Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

কালিয়াকৈরে প্রথমবারের মতো হাইব্রিড ধান চাষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৩১জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রথম বারের মতো আধুনিক পদ্ধতি সমলয়ের বোরো হাইব্রিড ধান চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচীর আওতায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে এ পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপনের উদ্ভোধন করে উপজেলা প্রশাসন। এ সমলয় পদ্ধতিতে চাষে একদিকে খরচ কমবে, অপর দিকে বাড়বে ধানের উৎপাদন। ফলে এ পদ্ধতিতে বোরো আবাদের কদর বাড়বে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসী ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় মোট ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছিল। এ মৌসুমে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। এবারই প্রথম বারের মতো আধুনিক পদ্ধতি সমলয়ের মাধ্যমে এ উপজেলায় হাইব্রিড ইস্পাহানি-৮ জাতের বোরো ধান চাষ শুরু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে বোরো আবাদের জন্য উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের হিতলতলী গ্রাম নির্বাচন করে উপজেলা

কৃষি অফিস। মঙ্গলবার দুপুরে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচীর আওতায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে সমলয়ের (বোরো হাইব্রিড ধান) চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জায়েদা নাসরিন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তানজিলা হাসান, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাহাজ উদ্দিনসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কৃষক বৃন্দ। এর আগে ওই ইউনিয়নের উত্তর গজারিয়া ব্লকের স্থানীয় ৬০ জন কৃষক সমলয় পদ্ধতিতে আওতাভুক্ত করা হয়েছে। সরকারী

কৃষি প্রনোদনা হিসেবে প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে চারা রোপন, ধানের গাছ রোপন, সারসহ বিভিন্ন উপকরণ দিচ্ছে কৃষি অফিস। এ হাইব্রিড ইস্পাহানী-৮ ধানের জীবনকাল ১৪৫ দিন। এর মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ দিন বীজতলায়, ধান ক্ষেতে বাকী দিনগুলো অতিবাহিত হয়। এ পদ্ধতিতে হাইব্রিড বোরো ধান আবাদে অন্যান্য ধান আবাদের চেয়ে খরচ অনেক কম হবে। প্রতি শতাংশে এ ধান উৎপাদন হবে প্রায় ১ মণ হিসেবে বিঘাতে ৪০ মণ।

উৎপাদনের হার অনুপাতে অন্যান্য ধানের তুলনায় সমলয় পদ্ধতিতে প্রায় ৮ থেকে ১০ মণ ধান বেশি হবে। অর্থাথ এ সমলয় পদ্ধতিতে চাষে একদিকে খরচ কমবে,অপর দিকে বাড়বে ধানের উৎপাদন। ফলে এ পদ্ধতিতে বোরো আবাদের কদর বাড়বে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সাশ্রয় খরচেও বেশি ধান উৎপাদনের খবরে এ সমলয় পদ্ধতিতে হাইব্রিড ধান চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেক কৃষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রথম বারের মতো এখানে সমলয়ের বোরো হাইব্রিড ধান চাষ শুরু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে শ্রমিক কম, সময় কম এবং অর্থ খরচও কমবে। এছাড়াও অন্যান্য ধানের চেয়ে বিঘাতে ৮-১০ মণ ধান বেশি উৎপাদন হবে। তবে এ পদ্ধতিতে আবাদ আরো বাড়াতে পারলে এখানকার ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অনেক ছাড়িয়ে যাবে।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত, বাবা আহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image

লুৎফর অরেঞ্জ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পোস্টকামরি চরপাড়া নামক স্থানে ঢাকা টাঙ্গাইল মেইন রোডে পিকআপ ভ্যানের নিচে পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী হাফেজ রায়হান মিয়া (১৭) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। মোটরসাইকেলের চালক নিহতের বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান (৫০) কে গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। নিহত রায়হান মির্জাপুর আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র। ২২ ফেব্রুয়ারি মির্জাপুর সদরে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় সকাল ৮ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রথমে একটি অটো রিক্সা মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে আরোহীরা ছিটকে পড়ে যায়। তখন পিছন থেকে আসা গরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান রায়হানকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নিহতের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিরাজগঞ্জে বিপুল পরিমান গাঁজা সহ আটক ৪

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জে ৪ মণ গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জুলহাজ উদ্দীন জানান, মঙ্গলবার ভোরে  লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থেকে  একটি ট্রাক পাবনা, সিরাজগঞ্জ আসার পথে হাটিকুমরুল মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে  ট্রাক থেকে ৪ মন গাঁজা সহ ৪ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। 

আটককৃতরা হলো  লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার বাড়াইপাড়া কালিবাড়ী গ্রামের . আতিকুল ইসলাম (৪০), নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরের সৈয়দপুর টানবাজার রেলবাগান এলাকার অপু মিয়া (৩৩), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোড়াচরা পূর্বপাড়া গ্রামের  নাজমুল শেখ (২৬) ও কামারখন্দ উপজেলার কর্ণসূতী গ্রামের . আব্দুল লতিফ শেখ (৫১)।

আটক আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি মাদক মামলাসহ ৮টি ও মো. আব্দুল লতিফ শেখের বিরুদ্ধে ২টি মাদক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও খবর



সৈয়দপুরে নামাজে সিজদারত অবস্থায় মুসল্লীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নামাজ পড়ার সময় মসজিদে সিজদারত অবস্থায় এক মুসল্লীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) শহরের ১৩ নং ওয়ার্ডের আল ফারুক একাডেমি সংলগ্ন বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজের সময় এই ঘটনা ঘটেছে। 

মৃত ব্যক্তির নাম ভোলা কোরাইশী।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি বাঁশবাড়ী পুরাতন কিলখানা মহল্লার বাসিন্দা মৃত খয়রাতী কোরাইশীর তৃতীয় ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তিনি পেশায় একজন গোশত ব্যবসায়ী (কসাই) ছিলেন। শহরের রেলওয়ে কারখানা গেট বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার ভোরে বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান তিনি । সেখানে সুন্নত নামাজ পড়ার সময় সিজদারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ফরজ নামাজ শুরুর সময় অন্যান্য মুসল্লীরা ডাকাডাকি করেও তার সাড়া না পাওয়ায় বুঝতে পারেন তিনি মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। 

মরহুমের ছোট ভাই সৈয়দপুর গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশী (ছটু) জানান, বড় ভাই ভোলা কোরাইশী অত্যন্ত সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। সারা বচ্ছরই সপ্তাহে ৩ দিন নফল রোজা পালন করতেন। সম্প্রতি তিনি নামাজের পর প্রতিদিন মুয়াজ্জিন সাহেবের কাছে সহীহ পদ্ধতিতে কোরআন শরিফ পড়া শিখতেন। 

সৈয়দপুর উপজেলা গোশত ব্যবসায়ী সমিতি গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের সম্মানে দিনভর তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ জন প্রতিনিধি, বিশিষ্টজন, ব্যবসায়ীগণ গভীর শোক এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ধর্ষণের পরে প্রতিবন্ধীর সন্তান জন্ম, ১৮ বছর পর অপরাধীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সোনাউল্যাহ (৫৫) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়ে সেই ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারীর গর্ভে জন্ম নেওয়া ছেলের বয়স এখন ১৭ বছর।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।   

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. মুক্তার হোসেন বলেন, আসামি এই মামলায় জামিনে ছিলেন। আজ রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত হন। আসামির উপস্থিতিতে আদালত এই রায় দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার ও বিচার কার্যক্রমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী ২০ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারী কে ধর্ষণ করেন সোনাউল্যাহ। কিন্তু ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিষয়টি সামনে আসেনা। এরপর অনেকদিন কেটে গেলে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে। তখন নারী ইতোমধ্যেই ২৮ সপ্তাহের গর্ভবতী। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা আদালতে মামলার আবেদন দিলে আদালত কাজিপুর থানা পুলিশকে মামলাটি (এফআইআর) এজাহার হিসেবে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ মামলাটি নিয়ে তদন্ত করে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

তিনি বলেন, এর মধ্যেই সেই প্রতিবন্ধী নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন (যার বর্তমান বয়স ১৭ বছর)। এভাবেই মামলাটি চলতে থাকে। মাঝখানে বাদি-বিবাদি হয়তো আপোষ মীমাংসাও করে নেন। আদালতের বর্তমান বিচারক এই আদালতে দায়িত্ব পাওয়ার পরে তিনি অভিযুক্ত ও ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া ছেলের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। এর মাঝেই সকল সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এর মাঝে বাদি আপোষ হয়ে গেছেন বলেও জানান।

মুক্তার হোসেন বলেন, এর মধ্যে তাদের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসলে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাদের ডিএনএ ম্যাচ করে। এরপর ডাক্তারের সাক্ষ্য নেওয়া হলে তিনিও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তখন সকল সাক্ষ্য ও সাক্ষীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

তিনি যোগ করেন, তারা আপোষ মীমাংসা হলেও যেহেতু অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং সেটা প্রমাণ হয়েছে তাই এই রায় দেওয়া হলো। মামলা হওয়ার প্রায় দেড় যুগ পরে এমন রায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও ভুক্তভোগী ন্যায় বিচার পেলেন। এছাড়াও ভুক্তভোগী নারীর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তানটি তার মায়ের হেফাজতেই আছে বলেও জানান তিনি। 

আরও খবর

ভিকারুননিসার শিক্ষক ২ দিনের রিমান্ডে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জয়পুরহাটে আবু হোসাইন হত্যা মামলায় মা ছেলে সহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ১৯ ফেব্রুয়ারি,২৪ জয়পুরহাটে আবু হোসাইন হত্যা মামলায় মা ছেলে সহ ৫ জনেরমৃত্যুদণ্ডর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দ-প্রাপ্তরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার কোকতাঁরা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর স্ত্রী সহিদা বেগম তার ছেলে রব্বানী, নায়েব আলীর ছেলে মোজাফফর হোসেন ও দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী আমিনা ও তার ছেলে রাফিউল।মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৫ এ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের নিজের খড়ের পালায় কাজ করছিলেন। সেসময় আসামিরা পুর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে এসে আবু তাহেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করেন। তখন তার ছেলে আবু হোসাইন বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারপিট করেন আসামীরা। এসময় মুমুর্ষ অবস্থায় আবু হোসাইনকে প্রথমে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা আরও অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে পাঁচবিবি থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় দেন।


আরও খবর