Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

চিকিৎসাধীন ১০ জ‌নের কেউই শঙ্কামুক্ত নন ‘শ্বাসনালী পু‌ড়ে গে‌ছে: ডা. সামন্ত লাল সেন

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৭৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর সিদ্দিকবাজারের নর্থ সাউথ রোডের দুটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় শ্বাসনালী পু‌ড়ে যাওয়ায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চি‌কিৎসাধীন ১০ জ‌নের কেউই শঙ্কামুক্ত নন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।

আজ বুধবার সোয়া ১১টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটে সাংবা‌দিক‌দের সঙ্গে আলাপকা‌লে তিনি এ তথ্য জানান।

ডা. সামন্ত লাল সেন ব‌লেন, ‘গতকালের দুর্ঘটনায় আমা‌দের এখা‌নে ১১ জন রোগী ছিল, তার ম‌ধ্যে একজন‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কে‌লে ট্রান্সফার করা হ‌য়ে‌ছে; কারণ তার বার্ন নাই।

ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক বলেন, ‘বর্তমানে যে ১০ জন আছে তার ম‌ধ্যে তিন জন আইসিইউতে, দুজন লাইফ সা‌পো‌র্টে আছে। আর বা‌কিরা আছেন এস‌ডিইউ‌তে।

চি‌কিৎসাধীন ১০ জ‌নের ম‌ধ্যে কেউই শঙ্কামুক্ত নয় জা‌নি‌য়ে এই চিকিৎসক ব‌লেন, ‘যারা আছে তা‌দের কেউই শঙ্কামুক্ত নয়। কারণ, কারও শরীরের ৮০ পার‌সেন্ট, কারও ৯০ পার‌সেন্ট; কারও ৫০ পার‌সেন্ট দগ্ধ হয়েছে। সবারই শ্বাসনালী পু‌ড়ে গে‌ছে। আমরা কাউকেই শঙ্কামুক্ত বল‌তে পারব না।


আরও খবর



প্রতারণার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী ও তার স্বামী রিমান্ডে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাবনা জেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম ও তার স্বামী ওবায়দুল্লাহর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মেজবা উদ্দীন শরীফ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের রিমান্ডে পাঠান।

এদিন গ্রেফতার আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রোমেন মিয়া রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।অন্যদিকে আসামিপক্ষ আইজীবী এ্যাড.সুমন মিয়া রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

জানা গেছে, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে দুলাভাই হিসেবে মামলার বাদী মনিরুজ্জামানের সঙ্গে পরিচয় করে দেন মিম। পরে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে ১৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা নেন মিম ও ওবায়দুল্লাহ। বিশ্বাস করে দলিল ছাড়া লেনদেন হলেও পরে দলিল করতে চাইলে তারা টালবাহানা শুরু করেন। পাওনা টাকা ফেরত দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন এবং তাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি দেখান।

এ ঘটনায় আটঘড়িয়া উপজেলার যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর গতকাল বুধবার সকালে এ দম্পতিকে পাবনা সদর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ।

আরও খবর



খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্টিত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর জনিত বিদায়ী প্রধান শিক্ষক উ থোয়াই চিংকে বিদায় ও নবীন বরণ, বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্টিত।

শনিবার (২৭জানুয়ারি) দুপুরের দিকে খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে   বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নবীন বরণ, বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী ও অবসরজনিত প্রধান শিক্ষক উথোয়াই চিং কে অবসর জনিত বিদায় অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান এর  সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

এসময় খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের আহবায়ক কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া,  খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ. দা.)  এস এম মোসলেম উদ্দিন, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক উ থোয়াই চিং, প্রধান শিক্ষক রানু চাকমা প্রমুখ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের  সিনিয়র শিক্ষক চম্পানন চাকমা  বলেন, বর্তমানে ১৪শ শিক্ষার্থী রয়েছে, কিন্তু বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিদ্যালয়ে কোন কম্পিউটার ল্যাব নেই। তাই প্রধান অতিথিকে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের দাবি জানান। একই সাথে বর্তমানে স্কুলে ৪৪জন শিক্ষকের মধ্যে ১৯জন আছে, বাকি শিক্ষক সংকট রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। কাউকে পিছনে ফেলে শেখ হাসিনা উন্নয়ন করতে চাই না। তিনি সকলকে নিয়ে উন্নয়ন করতে চাই। পাহাড়ে শিক্ষা ব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। তবে কিছুটা সমস্যা আছে, তা ঠিক। শিক্ষক সংকট সহ বিভিন্ন সমস্যা  সমাধানের আশ্বাস দেন  পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ।

আরও খবর



সেবার মানোন্নয়ন ও অবৈধ সংযোগ অপসারণে সফল মশিউর রহমান

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৯৩জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃতিতাস গ্যাসের গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন, বকেয়া বিল আদায়, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জোবিঅ-ফতুল্লা অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী মশিউর রহমান।মহসিন ভিউ, হোল্ডিং নং-৪০২, ওয়ার্ড-০৭, ব্লক-এ, কায়েমপুর, ফতুল্লা, (ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোড), নারায়নগঞ্জে অবস্থিত জোবিঅ-ফতুল্লা অফিসে ব্যাবস্থাপক হিসেবে প্রকৌ.মো. মশিউর রহমান যোগদান করার পর সংস্থাটিতে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি গ্রহণের কারণে কাজে গতি ফিরে এসেছে এই জোনাল অফিসে। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং বকেয়া বিল আদায়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের জোড়ালো ভূমিকা রাখতে উদ্ধুদ্ধ করেন নারায়ণগঞ্জ তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী মশিউর রহমান। দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর তার অধীনস্থ বিভিন্ন স্থানে শিল্প কলকারখানা,আবাসিক বাসাবাড়ি, হোটেল রেস্তোরাঁর শত শত অবৈধ সংযোগ চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করে সংযোগ বিচ্ছিন্নর মাধ্যমে সংস্থাকে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করে আসছে। এছাড়াও এই অফিসের প্রতিটি সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

ফতুল্লা থানাধীন জালকুড়ি কড়ইতলা ঢাল সংলগ্ন মাঠের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আব্দুর রহমানের বাড়িতে জালাল উদ্দিনের পিতলের কারখানায় ব্যবহৃত অবৈধ গ্যাসের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেন। এছাড়াও একই এলাকায় একটি ছয় তলা বাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জের ১৬টি চুনা ফ্যাক্টরি ও প্রায় ২০টির বেশি মশার কয়েল ফ্যাক্টরি ছিল যা নিয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষ অনেকটাই বিব্রত ছিল। এগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি মশার কয়েল ফ্যাক্টরি সিলগালা করা হয়েছে ।

অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে ১০ বছর যাবত সিদ্ধিরগঞ্জে হাউজিং এলাকায় কয়েক হাজার বাসা-বাড়িতে চুলা ব্যাবহার হতো যা বর্তমান ম্যানেজার প্রকৌশলী মশিউর রহমানের হস্তক্ষেপে সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। মশিউর রহমানের ব্যাক্তিগত নিষ্ঠা,আর সততার কারনে শক্ত হাতে দমন করতে সক্ষম হয়েছেন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি।


আরও খবর



মেহেরপুরে বেড়েছে গমের আবাদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৯৩জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃগত কয়েক বছর ধরে ব্লাস্ট রোগের কারণে গমের আবাদ কমেছিল মেহেরপুরে। চলতি বছরে ব্লাস্ট প্রতিরোধী ও জিংক সমৃদ্ধ উচ্চফলণশীল গমের নতুন নতুন জাত কৃষকদের হাতে আসায় এবার গমের আবাদ অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুকুল আবহাওয়া ও গেল বছর গমের মুল্য বৃদ্ধির কারনে চাষিরা গম আবাদে আগ্রহী হয়েছেন বলে জানিয়েন তারা।তবে কৃষি অফিসের তদারকী একেবারই নেই বলে অভিযোগ চাষিদের। আর কৃষি বিভাগ বলছে- চাষিদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

মেহেরপুর অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া গম চাষের জন্য উপযোগি। গত কয়েক বছর ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়ায় কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদেরকে গম চাষে নিরুৎসাহিত করা হয়। গেল বছর ব্লাস্ট প্রতিরোধী ও জিংক সমৃদ্ধ উচ্চফলণশীল গমের নতুন নতুন জাত আবাদ করে কৃষকরা শংকামুক্ত হয়েছেন। গমের মূল্য বৃদ্ধি আর অনুকুল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে ১৩ হাজার ৬৫ একর জমিতে গম চাষ হয়েছে। বারি ৩০, ৩৩ ও বিডব্লিউ -৩ জাতের গম চাষ করছেন চাষিরা। বাজার দর ভালো থাকলে আগামীতে এ অঞ্চলে গমের আবাদ আরো বাড়বে। তবে কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন চাষিরা। গম ক্ষেতে রোগ বালাই দেখা দিলে কীটনাশক বিক্রেতা চাষিদের একমাত্র ভরসা।

গাংনীর পলাশীপাড়া গ্রামের গম চাষি ইমারুল ইসলাম জানান, তিনি চলতি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে বারি-৩০ ও ৩৩ জাতের গম আবাদ করেছেন। এখন বুকে থোড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গম গাছ। গেল বছর তিনি ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছিলেন।

গম চাষ বেশ লাভজনক। এক বিঘা গম আবাদে খরচ হয় মাত্র ৬ হাজার টাকা। আর পাওয়া যায় ২০ মন গম। তিনি আশা করছেন কোন প্রাকৃতিক দুূর্যোগ না হলে ভালো ফলন হবে এবং গমচাষীরা লাভবান হবে। তবে মাঠে কোন কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শ পাননা বলে অভিযোগ করেছেন তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের চাষি সিরাজুল ইসলাম জানান, এবার তিনি ৮ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছেন। গেল বছর আবাদ করেছিলেন ৬ বিঘা। ফলন ভাল ও দাম ভাল পাওয়ায় এবার বেশি করে গম চাষ করেছেন। তিনি আরো জানান, গমক্ষেতে কোন রোগ বালাই দেখা দিলে কীটনাশক বিক্রেতারা যা বলে তাই শুনতে হয়। কোন কৃষি অফিসের লোকজনকে পাওয়া যায় না। স্থানীয় ইউপি ভবনে কৃষি অফিসের লোকজনের বসা কথা থাকলেও তাদের দেখা মেলেনা।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক বিজয়কৃষ্ণ হালদার জানান, তাপ, ক্ষরাসহিষ্ণু জমি গম আবাদের জন্য উপযোগী। ব্লাস্ট প্রতিরোধী ও জিংক সমৃদ্ধ উচ্চফলণশীল গমের নতুন নতুন জাত চাষীদের গম চাষে আগ্রহ বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। দেশে গমের উৎপাদন বাড়াতে রোগ প্রতিরোধী ও জিংক সমৃদ্ধ উচ্চফলণশীল নতুন নতুন জাতের গম আবাদের চাষিদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। কৃষি অফিসের পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে না এ অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবী করেন এই কৃষিবীদ।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image
সাব্বির খান, ইবি প্রতিনিধি:কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে । সকাল ১১ টা থেকে দফায় দফায় উপাচার্যের সাথে দেখা করেন উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। এ নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে আধা ঘন্টা বাকবিতন্ডতা করেন উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। 

এসময় ছাত্রলীগের একাংশ কর্তৃক শিক্ষকদের লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে ইউজিসি কর্তৃক নিয়োগ বাণিজ্যর তদন্ত চলমান থাকার কারনে সংশ্লিষ্ট চেয়ারে বসার যোগ্যতা হারিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে শিক্ষককেরা। শিক্ষকদের দাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে ইউজিসি কর্তৃক গঠিত তদন্তের সুরাহা হওয়ার আগে কোন নিয়োগ বোর্ড করতে পারবে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

এসময় উপাচার্য বিরোধী শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরেফীনসহ প্রায় ৩০ জন শিক্ষক।

এ নিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিট এক বিবৃতিতে পাঠান গণমাধ্যমে। বিবৃতিতে বলা হয়, উপাচার্য ও শিক্ষকদের আলোচনা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই উপাচার্যের অফিস কক্ষে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে বহিরাগত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীরা বলে অভিযোগ।

এদিকে পরে বিকাল তিনটায় উপাচার্যর বাংলোয় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম নিয়োগ বোর্ড বসে। নিয়োগ বোর্ড থেকে কর্মকর্তা সমিতি চাকরী প্রার্থীদের বের করে দেন। তাৎক্ষণিক আবার প্রার্থীদের উপাচার্যর বাংলোয় নিয়ে আসেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে বাংলো গেইটে উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং প্রশাসন পন্থী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগের একাংশ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাড়া না পেয়ে উপাচার্য বিরোধী শিক্ষক ও কর্মকর্তা সমিতি বাংলো গেইট ছেড়ে চলে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরেফীন বলেন, আমরা উপাচার্যের সাথে সাধারণ কিছু কথা বলতে গিয়েছিলাম। সেখানে উপাচার্যের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ করে বহিরাগত অছাত্ররা কার্যালয়ে ডুকে পরে ও আমাদের চরমভাবে হেনস্তা করে। আমাদের একটিই দাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন নিয়োগ বোর্ড চলবে না। এছাড়া অছাত্রদের কর্তৃক শিক্ষকদের হেনস্তার বিচার করতে হবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, 'যারা আজকের এই কাল্পনিক ঘটনা ঘটিয়েছে আমি মনে করি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিৎ যারা জাতীয় প্রোগ্রামে তছনছ, কম্পিউটার এইসব বিষয় নিয়ে আপনারা তোহ জানেন , এসবের তদন্ত হওয়া উচিৎ। ভুতের মুখে রাম রাম।'

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, 'আমি বিন্দুমাত্র কোন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নেই। আমার বিরুদ্ধে এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীরা যা করেছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত।  আমি ওইসব শিক্ষার্থীদের চিনিও না। দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। ক্লিয়ার বলছি আমি কোন দুর্নীতি করিনি। নিয়োগ বোর্ড যা হয়েছে সব দুর্নীতিমুক্ত।'

আরও খবর