Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

বিরামপুরে বস্তায় আদা চাষে সফল দেলোয়ার

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৩৪৪জন দেখেছেন

Image

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুরে ইউটিউব দেখে বস্তায় আদা চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন বিরামপুর পৌর শহরের শিমুলতলী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন। নিজের পরিত্যক্ত জমিতে আদা চাষের সাফল্য অনেকের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই ছুটে আসছেন তাঁর এই সাফল্য দেখতে।

আদা চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রথমে ইউটিউবের মাধ্যমে বস্তায় আদা চাষের ভিডিও দেখি। পরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-সহকারির পরামর্শে বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হউ। প্রথমে ছাই, জৈব সার ও বালু মিশিয়ে মাটি প্রস্তুত করে বস্তায় রাখি। পরীক্ষামূলকভাবে বাড়ির পার্শ্বেই পরিত্যক্ত জমিতে মাটি ভরে গাছের টবের মতো বানাই। এরপর প্রতি বস্তায় দুটি করে আদার চারা রোপণ করি। রোপণের মাত্র এক মাসের মাথায় গাছ বড় হতে শুরু করে। এরপর মাত্র তিন মাসের মধ্যে গাছগুলোর গোড়ায় আদা হতে শুরু করেছে। যা ইতোমধ্যেই অনেকের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে।

তিনি আারও বলেন, এভাবে আদা চাষে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পতিত জমিতে সীমিত খরচ আর অল্প শ্রম। একেকটি বস্তায় প্রায় তিন কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যাবে। তাই এটি লাভজনক চাষ পদ্ধতি। আদা গাছে পানির চাহিদা অনেক কম। আবার সার বা কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় খুবই কম। মাঝেমধ্যে পাতা মরা রোগ প্রতিরোধে কিছু ওষুধ স্প্রে করতে হয়। এর বাইরে তেমন কোনো পরিচর্যা করতে হয় না। বস্তায় আদা চাষ দেখে স্থানীয় অনেকের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন গ্রাম থেকে এ আদা চাষ দেখতে অনেকে আসেন বলেও জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি  কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ বলেন, সংবেদনশীল ফসল হওয়ায় আদা মূলত ছায়া ও দো-আঁশ জাতীয় মাটিতে আবাদ করতে হয়। বস্তায় দো-আঁশ মাটি ভর্তি করে আবাদ করলে দেখা যাচ্ছে এর ফলন ভাল হচ্ছে। মাটিতে একটি বীজ থেকে ২৫০ গ্রাম আর বস্তায় ১টি বীজ থেকে এক কেজি আদা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া পরিচর্যা খরচ নাই বললেই চলে। শুধু আদা নয় মসলা জাতীয় ফসল ও সবজি চাষে উৎপাদন ভাল হবে।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের মূল্য-কর বৃদ্ধির দাবী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:“তামাক কোম্পানী হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রোববার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সহযোগীতায় ও দিশারীর আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে লতিফপুর এলাকায় এ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন-দিশারীর নির্বাহী পরিচালক মতিউর রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এস এম ওয়ারেচ, মিনহাজ আহম্মেদসহ আরো অনেকে।এসময় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকের মূল্য ও কর বৃদ্ধির দাবী জানান অবস্থান কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ কারীরা।


আরও খবর



সেলিম প্রধানের ব্যাংক লোন কান্ড

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি:- জাপান বাংলা সিকিউরিটি প্রিন্টিং এন্ড পেপার লিমিটেড এর কর্ণধার মোঃ সেলিম প্রধান কিভাবে বাংলাদেশের অর্থ নৈতিক দূরঅবস্থায় লোন রিসিডিউল করে? সেলিম প্রধান ক্যাসিনো কান্ডে এবং দূর্নীতিদায় এবং মালিলন্ডারিং এর কারণে ৮ বছর মহামান্য আদালতের রায়ের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত হয় কিন্তু ৪ বছর কারাভোগ করে বিভিন্ন শর্তের মাধ্যমে জামিন পান ক্যাসিনো সেলিম কিন্তু যেই কোম্পানির নামে লোন রিসিডিউল করতে যাচ্ছে তা এখন পরিপূর্ণ অকেজো।


এছাড়াও, উনি যেহেতু দূর্নীতি ও মানিলন্ডারিং এর দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তাহলে কেন উনাকে পুনরায় রুপালী ব্যাংক লোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে সেটা বোধগম্য নয়। ধারণা করা হচ্ছে ঘুষের মাধ্যমে এই লোন পুনরায় পাশ করা হচ্ছে। তাহলে কি ব্যাংক কর্মকর্তারা ঘুষের মাধ্যমে এই লোন রিসিডিউন করতে যাচ্ছে?  বাংলাদেশের এমন  অর্থনৈতিক সংকটময়  অবস্থায় কেন একজন দূর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে লোন দেওয়া হবে? রুপালী ব্যাংক কি ঞ্চন খেলাপীর সুব্যবস্থা করে দিচ্ছে নাকি দূর্নীতি কে প্রশ্রয় দিচ্ছে? অর্থনেতিবিদের মতে, এমন ব্যক্তিকে ব্যাংক লোন দিলে শীগ্রই দেশ দেউলিয়ার পথে চলে যেতে পারে।


এবং ঞ্চন খেলাপীর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ক্যাসিনো কান্ডে জড়িত সেলিম প্রধান কে মতিঝিল লুকাল অফিস দিলখুশা রুপালি ব্যাংক কেন লোন রিসিডিউল করেছে?  সেই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দূর্নীতিদমন কমিশনারের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছে অর্থনীতিবিদগণ। 


এই মতিঝিল লোকাল অফিস দিলখুশা রুপালি ব্যাংক থেকে পূর্বেও প্রায় ২০০  কোটি টাকার মত লোন নিয়েছিলো সেলিম প্রধান। সেলিম প্রধান ঐই লোন ঠিকমত পরিশোধ করতে পারে নাই এবং ঠিকমত কিস্তিও দিতে ব্যর্থ।তারপরও কিভাবে ব্যাংক তার সাথে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার লোন  রিসিডিউল করে? ব্যাংক কর্মকর্তারা কি ঋন খেলাপী এবং মানিলন্ডারিং ও দূর্নীতি কে তকবির বা ঘুষের মাধ্যমে প্রশ্রয় দিচ্ছে?

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেটা আমরা অর্জন করতে পেরেছি,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই আস্থার জায়গাটা এখনো রয়ে গেছে, সেটাই আমাদের বড় শক্তি।

তিনি বলেন, নির্বাচনটাই যেন না হয় সে জন্য অনেক আন্তর্জাতিক চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র ছিল। নির্বাচন করা যাবে না, এই ধরনের একটা প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। সেজন্য বিরোধী দল নির্বাচনে আসবে না। কারণ তারা জানত নির্বাচন তো হবেই না। কাজেই ইলেকশনে আসবে না।

শুক্রবার (৭ জুন) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যে বদলে গেছে, এটা যে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, সেটা ধরেই আমারা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। সে ক্ষেত্রে আপনাদের পরামর্শ, আপনাদের বক্তব্য এগুলো জানা দরকার। ব্যস্ততার কারণে আগের মতো ঘন ঘন মিটিং করা এখন আর সম্ভব হয় না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে একটা চক্রান্ত ছিল। এগুলো আমরা কিছুটা বুঝতে পারি। যার জন্য আমরা এবার একটা রিস্ক নিয়েছিলাম। রিস্কটা হলো, আমি নির্বাচনটা ওপেন করে দিয়েছিলাম। আমি নমিনেশন দিলাম সত্য, কিন্তু সেই সঙ্গে ওপেন করে দিয়ে বললাম, যে কেউ চাইলেই দাঁড়াতে পারে। হয়ত এমন হতে পারত, যারা দাঁড়িয়েছে তারাই বেশি আসন পেল, আমরা পার্টিগতভাবে কম পেলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। তবে এই ওপেন করে দেওয়াতে যেটা হয়েছে তা হলো ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা এককভাবে ২৩৩টা আসন পেয়েছিলাম, এবার ২২৩টা পেয়েছি। কারণ আমাদের স্বতন্ত্র অনেকেই জয়ী হয়ে এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অপজিশনের অবস্থা খুবই করুণ। কারণ বিএনপি তো ২০০৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ৩০টা সিট পেয়েছিল। অনেকেই ভাবত আওয়ামী লীগ বিএনপি সমান সমান। সিট-ভোট সমান সমান হবে। হয়ত একটা হ্যাং পার্লামেন্ট হয়ে যাবে, এ রকম একটা চিন্তা ছিল। কিন্তু দেখা গেল মানুষের আস্থা-বিশ্বাস আওয়ামী লীগের উপর। ওই নির্বাচন নিয়ে কেউ কোনো দিন প্রশ্ন তোলেনি, তুলতেও পারেনি। যারা বিরোধী দলে তারাও করতে পারে না। সেই নির্বাচনে মহাজোটে থাকলেও এককভাবে আওয়ামী লীগ ২৩৩টা সিট পেয়েছিল। আর এবার পেয়েছে ২২৩টা। এর মাঝে আরও দুটি নির্বাচন হয়ে গেছে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে। ওই নির্বাচনগুলো বানচাল করার জন্যই অগ্নি-সন্ত্রাস, মানুষ পোড়ানোসহ নানা ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল। এবারও নির্বাচনে বাধা দিতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু শত বাধা অতিক্রম করে মানুষ ভোট দিয়েছে এবং আমরা আবার জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছি।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, অধ্যাপক ড. মো. হোসেন মনসুর, নুরুল ইসলাম নাহিদ, খন্দকার গোলাম মওলা নকশাবন্দিসহ উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ফুলবাড়ী অমূল্য চন্দ্র রায়ের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের অর্থনীতি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক অমূল্য চন্দ্র রায়ের চাকরি থেকে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল ১১ টায় কলেজের শিক্ষক কমন রুমে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহ মো. আব্দুল কুদ্দুস। 

সহকারী অধ্যাপক মো. মোকাররম হোসেন বিদ্যুতের সঞ্চালনায় আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. জিল্লুর রহমান। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মো. আলতাফ হোসেন স্বপন, সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ সুলতান আলম,  সহকারী অধ্যাপক মো. মিনহাজুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের রহমানী, সহকারী অধ্যাপক চন্দনা রানী মন্ডল, প্রদর্শক প্রভাত চন্দ্র রায় প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে ইতোপূর্বে কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীসহ বর্তমানে কর্মরত সকল  শিক্ষক ও কর্মচারী   উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। ঈদকেন্দ্রিক সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। তবে সবকিছু মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

রোববার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সারাদেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করবেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সারাশহরে প্রায় ২৫ লাখ পশু কোরবানি হবে। পশু কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে, নগরবাসীকে সেই নিয়মকানুন মেনে চলার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চামড়া ব্যবস্থাপনার জন্য এবার সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে সেখানে কাজ করবে। কোনোভাবে যাতে চামড়া পাচার হতে না পারে, দালাল ফড়িয়া চক্র যাতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব থানা কেন্দ্রিক সেই ব্যবস্থাপনা থাকবে। যে কেউ এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে আমরা তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে আসবেন তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনার কোনো ধরনের দাহ্য বস্তু, বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু ও ধারালো কিছু নিয়ে আসবেন না। বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকাকেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো সাত দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে করা হয়, সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এরইমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি, অনেককেই গ্রেপ্তার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক এবং সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি। এবারও সেটি করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো থ্রেট নেই, তারপরেও আমরা সবকিছু মাথায় রেখেই আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছি।


আরও খবর