বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
অপরাধ মুগদায় প্রবাসীকে ৮ টুকরো করে হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারী তাসলিমাকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি
logo

মুগদায় প্রবাসীকে ৮ টুকরো করে হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারী তাসলিমাকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি

রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে নৃশংসভাবে হত্যার পর মরদেহ আট টুকরো করার ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামি তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

বুধবার (২০ মে) ভোর আনুমানিক ০৪:৪৫ ঘটিকায় নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচানা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবে থাকাকালীন তাসলিমার সাথে প্রবাসী মোকাররমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের জেরে তাসলিমা মোকাররমের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন। গত ১৩ মে মোকাররম দেশে ফিরে মুগদার মান্ডা এলাকায় তাসলিমার বান্ধবী হেলেনার বাসায় দেখা করতে আসেন। সেখানে বিয়ে, টাকা ফেরত ও ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ফাঁসের হুমকিকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে তাসলিমা ও হেলেনা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
সিটিটিসি সূত্রে আরও জানা যায়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৪ মে সকালে মোকাররমকে ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর তাসলিমা, হেলেনা ও তার মেয়ে হালিমা মিলে হাতুড়ি ও বটি দিয়ে কুপিয়ে মোকাররমের মৃত্যু নিশ্চিত করেন। হত্যাকাণ্ড শেষে মৃহদেহ বাথরুমে নিয়ে ৮ টুকরো করা হয়। ওই দিন রাতেই লাশের খণ্ডিতাংশগুলো বাসার নিচে ময়লার স্তূপে এবং মাথার অংশটি ১ কিলোমিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয়।

গত ১৭ মে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা '৯৯৯' -এ কল দেন। মুগদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের টুকরোগুলো উদ্ধার করে এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মোকাররমের পরিচয় শনাক্ত করে। ঘটনার পর সহযোগী আসামি হেলেনা ও তার মেয়েকে র্যা ব-৩ গ্রেফতার করলেও প্রধান আসামি তাসলিমা পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে সিটিটিসির সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের একটি টিম গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (২০ মে) ভোর আনুমানিক ০৪:৪৫ ঘটিকায় নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা তাসলিমাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মুগদা থানায় একটি মামলা রুজু রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

খুঁজুন