র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে। এছাড়াও বিভিন্ন অবৈধ নেটওয়ার্ক বুস্টার, অবৈধ রেডিও ট্রান্সমিটার, অবৈধ মোবাইল সীম ও অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জমাদি বিক্রয়কারীদের গ্রেফতার করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে র্যাব।
বিভিন্ন সময়ে কিছু অসাধু চক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। বিদেশ থেকে টেলিফোন কল আসা ও যাওয়ার পরিমাণ বাড়লেও কাঙ্খিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। কতিপয় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ডিএমপি ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদি স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হতে বর্হিবিশ্বের সাথে টেলিযোগাযোগের ব্যবসা করে আসছে। ইতোপূর্বে র্যাব ফোর্সেস এসকল অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রায় ৬শত অভিযান পরিচালনা করে প্রায় হাজারের অধিক অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। এছাড়াও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এসকল অবৈধ ব্যবসা বন্ধের লক্ষ্যে বিটিআরসি এর সাথে সমন্বয়পূর্বক র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধিসহ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ৫ জুন ২০২৫ ইং তারিখ বিটিআরসি এবং এনটিএমসি এর সহযোগিতায় র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল ডিএমপি ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন শহীদ লতিফ রোড, বাড়ী নং-২১, মোল্লারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম (৩৮), পিতা- আবুল কালাম, সাং- শহীদ লতিফ রোড, বাড়ী নং-২১, মোল্লারটেক, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে উদ্ধার করা হয় ভিওআইপি ব্যবসায় ব্যবহৃত ক) ১২৮ পোর্টের সীম বক্স-০৯ টি, খ) ২৫৬ পোরর্টের সীম বক্স-০৫ টি, গ) ৫১২ পোরর্টের সীম বক্স-০৯ টি, ঘ) DELL ব্রান্ডের কালো রংয়ের ল্যাপটপ ০১ টি, ঙ) Lenovo ব্রান্ডের কালো রংয়ের নোটপ্যাড ০১ টি, চ) Huawei ব্রান্ডের স্মার্ট ফোন ০২ টি, (ছ) ০৮ পোর্টের TP-Link সুইচ ০২ টি, (ঝ)TP-Link Access রাউটার ০৩ টি , (ঞ)Netgearসুইচ ০১ টি, (ট)CDMA Modem ০১ টি, (ঠ) বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানীর সীম কার্ড: টেলিটক-১১৩০০ (এগার হাজার তিনশত) টি, জিপি-৮১০০ (আট হাজার একশত) টি, এয়ারটেল-২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টি, রবি-৯৯০ (নয়শত নব্বই) টি, বাংলালিংক-৭৫০ (সাতশত পঞ্চাশ) টি। মোট-২১৩৯০ (একুশ হাজার তিনশত নব্বই) টি সিমকার্ড সহ অবৈধ কল টার্মিনেশনে ব্যবহৃত বেতার যন্ত্রপাতি ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে ব্যবহৃত VoIP সরঞ্জামাদির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় এনটিএমসি কর্তৃক কারিগরী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী এই অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত আসামী ০৬ মাস যাবৎ এই অবৈধ ভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত আসামী প্রচলিত সফটওয়ার ভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক কল রাউট করত এবং অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদির মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে যান্ত্রিক, ভার্চুয়াল এবং সফটওয়্যার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বন করে অবৈধভাবে দেশের অভ্যন্তরে সার্ভার স্থাপন করে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও কলিং কার্ড, পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা প্রদান করতো বলে জনা যায়। তাদের ব্যবহৃত সিস্টেমে বিদেশ হতে প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক মিনিট কল বাংলাদেশে আসতো। যার মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত আসামী প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করতো বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামী দেশের বাহির থেকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে নিয়ে আসতো। গ্রেফতারকৃত আসামী অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এর বিপুল পরিমান রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বিভিন্ন সময়ে কিছু অসাধু চক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। বিদেশ থেকে টেলিফোন কল আসা ও যাওয়ার পরিমাণ বাড়লেও কাঙ্খিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। কতিপয় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ডিএমপি ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদি স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হতে বর্হিবিশ্বের সাথে টেলিযোগাযোগের ব্যবসা করে আসছে। ইতোপূর্বে র্যাব ফোর্সেস এসকল অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রায় ৬শত অভিযান পরিচালনা করে প্রায় হাজারের অধিক অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। এছাড়াও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এসকল অবৈধ ব্যবসা বন্ধের লক্ষ্যে বিটিআরসি এর সাথে সমন্বয়পূর্বক র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধিসহ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ৫ জুন ২০২৫ ইং তারিখ বিটিআরসি এবং এনটিএমসি এর সহযোগিতায় র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল ডিএমপি ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন শহীদ লতিফ রোড, বাড়ী নং-২১, মোল্লারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম (৩৮), পিতা- আবুল কালাম, সাং- শহীদ লতিফ রোড, বাড়ী নং-২১, মোল্লারটেক, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে উদ্ধার করা হয় ভিওআইপি ব্যবসায় ব্যবহৃত ক) ১২৮ পোর্টের সীম বক্স-০৯ টি, খ) ২৫৬ পোরর্টের সীম বক্স-০৫ টি, গ) ৫১২ পোরর্টের সীম বক্স-০৯ টি, ঘ) DELL ব্রান্ডের কালো রংয়ের ল্যাপটপ ০১ টি, ঙ) Lenovo ব্রান্ডের কালো রংয়ের নোটপ্যাড ০১ টি, চ) Huawei ব্রান্ডের স্মার্ট ফোন ০২ টি, (ছ) ০৮ পোর্টের TP-Link সুইচ ০২ টি, (ঝ)TP-Link Access রাউটার ০৩ টি , (ঞ)Netgearসুইচ ০১ টি, (ট)CDMA Modem ০১ টি, (ঠ) বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানীর সীম কার্ড: টেলিটক-১১৩০০ (এগার হাজার তিনশত) টি, জিপি-৮১০০ (আট হাজার একশত) টি, এয়ারটেল-২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টি, রবি-৯৯০ (নয়শত নব্বই) টি, বাংলালিংক-৭৫০ (সাতশত পঞ্চাশ) টি। মোট-২১৩৯০ (একুশ হাজার তিনশত নব্বই) টি সিমকার্ড সহ অবৈধ কল টার্মিনেশনে ব্যবহৃত বেতার যন্ত্রপাতি ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। অবৈধভাবে ব্যবহৃত VoIP সরঞ্জামাদির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় এনটিএমসি কর্তৃক কারিগরী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী এই অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত আসামী ০৬ মাস যাবৎ এই অবৈধ ভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত আসামী প্রচলিত সফটওয়ার ভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক কল রাউট করত এবং অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদির মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে যান্ত্রিক, ভার্চুয়াল এবং সফটওয়্যার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বন করে অবৈধভাবে দেশের অভ্যন্তরে সার্ভার স্থাপন করে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও কলিং কার্ড, পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা প্রদান করতো বলে জনা যায়। তাদের ব্যবহৃত সিস্টেমে বিদেশ হতে প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক মিনিট কল বাংলাদেশে আসতো। যার মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত আসামী প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করতো বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামী দেশের বাহির থেকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে নিয়ে আসতো। গ্রেফতারকৃত আসামী অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এর বিপুল পরিমান রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব