোগীতা চেয়েছি। কিন্তু তারা ঘুরে গিয়ে কোনো অসুবিধা দেখছেন না জানান। জবরদখলের পর আমরা নিজের বাড়িতে ঢুকতে গেলে তারা আমাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করছে। নিজের অফিসে ঢুকতে পারব কিনা এটা এখন বাইরের লোকের এখতিয়ার হয়ে গেছে। যখন দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ হচ্ছে তখন এ অবস্থা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, আমি দেশবাসীকে বলব, এভাবে দেশ কীভাবে চলে? আমাদের সব অফিসের প্রধান কার্যালয় এটি। দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য এখান থেকে কাজ করা হয়। হঠাৎ কী হলো যে, বাইরের কিছু লোক এসে তা জবরদখল করছে। আমরা কোথায় যাবে, কী করব? পুলিশ আমাদের কথা শুনছে না।

এ অর্থনীতিবিদ বলেন, মামলা হোক। আদালতে আমাদের অনেক মামলা চলমান। সেভাবে আমরা মোকাবিলা করব। কিন্তু জবরদখল কেন? পুলিশের কাছে আমরা সহযোগিতা চেয়ে পাইনি। তাই দেশের মানুষের কাছে বিচারের ভার দিলাম।


আরও খবর



"সরকার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে"

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন সরকার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে বলে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সাউথ এশিয়ান কনস্টিটিউশনাল কোর্টস ইন দা টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি : লেসন ফ্রম বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়া শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীন বিচার বিভাগ, শক্তিশালী সংসদ ও প্রশাসন একটি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আমরা নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছিলাম দেশের মানুষের ন্যয় বিচার নিশ্চিত করব। বিচারহীনতার সংস্কৃতি এ দেশ থেকে চিরতরে দূর করব। আমরা সেই কথা রাখতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এখন বিচার ব্যবস্থা অনেক ফাস্ট হয়েছে। মামলা জট কমেছে। মানুষ দ্রুত বিচার পাচ্ছে। ডিজিটাল থেকে বিচার বিভাগকে আমরা স্মার্ট করার চেষ্টা করছি।

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংসে পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক শাসকের ভূমিকা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরাণ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা, সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীরা।


আরও খবর