বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি ক্লুলেস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ১৯ মে ২০২৬ ঢাকা ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির রূপনগর থানাধীন পেপসির মোড় এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত অটোরিকশা চালক জানে আলম (৪০) ক্লুলেস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ (১) মোঃ রানা(২৫), (২) মোঃ আবু হানিফ(২৭), (৩) মোঃ মিনহাজ(২২), (৪) মোঃ কুরবান আলী(২৭) এবং (৫)মোঃ সিয়াম(২১) ।
এজাহারের বিবরণ এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত ঘটনার সাথে ৫-৬ জন জড়িত ছিল যার পরিকল্পনা মূলত টঙ্গীতে করা হয়। অভিযুক্তরা পরস্পর বন্ধু তারা নিয়মিত ছোট-খাটো চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত ছিল। সেখানে তারা পরিকল্পনা করে একটি অটো রিক্সা ছিনতাইয়ের, যা করতে পারলে তাদের ভাল টাকা পয়সা আসবে।
পরিকল্পানা মোতাবেক গত ১৩ মে রাতে রানা, মিনহাজ, কুরবান, আবু হানিফসহ চক্রের বাকি সদস্যরা দিয়াবাড়ীতে মিলিত হয়। তারা মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে একটি উপযুক্ত টার্গেট খোঁজার চেষ্টা করে। আনুমানিক রাত ১ টার দিকে রানা দিয়াবাড়ীতে একটি অটো রিক্সা ভাড়া করে। অটো রিক্সায় উঠে তারা চালককে বেড়িবাঁধ এলাকার দিকে যেতে বলে। পরিকল্পনা মোতাবেক তারা অটোরিক্সা চালককে একটি নির্জন জায়গায় থামতে বলে। চালক অটো রিক্সা থামালে রানাসহ তার বাকি সহযোগীরা মিলে সুকৌশলে গামছা দিয়ে চালকের শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে চালকের লাশটি কম্বল মুড়িয়ে বস্তার ভিতরে ভরে বেশ কয়েকটি জায়গায় লাশ ফেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় বেড়িবাঁধ পেপসির মোড় সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার ঢালে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে অটো রিক্সা ও ভিকটিমের মোবাইল নিয়ে তারা টঙ্গীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। টঙ্গীতে চোরাই অটো রিক্সা বেচাকেনা চক্রের নিকট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে অটো রিক্সাটি বিক্রয় করে দেয়।
পরবর্তীতে, গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখ রূপনগর থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকার পেপসির মোড় সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার ঢালে একটি বস্তাবন্দি অর্ধ-গলিত অজ্ঞাত লাশ পাওয়া যায়। এই তথ্য র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে সিআইডি কর্তৃক অজ্ঞাত লাশটি পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়, যিনি জনৈক জানে আলম, পেশায় একজন অটো রিক্সা চালক ছিলেন। এ সংক্রান্তে ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে রূপনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। তৎক্ষণাৎ র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্য-প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে। এরপর ১৯ মে ২০২৬ আশুলিয়া ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ক্লুলেস হত্যাকান্ড ও অটো রিক্সা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার ও অটো রিক্সা উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানা এবং গাজীপুরে ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
রাজধানীর রূপনগরে হত্যা: চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্য গ্রেফতার
রাজধানীর রূপনগরে হত্যা: চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্য গ্রেফতার
বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি ক্লুলেস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ১৯ মে ২০২৬ ঢাকা ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির রূপনগর থানাধীন পেপসির মোড় এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত অটোরিকশা চালক জানে আলম (৪০) ক্লুলেস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ (১) মোঃ রানা(২৫), (২) মোঃ আবু হানিফ(২৭), (৩) মোঃ মিনহাজ(২২), (৪) মোঃ কুরবান আলী(২৭) এবং (৫)মোঃ সিয়াম(২১) । এজাহারের বিবরণ এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত ঘটনার সাথে ৫-৬ জন জড়িত ছিল যার পরিকল্পনা মূলত টঙ্গীতে করা হয়। অভিযুক্তরা পরস্পর বন্ধু তারা নিয়মিত ছোট-খাটো চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত ছিল। সেখানে তারা পরিকল্পনা করে একটি অটো রিক্সা ছিনতাইয়ের, যা করতে পারলে তাদের ভাল টাকা পয়সা
আসবে। পরিকল্পানা মোতাবেক গত ১৩ মে রাতে রানা, মিনহাজ, কুরবান, আবু হানিফসহ চক্রের বাকি সদস্যরা দিয়াবাড়ীতে মিলিত হয়। তারা মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে একটি উপযুক্ত টার্গেট খোঁজার চেষ্টা করে। আনুমানিক রাত ১ টার দিকে রানা দিয়াবাড়ীতে একটি অটো রিক্সা ভাড়া করে। অটো রিক্সায় উঠে তারা চালককে বেড়িবাঁধ এলাকার দিকে যেতে বলে। পরিকল্পনা মোতাবেক তারা অটোরিক্সা চালককে একটি নির্জন জায়গায় থামতে বলে। চালক অটো রিক্সা থামালে রানাসহ তার বাকি সহযোগীরা মিলে সুকৌশলে গামছা দিয়ে চালকের শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে চালকের লাশটি কম্বল মুড়িয়ে বস্তার ভিতরে ভরে বেশ কয়েকটি জায়গায় লাশ ফেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় বেড়িবাঁধ পেপসির মোড় সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার ঢালে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে অটো রিক্সা ও ভিকটিমের মোবাইল নিয়ে তারা টঙ্গীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। টঙ্গীতে চোরাই অটো রিক্সা বেচাকেনা চক্রের নিকট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে অটো রিক্সাটি বিক্রয় করে দেয়। পরবর্তীতে, গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখ রূপনগর থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকার পেপসির মোড় সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার ঢালে একটি বস্তাবন্দি অর্ধ-গলিত অজ্ঞাত লাশ পাওয়া যায়। এই তথ্য র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল জানার
পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে সিআইডি কর্তৃক অজ্ঞাত লাশটি পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়, যিনি জনৈক জানে আলম, পেশায় একজন অটো রিক্সা চালক ছিলেন। এ সংক্রান্তে ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে রূপনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। তৎক্ষণাৎ র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্য-প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে। এরপর ১৯ মে ২০২৬ আশুলিয়া ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ক্লুলেস হত্যাকান্ড ও অটো রিক্সা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার ও অটো রিক্সা উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানা এবং গাজীপুরে ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত