Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জি এম কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২২৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলোচনাকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। নির্বাচনী পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার চাইলে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেব।

অপর প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আদালতের ওপর শ্রদ্ধাশীল। আমরা আদালতের সকল নির্দেশনা মেনেই চলেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানের কয়েকটি ধারার কারণেই বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতায় ঘাটতি আছে। ওই ধারার কারণে বিচার বিভাগ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তবে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় শুধু জাতীয় পার্টি নেতাকর্মীই নন, দেশের সাধারণ মানুষও খুশি হয়েছে। জি এম কাদের বলেন, ‘মামলার কারণে স্বাভাবিক রাজনীতিতে কিছুটা বাধা এসেছে। কিন্তু আমরা আদালতের সকল নির্দেশনা শ্রদ্ধার সাথে ইতিবাচকভাবেই নিচ্ছি।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে জানগণের আস্থা হারিয়েছে। আবার বিএনপিকেও দেশের সাধারণ মানুষ পছন্দ করে না। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে একটি তৃতীয় শক্তি প্রত্যাশা করছে। জাতীয় পার্টি সেই তৃতীয় শক্তি হিসেবে নির্বাচনে আবির্ভূত হতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে দুর্নীতি, দুঃশাসন, দলবাজী, টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য দূর করতেই আমরা রাজনীতি করছি। দেশের মানুষ মনে করছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ে জাতীয় পার্টি দেশ পরিচালনায় অনেক বেশি সফলতা অর্জন করেছে। তাই দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে বিকল্প শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।

এর আগে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জি এম কাদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মধু, মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন তোতা, দপ্তর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, কেন্দ্রীয় নেতা ফারুখ শেঠ, মখলেছুর রহমান বস্তু, গাজীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মণ্ডল, জাতীয় পার্টি নেতা খলিলুর রহমান খলিল ও আবু সালেহ।


আরও খবর



বেনাপোলে লিটন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা এখনো স্বমূর্তিতে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেনাপোলে হট্টগোল করার হোতা লিটন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা এখনো এলাকায় স্বমূর্তিতে বিচরণ করায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভোট কেন্দ্রে সেদিনের সেই অস্ত্রের ঝনঝনানি, মুহুর্মূহু বোমা বিস্ফোরণ আর চাকু মারার দৃশ্য মনে উঠতেই জীবন হারানোর শঙ্কায় আঁতকে ওঠে এলাকাবাসী। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয় সে সময়। অভিযোগের সাথে বারবার ফোনালাপ ও সিসি ফুটেজের বিষয় যুক্ত করা হয়। কিন্তু অনেকে এখনো গ্রেফতার হয়নি।

বিচারের আশায় বিভিন্ন মহলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বেনাপোল ওয়ার্ডের ছুরিকাঘাতপ্রাপ্ত, শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিতসহ অসংখ্য আঘাতপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্যরা।

বেনাপোল কলেজ পাড়ার আবু সাঈদ অনিকের দেখা একটি হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্ণনা ও বেনাপোল পোর্ট থানায় এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেসহ বেনাপোল ওয়ার্ডের বাসিন্দা ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ মহাতাব উদ্দিনের ছেলে শাওন হোসেন (২৬), জয়নালের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৬) ও আব্দুল সামাদের ছেলে জুয়েল (২৩) সহ কয়েকজন নৌকা প্রতীকের কর্মী হিসেবে ভোটারদের মাঝে ভোটার স্লিপ প্রদানে সহযোগিতা করছিলো। যা মেনে নিতে পারেনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল আলম লিটন। ক্ষমতার দাপটে তিনি তার পোষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দেন শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ন্যায় নিজ জন্মস্থান বেনাপোল ওয়ার্ডের প্রতিবেশী নিরস্ত্র নৌকা প্রতীকের কর্মীদের উপর।

বেনাপোলে এ বর্বরোচিত হামলায় লিটনের পোষ্য সন্ত্রাসীরা অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দলবদ্ধভাবে এসে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ তাদের উপর তাণ্ডবলীলা চালায়।

এজাহারের বিবরণে জানা যায়, জীম নামের ৪ নম্বর আসামি নৌকা প্রতীকের কর্মী অনিককে খুন করার উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে জখম করে এবং সে মাটিতে পড়ে গেলে ইমরান নামের ৩ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে।

একই কাজে লিপ্ত হাসান নামের ৭ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শাওনকে এবং ফয়সাল নামের ৫ নং আসামি তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে উজ্জলকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। মামুন নামের ৬ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা দা দিয়ে শাওনের মাথার মাঝে আঘাত করে। ইকবল নামের ১ নম্বর আসামি তার হাতে থাকা বারমিজ চাকু দিয়ে জুয়েলের পেটের বাম পাশে আঘাত করে। একই খেলায় নাসির নামের ২ নম্বর আসামি ও ইমরান নামের ৩নম্বর আসামি তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দা’য়ের উল্টো পিঠ দিয়ে তাদেরকে আঘাত করে। তবে, এজাহার নামীয় ৯ নম্বর আসামি আব্দুল ওয়াহিদ দুদুর হুকুমে এজাহারের অন্যান্য আসামিরাসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এ সময় আহতরা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে প্রেরণ করে।

পরে, এলাকাবাসীর কাছে সংবাদ আসে’ জুয়েলের পেটে ছুরি মারায় তার নাড়ি-ভুড়ি বেরিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাখে আল্লাহ’ মারে কে! এ যাত্রায় নৌকার প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত ও টানা ৪ বারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিনের সার্বিক দেখভাল, চেষ্টা ও নিজ অর্থায়নে আহতদের সুচিকিৎসায় মায়ের ছেলেরা ঘরে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

এজাহারের ১নম্বর আসামি ইকবল হোসেন ও ২ নম্বর আসামি নাসির উদ্দিন জামিন বাদেই কোন ক্ষমতার উৎসে এলাকায় স্বদর্পে চলাফেরা করছে তা নিয়ে হতাশ এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা পরিষদের মাসিকসভা ও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে সমন্বয়ক “উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু নিরপেক্ষতা বজায় রাখাসহ সন্ত্রাসী আটক ও অস্ত্র উদ্ধারে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশকে তাগিদ দিলেও অদ্যবধি তা আমলে আসেনি।

তবে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন ভক্ত জানান,  এ ঘটনায় অজ্ঞাত এক আসামিকে আটক করা হয়েছে। এজাহারের ২ জন পলাতক রয়েছে। বাকিরা আদালত থেকে জামিনে আছে। পলাতকদের আটকের বিষয়ে পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, এ ঘটনায় ১৩ জনকে উল্লেখসহ ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

তারা হলো বেনাপোল ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে ইকবাল হোসেন (২৫), বাবলুর ছেলে নাসির (৩২) ও মোঃ ইমরান (২৭), মুকুলের ছেলে জীম (২২), ও ফয়সাল (৩০), মুজিবরের ছেলে মামুন (৫৮), মৃত আব্দুল মতিন টেনার ছেলে হাসান (৩৩), নারায়নপুরের কালামের ছেলে সোহেল (৩০), বেনাপোল ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মাদ উল্লাহর ছেলে আব্দুল ওহিদ দুদু (৬৫), মৃত আব্দুল মতিন টেনার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৫), নায়ায়নপুর কলেজপাড়া মৃত বাবুর ছেলে লিটন (২৮), নারায়নপুর কেলেরকান্দার কলমের ছেলে বাদশা (২০) ও মোরশেদের ছেলে জিল্লুর রহমান (২৬) সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন।

বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টু জানান, বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারি আশরাফুল আলম লিটন জয়লাভ করতে মরিয়া হয়ে এ বর্বরোচিত হামলার নির্দেশ দেন। যা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি জানান, লিটন একজন খলনায়ক। বেনাপোল পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন সময় থেকে
সীমান্তের ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ বহু অপকর্ম সিন্ডিকেটের সক্রিয় প্রধান হয়ে বিচরণ করেছে। এ বারের জাতীয় নির্বাচনে তার স্বমূর্তির বিষ্ফোরণ ঘটেছে। তার মামাতো ভাই তনিসহ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করে থাকে।


আরও খবর



যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম পুলিশ: আইজিপি

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আগামীতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সক্ষম হবে,বলেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‌্যাংক ব্যাজ অলংকরণ অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী ডা. তৈয়বা মুসাররাত জাঁহা চৌধুরী। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপিএবং তাদের সহধর্মিনীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পুলিশের রীতি অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপিগণকে আইজিপি এবং পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের সহধর্মিনীগণ র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

জাতির যে কোনো সংকট মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে পুলিশ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সক্ষম হয়েছে। আগামীতেও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশ সক্ষম।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণকে অভিনন্দন জানিয়ে আইজিপি বলেন, এ পদোন্নতি আপনাদের কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি। পদোন্নিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


আরও খবর



বাগেরহাটে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে আলোচনা সভা ও বই বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বই বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরুইস্থ বাগেরহাটের জেলা সরকারি  গণগ্রন্থাগার চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজ আল আসাদ।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাটের  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাসেলুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহ আলম, জেলা সরকারি গ্রন্থগারের লাইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।

পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার হিসেবে বই ও সনদ পত্র বিতরণ করা হয়।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্ব নেতাদের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে জলবায়ু তহবিলে অর্থ বাড়ানোর জন্য।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪ এ ‘ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট: স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

জলবায়ু তহবিল নিয়ে ছয় প্রস্তাব পেশ করে বিশ্ব নেতাদের প্রতি শেখ হাসিনা বলেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য সম্পদের সংস্থান করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানবতার অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে পড়বে, তখন সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার পথ অনুসরণ করলে তা কোনও সুফল বয়ে আনবে না।

ছয়টি পরামর্শের প্রথমটি উপস্থাপন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঠিক পথে রাখতে জলবায়ু অর্থায়নের বরাদ্দ ছাড় করার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, উন্নত দেশগুলোকে পরিকল্পনার ভিত্তিতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুই বছরে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, এই বছরের শেষ নাগাদ, আমাদের সবাইকে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশেষ করে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে ২০২৫-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একমত হতে হবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বকে যুদ্ধ ও সংঘাত, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। যা গাজা ও অন্যত্র বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সংঘাতের অনুভূতির বোধ থেকেও অনেক দূরে অনুভূত হয়।

তৃতীয় পরামর্শে, তিনি বলেন, জলাযায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য অর্থায়নের তীব্র ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য অভিযোজন অর্থায়নের বর্তমান পর্যায় অন্তত দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে, অভিযোজনে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানান।

চতুর্থ পরামর্শে তিনি বলেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থ প্রাপ্তি সুগম করার জন্য দীর্ঘকালের অমীমাংসিত সমস্যাটি তাদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার সুযোগসহ সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে অর্থায়ন পাওয়ার জন্য আমাদের শুধুমাত্র দুটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আরও দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পঞ্চম পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক অর্থায়নের ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঋণের বোঝা দূর করতে তাদের জন্য অনুদান ও সুবিধাজনক ঋণ লাভের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ফলাফল দেখাতে হবে।

সর্বশেষ ও ষষ্ঠ পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু কর্মসূচি জন্য বেসরকারি পুঁজি প্রবাহের ক্ষেত্রে সরকারগুলোকে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি ও ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকল্পগুলোর জন্য বেসরকারি পুঁজি আকৃষ্ট করার জন্য উদ্ভাবনী, মিশ্র অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এটি সুস্পষ্ট যে, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কার্যকর সমাধান করা যাবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, সবাই জলবায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে।

তিনি বলেন, দুঃখের বিষয়, প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন এখনও গুরুতরভাবে অপর্যাপ্ত। ‘জলবায়ু অর্থায়ন’ এবং এর অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত সংজ্ঞার অনুপস্থিতির কারণে এটি আরও জটিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে কপ-১৫ চলাকালে শেষ মুহূর্তের সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নেতাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হবে। দেশে ফিরে যাওয়ার পর, তিনি স্থানীয়ভাবে অভিযোজন প্রকল্প গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এখন স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজনের একটি পরীক্ষাগার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৪৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রায় ৮০০ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, সবগুলোই নিজস্ব সম্পদ থেকে। তবে, আমাদের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রতি বছর যে ৭-৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন তার তুলনায় এটি এখনও অপর্যাপ্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়গুলোকে পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনায় রাখার জন্য, জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) অনুসারে প্রভাব প্রশমনের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযোজনের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত বার্ষিক ২১৫-৩৮৭ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এটা সুস্পষ্ট যে, অর্থায়নের বিপুল ব্যবধান বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

শেখ হাসিনা বলেন, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড চালু করার মাধ্যমে দুবাইতে কপ-২৮ একটি ইতিবাচক যাত্রা শুরু করেছে। আমরা সন্তুষ্ট যে, তহবিলের জন্য ৭৯২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আমরা আশা করি যে, তহবিলে অতিরিক্ত প্রতিশ্রুত অর্থ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, অর্থায়নের সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে এখন লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের গভর্নিং বোর্ড গঠিত হয়েছে।

তিনি প্যারিস চুক্তির নীতিমালা দ্বারা তহবিল পরিচালিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ওডিএ এবং অন্যান্য ধরনের জলবায়ু অর্থায়নের বাইরে তহবিল অবশ্যই নতুন ও অতিরিক্ত অর্থ পাবে। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড থেকে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করা হয় না।

তিনি বলেন, তহবিলের পরবর্তী কাজ হলো কার্যকর প্রকল্পের জন্য অর্থ ছাড় শুরু করা। তহবিল তাদের কাছে পৌঁছানো উচিত যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থ ছাড় প্রক্রিয়া সহজ ও নমনীয় করা উচিত। আমরা আশা করি যে, তহবিলের পরিচালনা পর্ষদ এলডিসি এবং সিডস প্রতিনিধিদের মতামতের বিষয়ে যথাযথ মনোযোগ দেবে।

তিনি আরও বলেন, আমি অবশ্যই বাংলাদেশকে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের সহায়তার প্রথম প্রাপক হিসেবে দেখতে চাই।

বাংলাদেশ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণে আমাদের অবদান নগণ্য (বৈশ্বিক নির্গমনের ০.৪৭%-এর কম) হলেও তার দেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, এটা অনুমান করা হয় যে, এখন থেকে ২০৫০ পর্যন্ত, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের বার্ষিক জিডিপি ক্ষতি হবে ২%, এবং এই হারে ২১০০ সালের মধ্যে, ক্ষতি ৯% পর্যন্ত হবে। আরও অনুমান করা হয়েছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বাংলাদেশ জলবায়ু অভিযোজন এবং সহিষ্ণুতার জন্য বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৪.৬ শতাংশ এবং জিডিপির ০.৭৪ শতাংশ ব্যয় হয়, যার ৭৫ শতাংশ আসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে।

বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড ২০০৯ সালে নিজস্ব সম্পদ থেকে গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তহবিল এ পর্যন্ত প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে ৮০০টিরও বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

সূত্র: বাসস


আরও খবর



রাণীশংকৈলে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুধবার (২১শে ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে রাত ১২-০১ মিনিটে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন,পরিষদ,থানা,পৌরসভা,আ'লীগ,যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,ছাত্রলীগ,প্রেসক্লাব (পুরাতন) প্রেসক্লাব বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, জাতীয় পার্টি, ডিগ্রি কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। 

এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী , উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ইউএনও রকিবুল হাসান, আ'লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক,সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম সহ বিভিন্ন নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

সকালে একই মাঠে শহীদ মিনার চত্বরে ইউএনও'র সভাপতিত্বে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় ইউএনও ছাড়াও আ'লীগ সভাপতি বক্তব্য দেন। 

বক্তব্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, আ'লীগ সম্পাদক তাজউদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জাপা নেতা আবু তাহেরসহ বিভিন্ন নেতা-কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন
উপসহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলাম। 

আলোচানা সভা শেষে অধ্যাপক সুকুমার চন্দ্র মোদকের পরিচালনায় রাণীশংকৈল সংগীত বিদ্যালয় ও ষড়জ শিল্পি গোষ্ঠীর শিল্পিরা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরকে পুরষ্কার দেয়া হয়। 

আরও খবর