ঢাকা, 24 জুলাই: সম্প্রতি মাইলস্টোন কলেজের ওপর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার প্রতিবাদে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে খিলগাঁও ও মালিবাগ এলাকার শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সাউথ পয়েন্ট স্কুল রোডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ব্যানার ও পোস্টার হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—“শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মৃত্যু নয়, নিরাপত্তা চাই”, “দায়িত্বহীনতার বিচার চাই”, “বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি চলবে না”, “নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিত করো”।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রতিদিন সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। এমন এক সময়ে, যখন শিক্ষার পরিবেশ নিরাপদ হওয়ার কথা, সেখানে আকাশ থেকে বিমান পড়ে যাওয়ার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের দুর্ঘটনা শুধু অনিরাপত্তা নয়, চরম অবহেলার বহিঃপ্রকাশ।
বক্তব্যে কেউ বলেন, শিশুরা এখন পড়াশোনার চেয়ে বেশি আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায়। শিক্ষার পরিবেশ আর নিরাপদ নেই। কেউ কেউ বলেন, শহরের মধ্যে, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেঁষা এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান চলাচল সম্পূর্ণ অমানবিক এবং বিপজ্জনক। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানালেও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
আরও বলা হয়, যারা এই দায়িত্বহীনতা করেছে, যারা অনুমোদন দিয়েছে জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ চালানোর, তাদেরকে চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন:
১. দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি
২. জনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রশিক্ষণ ফ্লাইট নিষিদ্ধ
৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন
৪. শিক্ষার্থীদের মানসিক পুনর্বাসনে পদক্ষেপ
৫. ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়ন
শেষে, মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ভবিষ্যতে আর কোনো শিশু যেন অনিরাপত্তার বলি না হয়—এই প্রত্যাশায় মানববন্ধন শেষ হয়।
চলমান উদ্বেগের মধ্যে এ মানববন্ধন যেন প্রশাসনের কাছে একটি জোরালো বার্তা হয়ে পৌঁছায়—এই ছিল অংশগ্রহণকারীদের প্রার্থনা।
বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ব্যানার ও পোস্টার হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—“শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মৃত্যু নয়, নিরাপত্তা চাই”, “দায়িত্বহীনতার বিচার চাই”, “বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি চলবে না”, “নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিত করো”।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রতিদিন সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। এমন এক সময়ে, যখন শিক্ষার পরিবেশ নিরাপদ হওয়ার কথা, সেখানে আকাশ থেকে বিমান পড়ে যাওয়ার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের দুর্ঘটনা শুধু অনিরাপত্তা নয়, চরম অবহেলার বহিঃপ্রকাশ।
বক্তব্যে কেউ বলেন, শিশুরা এখন পড়াশোনার চেয়ে বেশি আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায়। শিক্ষার পরিবেশ আর নিরাপদ নেই। কেউ কেউ বলেন, শহরের মধ্যে, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেঁষা এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান চলাচল সম্পূর্ণ অমানবিক এবং বিপজ্জনক। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানালেও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
আরও বলা হয়, যারা এই দায়িত্বহীনতা করেছে, যারা অনুমোদন দিয়েছে জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ চালানোর, তাদেরকে চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন:
১. দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি
২. জনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রশিক্ষণ ফ্লাইট নিষিদ্ধ
৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন
৪. শিক্ষার্থীদের মানসিক পুনর্বাসনে পদক্ষেপ
৫. ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়ন
শেষে, মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ভবিষ্যতে আর কোনো শিশু যেন অনিরাপত্তার বলি না হয়—এই প্রত্যাশায় মানববন্ধন শেষ হয়।
চলমান উদ্বেগের মধ্যে এ মানববন্ধন যেন প্রশাসনের কাছে একটি জোরালো বার্তা হয়ে পৌঁছায়—এই ছিল অংশগ্রহণকারীদের প্রার্থনা।