Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

বাসদের খুলনা বিভাগীয় কর্মী সমাবেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৭৪জন দেখেছেন

Image

কামরুজ্জামান ঝিনাইদহ: শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী বাসদের খুলনা বিভাগীয় কর্মী সমাবেশ ও জোনাল রাজনৈতিক শিক্ষা শিবির ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মী সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা বিপ্লবী জননেতা কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ।

প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন- দেশ আজ গভীর ও ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত। বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ শ্রমজীবী মানুষের আজ বেঁচে থাকায় কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে নিঃস্ব করণের এক ভয়ঙ্কর খেলায় মেতে উঠেছে বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার। বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বানিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিদিন জনগণের সাথে বেফাস ও প্রতারণামূলক বক্তব্য প্রদান করে চলেছে।

দেশ থেকে প্রতি বছর ৮৬ হাজার কোটি টাকা পাচারের মধ্য দিয়ে এই অবৈধ ও অনির্বাচিত সরকার টাকা ও সম্পদ পাচারের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সরকারিদল ও সরকারের এই লুটপাটের খেসারত দিতে গিয়ে জনগণ আজ অসহায়। এই দুর্নীতি ও লুটপাট ও দুঃশাসন থেকে মুক্তির জন্য বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি তথা বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশ আজ জরুরী ও সময়ের দাবীতে পরিণত হয়েছে।

কর্মী সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড নিখিল দাস, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড জনার্দন দত্ত নান্টু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড প্রকৌশলী শম্পা বসু। দিনব্যাপী কর্মী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন- বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড শফিউর রহমান শফি। অন্যান্য বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে রাখেন- প্রতিটি মানুষের মৌলিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার একটি পথ হলো নির্বাচন।

বর্তমান সরকার সেই নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিলুপ্ত করে একদলীয় দুঃশাসন ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। সারাদেশের মানুষ এই দুঃসহ অব্যবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও তদারকী সরকারের অধীনে হোক এটা প্রত্যাশা করে।

সবাইকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও খাদ্য শিক্ষা চিকিৎসা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবীতে আগামী দিনে যে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে উঠবে সেই সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অপ্রতিরোধ্য গণ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য বক্তাগণ আহবান জানান। কর্মী সমাবেশ চলাকালে বিকাল ৫ টায় জনজীবনের সংকট নিরসণের দাবীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সেলিম প্রধানের প্রার্থীতার বৈধতার আদেশ স্থায়ীভাবে স্থগিত

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধিঃক্যাসিনো-কান্ডের আলোচিত এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি সেলিম প্রধানের প্রার্থীতা ও প্রতীক বরাদ্দের জন্য দেয়া উচ্চ আদালতের আদেশের উপর স্থায়ীভাবে স্থিতি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ফলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার চেয়ারম্যান প্রার্থীতার বৈধতার আদেশ স্থায়ীভাবে স্থগিত  করেছে আদালত। গতকাল ৬মে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত উচ্চ আদালতের আদেশের উপর এই স্থিতি অবস্থা জারি করে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানান, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন ক্যাসিনো-কান্ডের আলোচিত এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি সেলিম প্রধান । গত ২৩ এপ্রিল যাচাই বাছাই শেষে মানি লন্ডারিং ও দুদকের মামলায় সাজার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে মনোনয়নের বৈধতা চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর সেলিম প্রধান আপিল করলে গত ২৮ এপ্রিল জেলা প্রশাসক আপিল খারিজ করে মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখেন। ৩০ এপ্রিল উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে নিজের প্রার্থীতার বৈধতা ও প্রতীক বরাদ্দ চেয়ে রীট করেন সেলিম প্রধান। রীটের প্রেক্ষিতে সেলিম প্রধানের প্রার্থীতার বৈধতা ও প্রতীক বরাদ্দের আদেশ দেয় উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ। গত ২ মে বৃহস্পতিবার সেই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে আপিল করেন রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান।  আপিলের প্রেক্ষিতে আদালত সেলিম প্রধানের করা রীটের বিষয়বস্তুর উপর স্থিতি অবস্থা জারি করে। গতকাল  ৬মে সোমবার এবিষয়ে শুনানি হয়। এর পরে বিচারক এম এ এনায়েতুর রহিম এ আদেশ জারি করেন।  

রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। এসময় তাঁর সহকারী হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক উচ্চ আদালতের আদেশের উপর স্থায়ীভাবে স্থিতি অবস্থা জারি করেন। 

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাইল্যান্ডগামী উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে এনে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তাঁর বাসা ও অফিসে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলেছিল, সেলিম প্রধান বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো বা অনলাইন জুয়ার মূল হোতা। তিনি প্রচুর টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এ ঘটনায় তখন তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।


আরও খবর



দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় চলছে ভোট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১৫৬টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি থাকলেও এই ধাপে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সংশয় থাকছে। এর আগে ৮ মে প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় ভোট পড়ার হার ছিল ৩৬ শতাংশ, যা গত দেড় দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটের হার।

এবার ৪৬১টি উপজেলায় চার ধাপে নির্বাচন হচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাদের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করতে আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে প্রার্থী দেয়নি। প্রায় সব উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। কিছু উপজেলায় বিএনপির নেতারাও দলীয় নির্দেশ অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

গতকাল নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ভোটের দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কেমন, এসবের ওপর ভোটার উপস্থিতি নির্ভর করবে। ভোটের হার বেশি হলে ইসি খুশি, কিন্তু না হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

সব মিলিয়ে অনেকটা একতরফা স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপেও ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সংশয় আছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনাররা ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে প্রার্থী ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে কোথাও কোথাও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অনেকে ভোটার উপস্থিতি এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ের কথা তুলে ধরেন।

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ ওয়াহিদুজ্জামান ইসিতে লিখিত অভিযোগ দেন, সেখানকার দুজন পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর তিনজন কর্মীর বাসায় গিয়ে হুমকি দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার ফকিরহাট উপজেলার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম এবং বাগেরহাট জেলার ডিবির ওসি স্বপন রায়কে সরিয়ে নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসি।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কেমন, এসবের ওপর ভোটার উপস্থিতি নির্ভর করবে। ভোটের হার বেশি হলে ইসি খুশি, কিন্তু না হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

দ্বিতীয় ধাপে আজ ভোট হচ্ছে ১৫৬টি উপজেলায়। এর মধ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে ২৪টি উপজেলায়। দ্বিতীয় ধাপে মোট প্রার্থী আছেন ১ হাজার ৮২৪ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী আছেন ৬০৩ জন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ৬৯৩ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী আছেন ৫২৮ জন।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সাতটি উপজেলায়, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আটটি উপজেলায় এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাতটি উপজেলায় একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের রাউজান ও কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় ভোট গ্রহণের দরকার হচ্ছে না। এ দুই উপজেলার সব পদেই একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।


আরও খবর



জাল ভোটের অপরাধে মুজিবনগরে তিনজনের জেল জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image
মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃজাল ভোট দেওয়ার অপরাধে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা নির্বাচনে তিন জনকে জেল জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার বিকেলে বাগোয়ান  প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দন্ডাদেশ দেয়। ‌ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, জাল ভোট দেওয়ার অপরাধে বাগোয়ান ভোট কেন্দ্র থেকে হৃত্বিক ও বাবুল নামের দুজনকে আটক করা হয়। একই সময় বিশ্বনাথপুর ভোটকেন্দ্র থেকে আটক করা হয়  মাহফুজ হোসেনকে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদেরকে দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ১৭১ চ ধারার দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড ঘোষণা করেন। এর মধ্যে  হৃত্বিককে  ১ মাসের কারাদণ্ড, বাবুল শেখকে ১০ হাজার টাকা ও  মাহফুজকে  ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির হোসেন শামীম বাগোয়ান ভোটকেন্দ্রে এবং বিশ্বনাথপুর ভোট কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করেন মুজিবনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস সাদাত রত্ন। 

অর্থদণ্ড আদায় করে দুজনকে মুক্তি এবং এক মাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হৃত্বিককে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির হাসান শামীম। ‌

আরও খবর



দেশে ৫২ বছরের ইতিহাসে যশোরে সবোর্চ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যশোরে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এটিই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশে ৫২ বছরের ইতিহাসে যশোরে সবোর্চ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এবার। এর আগে রাজশাহীতে ১৯৭২ সালের ১৮ মে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়।

আবহাওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার যশোরে সর্বোচ্চ ৪৩ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এটিই চলতি মৌসুমে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর ঢাকার তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

যশোর অধিদপ্তর জানায়, যশোরে ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে ৪৩.০২, ২০১৪ সালে এপ্রিল মাসে ৪২.০৪, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল ৪২.০৮ ও ৩০ এপ্রিল ৪৩.০৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড।

রাজশাহীতে ১৯৭২ সালের ১৮ মে ৪৫ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। এটি ৫২  বছরের ইতিহাসে সবোর্চ্চ। এবার যশোরে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই। ১৯৭২ সালের পর এটিই সবোর্চ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) এ জেলায় সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি, শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) ৪২  দশমিক ৭ ডিগ্রি, শনিবার (২৭ এপ্রিল) ৪২ দশমিক ৭ ডিগ্রি, রোববার (২৮ এপ্রিল) ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বশেষ সোমবার (২৯ এপ্রিল) ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

প্রসঙ্গত,  দেশের ইতিহাসে ১৯৭২ সালে রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তারপর আজকের ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।


আরও খবর



শেখ হাসিনা কোনো পরাশক্তিকে পরোয়া করেন না: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা কোনো পরাশক্তিকে পরোয়া করেন না। তিনি পরোয়া করেন দেশের জনগণকে।

শুক্রবার (১৭ মে) বিকালে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

প্রতিবেশী দেশ আওয়ামী লীগকে নিয়ন্ত্রণ করে’ সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনাকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলার চেতনা।

তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি কোনো শক্তি নয়, আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশের জনগণ। আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশের সংবিধান। এই সংবিধানের বাইরে আমরা যাবো না। আজকে যত ষড়যন্ত্রই করুক, যত বিদেশি শক্তির নামে হুমকি-ধমকি দিতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের গত ৪৪ বছরে সবচেয়ে সাহসী রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে বিচক্ষণ নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর থেকে যে পরিবর্তন হয়েছে, সেই পরিবর্তনের রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা ম্যাজিশিয়ান অব পলিটিক্স। আজ বাংলাদেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন শেখ হাসিনার ম্যাজিক।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অনেকে বলেন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, এটা সত্যি নয়। ১১ হাজার স্বাধীনতাবিরোধী কারাগারে ছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে এদের মুক্তি দিয়েছিল। যার মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল ৭১৩ জন। এদের মুক্তি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের পর জিয়াউর রহমান নাস্তা খেতে খেতে আমাদের বিভিন্ন সামরিক বাহিনীর ১১শ’ নেতাকর্মীকে ফাঁসি দিয়েছিল। এই ইতিহাস ভুলে গেছেন? কথায় কথায় আজ বলেন, কারাগার। আমি কি মিথ্যা বলেছি? জিয়াউর রহমান কী করেছিল এর প্রমাণ আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপি নেতারা পালিয়ে গিয়ে এখন বেসামাল হয়ে প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগকে আক্রমণ করছে। আমি তাদের বলতে চাই, মুক্তির কথা বলেন, লজ্জা করে না? জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলের ৬২ হাজার নেতাকে জেলে রেখেছিল। আপনাদের কতজন নেতা জেলে আছে? ৩ হাজার আমাদের নেতাকর্মী ও সরকারি অফিসারদের গুম করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেখে-শুনে বলছি নিজেদের শত্রু নিজেরা না হই। আপন ঘরে যাদের শত্রু, তাদের বাইরের শত্রুর দরকার হয় না। আজ শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তার সততা, সাহস থেকে। সাহস আর সততায় শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মতোই হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তার নির্দেশনার বাইরে যেন না যাই, অপকর্ম না করি, সতর্ক হয়ে যান। তিনি চুপচাপ আছেন বলে শাস্তি পাবেন না, তা নয়। শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা শাস্তি পেয়েছেন, তারা বুঝবেন। আর যারা পাননি, তারা স্মরণ করবেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শহীদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা শাওন মাহমুদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী আলীম চৌধুরীর কন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর