Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ড. ইউনূসকে আদালতের অনুমতি নিয়ে বিদেশ যেতে হবে

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দণ্ড স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে আপিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিদেশ যেতে হলে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালকে জানিয়ে যেতে হবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ড. ইউনূস ছাড়া অন্য তিনজন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।


আরও খবর



তেহরানের চলচ্চিত্র উৎসবে জয়া আহসান অভিনীত ‘ফেরেশতে’

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি;জয়া আহসানের ভক্তদের জন্য আনন্দের খবর, বর্তমানে তাদের প্রিয় অভিনেত্রী ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থান করছেন। সেখানে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তার অভিনীত ‘ফেরেশতে’ সিনেমা নিয়ে আছেন তিনি। সঙ্গে আছে ছবির পুরো টিম।

তেহরানের ৪২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল ক্যাটাগরিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে জয়া আহসান অভিনীত ‘ফেরেশতে’।

বর্তমানে তেহরানে অবস্থানরত নন্দিত এই অভিনেত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখানকার (তেহরান) একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিচ্ছি। প্রথমবার তেহরানে এসেছি, ভালো লাগছে।’

ঢালিউড থেকে টালিউড, বলিউড এবং এখন ইরানি সিনেমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। একজন শিল্পী বিভিন্ন ভাষায় কাজ করতে পারেন।’

‘ফেরেশতে’ সিনেমায় জয়া আহসান অভিনয় করেছেন সংগ্রামী এক নারীর চরিত্রে। ইতোমধ্যে এটি ভারতের একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। ঢাকায় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখানো হয়েছে। মুর্তজা অতাশ জমজম পরিচালিত সিনেমাটি চলতি বছর মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আরও খবর

ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ৭ম বর্ষপূর্তি

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৫ বছর

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ ১৫ বছর পূর্ণ হলো পিলখানা ট্রাজেডির, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে তৎকালীন বিডিআর সদস্যরা বিদ্রোহ করেন। নৃশংস সেই দিনটিকে পিলখানা ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।। সেদিন সবচেয়ে বেশি নৃশংসতা চালানো হয় ঢাকায় বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। তাদের মধ্যে তৎকালীন বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাকে নৃশংসতম বলে বর্ণনা করা হয়।

নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি কোনো মামলার। এনিয়ে করা দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলার বিচার আপিল বিভাগে শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ। ২০১১ সালে শুরু হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার ঢাকার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পর ছয় বছরে সর্বোচ্চ আদালতে শুনানি হয়নি। তবে চলতি বছরের মধ্যে আপিল শুনানি শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিপক্ষের প্রত্যাশা, আপিল বিভাগে বিচারক বাড়িয়ে আলাদা বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।

বিডিআর পুনর্গঠন ও বিজিবি গঠন: পিলখানায় এ বিদ্রোহের ঘটনায় বিডিআরের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে যায়। শুরু হয় বিডিআর পুনর্গঠনের কাজ। বিডিআরের নাম, পোশাক, লোগো ও সাংগঠনিক কাঠামো পরিবর্তন করা হয়। জাতীয় সংসদে ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ২০১০’ পাস হয়। ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের ২৩ জানুয়ারি বাহিনীর সদর দপ্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নতুন পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন এবং মনোগ্রাম উন্মোচন করেন। এর মধ্যদিয়ে শুরু হয় এ বাহিনীর নতুন পথচলা।

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাক্রম:- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ২ মিনিট: পিলখানায় দরবার শুরু। দরবারে মোট উপস্থিত ছিলেন দুই হাজার ৫৬০ জন।

৯টা ২৬ মিনিট: ডিজির বক্তব্য চলাকালে মঞ্চের বাম দিকের পেছন থেকে দুজন বিদ্রোহী অতর্কিত মঞ্চে প্রবেশ করেন। এদের একজন ছিলেন সশস্ত্র। বিদ্রোহ শুরু হয়।

৯টা ৩০ মিনিট: ডিজি নিজে প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধানসহ অন্যদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে দ্রুত সেনা হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানান।

১০টা ১৫ মিনিট: র‍্যাবের একটি দল পিলখানার ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ফটকে পৌঁছায়।

১০টা ৩০ মিনিট: বিদ্রোহীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে দরবার হলে ঢোকেন এবং কর্মকর্তাদের বের হয়ে আসার নির্দেশ দেন। ওইসময় ডিজিকে বৃত্তাকারে ঘিরে কর্মকর্তারা মঞ্চের পেছন দিক থেকে বের হয়ে আসেন।

আনুমানিক ১০টা ৩৫ মিনিট: ডিজির নেতৃত্বে কর্মকর্তারা এক সারিতে দরবার হল থেকে বের হয়ে মাত্র সিঁড়িতে কয়েক পা দিয়েছেন, তখনই বাইরে দাঁড়ানো মুখ বাঁধা সৈনিকরা ব্রাশফায়ার করে। মুহূর্তে ঢলে পড়েন ডিজিসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা।

বেলা ১১টা: বিদ্রোহীরা ম্যাগাজিন ভেঙে গুলি-বারুদ সংগ্রহ করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগার ভেঙে অস্ত্র লুট করেন তারা। ১১টা নাগাদ সেনাবাহিনীর একটি দল ধানমন্ডির মেডিনোভা ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নেয়। বিদ্রোহীরা ১৬টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। বাইরে থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পিলখানায় বিদ্রোহীদের প্রতি অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট ছাড়া হয়। এসময় হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। হেলিকপ্টারে ছয়টি গুলি লাগে।

১২টা ৩০ মিনিট: ৩ নম্বর ফটকের সামনে বিডিআরের পক্ষে শতাধিক মানুষের একটি মিছিল হয়। এরপর বিদ্রোহীরা প্রায় ২০ মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। তারা মাইকে জানান, আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একা আসতে হবে।

১টা ৩০ মিনিট: আলোচনার মাধ্যমে বিদ্রোহীদের নিরস্ত্রীকরণের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাদা পতাকা নিয়ে ৪ নম্বর ফটকের সামনে যান প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সরকারি দলের হুইপ মির্জা আজম।

বিকেল ৩টা: প্রতিমন্ত্রী নানক, সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস ও হুইপ মির্জা আজমের সঙ্গে ফটকের সামনে অবস্থানরত বিডিআর বিদ্রোহীরা কথা বলতে রাজি হন। তারা বিদ্রোহীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি করান।

৩টা ৪০ মিনিট: তারা ১৪ সদস্যের বিডিআর প্রতিনিধিদলকে নিয়ে সরকারি অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। যমুনায় তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তখন যমুনায় তিন বাহিনীর প্রধান, আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েল আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৬টা: আলোচনা শেষে জাহাঙ্গীর কবির নানক অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, বিডিআর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহী সদস্যদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন এবং অস্ত্র জমা দিয়ে তাদের ব্যারাকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৬টা ৪৫ মিনিট: যমুনা থেকে বিদ্রোহীদের প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে নানক ও মির্জা আজম পিলখানায় ফেরেন।

সন্ধ্যা ৭টা: প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণাকে গেজেট আকারে প্রকাশের দাবি করেন এবং আগের মতো উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করেন জওয়ানরা।

রাত ৮টা: ধানমন্ডির হোটেল আম্বালা-ইনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের সঙ্গে বিদ্রোহীদের আরেকটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক শুরু। নানক ও মির্জা আজম, পুলিশের আইজি, র‌্যাবের ডিজি, গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যার পর পিলখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কর্মকর্তাদের মরদেহ সরানো শুরু ও পুঁতে ফেলা হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইন প্রতিমন্ত্রী ও আইজিপি পিলখানার ভেতরে যান এবং বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।

রাত ১টা ৩০ মিনিট: বিদ্রোহীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে কিছু অস্ত্র সমর্পণ করেন।

২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ১০ মিনিট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আটকে পড়া ১৫ জন জিম্মিকে বের করে আনেন।

সকাল সাড়ে ৯টা: মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সংসদ সদস্য তাপস বিডিআর সদর দপ্তরের ৪ নম্বর ফটকে উপস্থিত হন।

সকাল ১০টা: যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ ও মহাজোটের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শুরু।

বেলা ১১টা ৩০ মিনিট: প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত। এরপর তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক।

দুপুর ১টা ৩০ মিনিট: সংসদ সদস্য মাহবুব আরা ও সেগুফতা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল পিলখানায় যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তারা তিন সেনা কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের বের করে আনেন। একই সময়ে হোটেল আম্বালায় মতিয়া চৌধুরী ও এরশাদসহ অন্যদের সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠক ভেঙে যায়।

বিদ্রোহীদের দুপুর ২টার মধ্যে সব অস্ত্র জমা দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সরকার। পিলখানার মূল ফটকে জওয়ানদের আবার গুলিবর্ষণ।

দুপুর ২টা ৩০ মিনিট: সরকারের ১২ সদস্যের মধ্যস্থতাকারী কমিটি গঠন। আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে এই কমিটি পিলখানায় যায়। কমিটি বিদ্রোহীদের সঙ্গে হোটেল আম্বালায় আবার বৈঠক করে।

টেলিভিশন ও বেতারে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ প্রচার। বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণ করে ব্যারাকে ফিরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাষণের পর বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন।

বিকেল ৪টা: হোটেল আম্বালায় অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠক। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নানক ও মির্জা আজম পিলখানার ভেতরে যান।

বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণ শুরু।

সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট: সমর্পিত অস্ত্র হেফাজতে নিতে পিলখানায় পুলিশের প্রবেশ। রাতে পুলিশ পিলখানায় অবস্থান নেয়।

রাত ৮টা ৩০ মিনিট: পিলখানা থেকে বেরিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা পরিস্থিতি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

২০০৯ সালের বর্বরোচিত এ ঘটনার পর দুটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এরমধ্যে বিস্ফোরক মামলাটির শুনানি এখনো নিম্ন আদালতে বিচারাধীন। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নিম্ন আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ৮৫০ আসামির মধ্যে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৭৮ জনকে খালাস দেন আদালত। রায় ঘোষণার আগেই মারা যান চার আসামি।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিপরীতে আসামিরা উচ্চ আদালতে যান। শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর ৫৫২ জনকে বিচারের আওতায় এনে বাকি ২৮৩ জনকে খালাস দেন আদালত। উচ্চ আদালতে শুনানি চলাকালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট ৮৩৫ জনের বিরুদ্ধে শুনানি হয় আলোচিত এ মামলায়।

নিম্ন আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন উচ্চ আদালত। আটজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে খালাস দেন হাইকোর্ট। এরপর আসামিদের অনেকেই আপিল বিভাগে আপিল করেন, যার শুনানি এখনো শুরু হয়নি। আর বিস্ফোরক মামলাটির বিচার এখনো চলছে নিম্ন আদালতেই।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে জোড়া পুলিশ বক্সের পাশে যুবক খুনের রহস্য উন্মোচন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জোড়া পুলিশ বক্সের পাশে সেই যুবককে খুনের রহস্য উন্মোচন করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। মর্গে মিলে লাশের পরিচয়। ওই খুনের সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তারের পর তার খুনের রহস্য জানা যায়। মঙ্গলবার দুপুরে থানার ভেতরে প্রেসব্রিফিং করে এসব তথ্য জানান থানার ওসি এএফএম নাসিম।

নিহত যুবক হলেন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার বানিয়াকৈড় এলাকার হায়দার আলী প্রামানিকের ছেলে ইমরান হোসেন শান্ত (২৪)।তার খুনের রহস্য উন্মেচন করার পর মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসবিফিং করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম, ওসি অপারেশন মোঃ যোবায়ের, সেকেন্ড অফিসার এসআই আজিম হোসেন, এসআই আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ ও বিভিন্ন ইলেকটনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক

বৃন্দ। পুলিশ জানায়, গত ১৮ জানুয়ারী সন্ধ্যায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় নাওজোড় হাইওয়ে ও গাজীপুর জেলা পুলিশের দুটি বক্সের পাশে চুরিকাঘাতে এক যুবক খুন হয়।

তাৎক্ষনিকভাবে তার পরিচয় ও খুনের কারণ জানা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ ছাপার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনার দুদিন পর মর্গে গিয়ে লাশ সনাক্ত করেন নিহতের চাচা দেওয়ান লিখন। নিহত ওই যুবকের নাম ইমরান হোসেন শান্ত। গত ২০ জানুয়ারী নিহতের ওই চাচা বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গাজীপুরের পুলিশ সুপার ও কালিয়াকৈর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায়, কালিয়াকৈর থানার ওসির তত্বাবধানে চৌকশ অফিসার এসআই আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান শুরু করে। অভিযান চালিয়ে কালিয়াকৈরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খুনের সাথে জড়িত মাহাবুব হোসেন ওরফে বাধন ও সুজন মিয়া

খোকনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় খুনের কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের গাজীপুর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আসামীরা স্বীকারক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়। তারা জানায়, মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটান।গ্রেপ্তারকৃত আসামী বাধন নাওগাঁর সদর থানার পিরোজপুর (মধ্যপাড়া) এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ও অপর আসামী খোকন গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থানার এনায়েতপুর এলাকার নজল মিয়ার ছেলে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবত কালিয়াকৈর ও আশুলিয়া থানা এলাকায় ভাড়া থেকে নানা অপকর্ম করে আসছিল। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে। জোড়া পুলিশ বক্সের পাশে খুনের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, ওই দুটি পুলিশ বক্স ট্রাফিক ও হাইওয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। রাঁতে যখন ওই ঘটনা ঘটে তখন হয়তো বক্সে পুলিশ ছিলেন না। তবে সবার সহযোগীতায় সুন্দর পরিছন্ন কালিয়াকৈর গড়তে চান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



ড. ইউনূসের বিচার নিয়ে যা বললেন মিলার

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের মামলায় অস্বাভাবিক গতিতে বিচার করা হয়েছে, বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মিলার বলেন, অধ্যাপক ড. ইউনূসকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ নিয়ে সারা বিশ্ব থেকে যে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও তার সঙ্গে আছে। বাংলাদেশের শ্রম আইন ব্যবহার করে তাকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন।

তিনি বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন যে, শ্রম আইন এবং দুর্নীতি বিরোধী আইনের অপব্যবহারের ফলে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং ভবিষ্যতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ রোধ করতে পারে। যেহেতু আপিল প্রক্রিয়া চলমান তাই বাংলাদেশ সরকারকে এ বিষয়ে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করি।


আরও খবর



বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুলের অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরের বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টার দিকে বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুলের হলরুমে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক এর সভাপতিত্বে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল মারুফ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম শামীম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মকছেদ আলী চৌধুরী, অভিভাবক ও মুকুন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার শাহীনুর ইসলাম, অধ্যাপক সারোয়ার রাশেদ, সাংবাদিক অধ্যাপক এসএম আলমগীর প্লেটো, আলহাজ্জ আনোয়ার হোসেন, মজনুর রশীদ, কামারুজ্জামান, রায়হান কবীর, মামুনুর রশীদ, আসমাউল হুসনা ও মোস্তারী পারভীন প্রমূখ।

শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪