সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
রাজধানী ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন: বাসাবো এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে ডিএসসিসি প্রশাসকের ঘোষণা
logo

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন: বাসাবো এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে ডিএসসিসি প্রশাসকের ঘোষণা

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ও জাতিসংঘ ‘বেশাখ ডে-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে "বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য" শীর্ষক আলোচনা সভা, বুদ্ধ পূজা, অষ্টপরিষ্কার দান ও বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি **মি. গোকুল ভি. কে. (Mr. Gokul V. K.)। সভাপতিত্ব করেন শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাশের।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অঙ্গীকারঃ

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মোঃ আবদুস সালাম বলেন, "ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশী। একই ভূখণ্ডে আমরা সমঅধিকার এবং একই সম্ভাবনা নিয়ে বসবাস করি।" তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, বাসাবো বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাঃ

সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট অস্থায়ী জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, "অতীতের পরিকল্পনাগুলোতে শহরের পানি দ্রুত নদীতে নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত আউটলেট রাখা হয়নি। ফলে বর্তমানে এই সমস্যা নিরসনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন।"

তিনি জানান, বর্তমান সরকার ও ডিএসসিসি জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। এরই অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে নিউমার্কেট ও সোয়ারিঘাট এলাকায় দুইটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

নাগরিকদের প্রতি আহ্বানঃ

স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ হিসেবে ডিএসসিসি নিয়মিত ড্রেন, বক্স কালভার্ট পরিষ্কার এবং খালের প্রবাহ সচল রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, "এই উদ্যোগগুলোর সুফল পেতে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। খাল, নদী ও ড্রেনে পলিথিন বা প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার জন্য আমি সকলের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।"

অনুষ্ঠানে সংঘদান, আলোচনা সভা এবং দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খুঁজুন