Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

কক্সবাজারে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বাছাইকৃত উন্নয়ন ককর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৩২৮জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃপপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা, ইসলামী বীমা তাকাফুল, আল বারাকাহ একক, জনপ্রিয় একক, ইসলামী ডিপিএস, আল বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস ও পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের সারা বাংলাদেশর বাছাইকৃত উন্নয়ন ককর্মকর্তাদের  নিয়ে মাসিক ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকালে পর্যটন নগরী  কক্সবাজারে হোটেল সী প্যালেস এর হল রুমে এ ব্যবসা পর্যালোচনা  সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলীর সভাপতিত্বে ব্যবসা পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য  বি এম ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  সাবেক সচিব ও পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আইন উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী , সাবেক প্রধান বীমা নিয়ন্ত্রক (ইনচার্জ) ও কোম্পানীর সিনিয়র কনসালট্যান্ট রায় দেবদাস, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( প্রধান নিরীক্ষক) নন্দন ভট্টাচার্য, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের  উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল) সৈয়দ মোতাহার হোসেন, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশের আলী নাঈম, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, আল আমিন বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন মহসিন,  ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিলুর রহমান সিকদার। 

এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক সেলিম মিয়া, পপুলার ডিপিএস  প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক আবু মঈদ শাহীন, আল বারাকাহ ইসলামী একক বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক  মোহাম্মদ এনামুল হক, আল আমিন বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মোখলেছুর রহমান, আল বারাকা ইসলামী একক বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মাহাবুবুর রহমান, ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের  প্রকল্প  পরিচালক সোলায়মান হোসেন সোহাগ, আল আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মাসুদ রানা সহ কোম্পানীর অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।


আরও খবর



২৩ নাবিক জিম্মি অবস্থা থেকে মুক্ত, বিস্তারিত জানাল মালিকপক্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়ার পর নানা আলোচনা চলছিল বিভিন্ন মহলে। এতে জাহাজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে নানা দেনদরবার শেষে দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা হয় জাহাজের মালিকপক্ষের। এরপর মুক্ত হয় জাহাজ ও ২৩ বাংলাদেশি নাবিক।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা ৮ মিনিটের দিকে জাহাজ থেকে নেমে যায় দস্যুরা। এরপর জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আল হারমিয়া বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এ নিয়ে রোববার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের করপোরেট কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাহাজে অস্ত্রধারী গার্ড না থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান।

তিনি বলেন, একটা কথা বার বার আসছে, কেন আমরা আর্মড গার্ড নেইনি। এটার কারণ হচ্ছে আমরা হাই রিস্ক অ্যারিয়ার বাইরে ছিলাম। সাধারণত ২০০ নটিক্যাল মাইলের ভেতর হাইরিস্ক অ্যারিয়া হিসেব করা হয়। কিন্তু আমরা যাচ্ছিলাম মোটামুটি ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে দিয়ে। গত ৮-৯ বছরে ওই এলাকায় এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি, যেখানে আর্মড গার্ড নিতে হয়। একারণে আমরা আর্মড গার্ড নেইনি।

জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এসময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর বিমান থেকে ডলারভর্তি তিনটি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা কুড়িয়ে নেয়। জাহাজে উঠে দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা।

মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতে ২৩ নাবিক নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এমভি আবদুল্লাহ। যদিও মুক্তিপণ কত এবং কীভাবে দেওয়া হয়েছে সেটি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জাহাজের মালিকপক্ষের কোনো কর্মকর্তা।

এর আগে গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।


আরও খবর



পবিত্র শবে কদর আজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পবিত্র লাইলাতুল শবে কদর আজ ।শনিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারাদেশে শবে কদর পালিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রজনি পালন করবেন।

মহান আল্লাহ লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র রাতটিতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় এবাদত-বন্দেগি করে থাকেন।

রমজান মাসের লাইলাতুল কদরে পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়েছিল। এরপর মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নবুওয়াতের ২৩ বছর ধরে কোরআন নাজিল সম্পন্ন হয়। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদসহ বাসা-বাড়িতে এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। মুসলমানরা নফল নামাজ আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ-মাহফিলের মধ্য দিয়ে শবে কদরের রজনি কাটাবেন।

লাইলাতুল কদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। শবে কদর উপলক্ষে রোববার সরকারি ছুটি থাকবে।


আরও খবর



অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে রেস্টুরেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির সাথে ফায়ার সার্ভিসের মতবিনিময়

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও অগ্নি নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে রেস্টুরেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির সাথে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন, বিএসপি (বার), এনডিসি, পিএসসি, জি, এম ফিল; পরিচালকবৃন্দসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ এবং দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জনাব হেলাল উদ্দিন, মহাসচিব জনাব মোঃ জহিরুল হক ভূঁইয়া; রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ ওসমান গণি, মহাসচিব জনাব ইমরান হাসানসহ সমিতির অন্য প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  


মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক জনাব মোঃ ছালেহ উদ্দিন। এরপর উপপরিচালক (অপাঃ ও মেইনঃ) জনাব মোঃ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া দোকান ও রেস্টুরেন্টের অগ্নিঝুঁকি এবং তা নিরসনে করণীয় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে সকলের কাছে উন্মুক্ত মতামত ও বক্তব্য আহ্বান করা হয়। এ সময় বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। দোকান ও রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বয়ে রেস্টুরেন্ট, মার্কেট ও দোকানসমূহে অগ্নিনিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার বিষয়ে সদিচ্ছা পোষণ করা হয়। রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার এবং সেফটি ইকুইপমেন্টের ট্যাক্স কমানোর বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন অগ্নিঝুঁকি নিরসণে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, “আমরা নিরাপদ দেশের পক্ষে। কেউ আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। আমরা সকলকে সাথে নিয়ে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।”


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুরে বজ্রপাতে কোরআনে হাফেজসহ দুইজন নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুরে বজ্রপাতে কোরআনের হাফেজ দুই যুবক মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৮মার্চ) বিকালে বৃষ্টির সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের কানুটিয়া গ্রামের জামান মির্জার ছেলে তন্ময় মির্জা (২২) ও একই এলাকার চরপাড়া গ্রামের বাক-প্রতিবন্ধী উমেদ শেখ (২০)।

পরিবারের স্বজনেরা জানায়, তন্ময় একজন কোরআনে হাফেজ। বাড়ির পাশে রাস্তায় থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে আহত হলে তাকে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

অন্যদিকে উমেদ শেখের  স্বজনেরা জানায়, মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হয় উমেদ শেখ। এসময় মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। আফরান মোল্যার বড় ছেলে উমেদ।

একই এলাকার দুইজনের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আরও খবর



গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্সের মতবিনিময় কুষ্টিয়ায়

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃগার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড কুষ্টিয়া এরিয়া অফিস প্রধান শিল্পীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ,মোঃ আব্দুল আলিম সহকারী সহ-সভাপতি এবং আরবিডিএম যশোহর রিজিওনাল অফিস। আলোচনায় উপস্হিত ছিলেন , ব্রান্চ ম্যানেজার , ইউনিট ম্যানেজার ও অফিস স্টাফ ।২৩ মার্চ ২০২৪ইং শনিবার ১১ ঘটিকায় পাচ রাস্তার মোড়ে গার্ডিয়ান অফিসে এই জরুরী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

আরও খবর