"বাংলাদেশ আমার অহংকার" এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ র্যাব-৪ ও র্যাব-১২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন তেতুলঝোড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলার এজাহার ও সিপিসি-২, র্যাব-৪ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম এর সাথে আসামীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং গত ফেব্রুয়ারী মাসে আসামী মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব ভিকটিমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিবাহের পর ভিকটিম তার পরিবারের অজান্তে স্বামীর সাথে ঢাকা জেলার সাভার থানায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে। গত ১৩ মার্চ উক্ত বাসার মালিক রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় বাসার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পান যে ঘরের লাইট ও ফ্যান চালানো অবস্থায় ঘরের বাহিরে তালা লাগানো রয়েছে।
জানালা খোলা থাকার কারণে তিনি জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন রুমের ভিতরে চৌকির উপর ভিকটিম শোয়ানো অবস্থায় রয়েছে। তারপর অনেক ডাকাডাকির পর কোন সাড়া না পেয়ে বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। তখন বাড়ির মালিক ৯৯৯ ফোন করে সাভার থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। সাভার থানার পুলিশ তৎক্ষণাৎ এসে স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় দরজার তালা ভেঙ্গে ভিকটিমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে সাভার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হলে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে ।
পরবর্তীতে র্যাব-৪, এর একটি চৌকষ আভিযানিকদল তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর অবস্থান সনাক্ত করে ও র্যাব-১২, বগুড়া এর সহায়তায় বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিবাহের কিছুদিন পর আসামী সন্দেহ করে তার স্ত্রী কারো সাথে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। প্রায়ই সময় এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হত। এই ঘটনার জের ধরে আসামী ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভিকটিম সাদিয়া আক্তার টুম্পা কে তার ভাড়া বাসার মধ্যে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের বাহির থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সাভারে পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: অভিযুক্ত স্বামী র্যাবের হাতে গ্রেফতার
সাভারে পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: অভিযুক্ত স্বামী র্যাবের হাতে গ্রেফতার
"বাংলাদেশ আমার অহংকার" এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ র্যাব-৪ ও র্যাব-১২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন তেতুলঝোড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহার ও সিপিসি-২, র্যাব-৪ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম এর সাথে আসামীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং গত ফেব্রুয়ারী মাসে আসামী মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব ভিকটিমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিবাহের পর ভিকটিম তার পরিবারের অজান্তে স্বামীর সাথে ঢাকা জেলার সাভার থানায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে।
গত ১৩ মার্চ উক্ত বাসার মালিক রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় বাসার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পান যে ঘরের লাইট ও ফ্যান চালানো অবস্থায় ঘরের বাহিরে তালা লাগানো রয়েছে। জানালা খোলা থাকার কারণে তিনি জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন রুমের ভিতরে চৌকির উপর ভিকটিম শোয়ানো অবস্থায় রয়েছে। তারপর অনেক ডাকাডাকির পর কোন সাড়া না পেয়ে বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। তখন বাড়ির মালিক ৯৯৯ ফোন করে সাভার থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। সাভার থানার পুলিশ তৎক্ষণাৎ এসে স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় দরজার তালা ভেঙ্গে ভিকটিমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে সাভার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হলে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে
ছায়া তদন্ত শুরু করে । পরবর্তীতে র্যাব-৪, এর একটি চৌকষ আভিযানিকদল তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর অবস্থান সনাক্ত করে ও র্যাব-১২, বগুড়া এর সহায়তায় বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিবাহের কিছুদিন পর আসামী সন্দেহ করে তার স্ত্রী কারো সাথে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। প্রায়ই সময় এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হত। এই ঘটনার জের ধরে আসামী ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভিকটিম সাদিয়া আক্তার টুম্পা কে তার ভাড়া বাসার মধ্যে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের বাহির থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো: মাজাহারুল হক বিপ্লব (৪০)'কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত