উপজেলার কর্তিমারী বাজারের সাথে সংযুক্ত দুবলাবাড়ী যাতয়াতের পায়ে হাটা রাস্তাটি দেশ স্বাধীনের দীর্ঘ ৫৪ বছরেও উন্নয়ন হয়নি। ২০১৫ সালে একটি কালভার্ট নির্মান করা হয়। কালভার্টের দুসাইটে মাটি না দেওয়ায় রাস্তাটি যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে রাস্তাটি পরিত্যক্ত অবস্তায় দীর্ঘ ১০ বছর পর মাটির কাজ করেন বর্তমান প্রশাসন।
একারনে অঞ্চলের মানুষ গুলো পায়ে হেটে প্রয়োজনী কাজে আসেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের উদ্দেশ্যে। এভাবেই জীবনযাপন করতেন এঅঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ওই এলাকায় কোনপ্রকার যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ ছিলনা। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসলাদি মাথায় করে বহন করে হাটবাজারে আনতে হয় ক্রয়বিক্রয়ের জন্য। এঘটনাটি মনে করিয়ে দেয় ভারতীয় চলচ্চিত্র মিটন চক্রপর্তী ফাটা কৃষœ ছবির মতো।
এই রাস্তাটি উপজেলার ৪ নং সদর ইউনিয়ন ও ৫নং যাদুরচর ইউনিয়ন দুই ইউনিয়নের মাঝামাঝি হওয়ায় রাস্তাটি নজরে নিচ্ছেনা কেউ। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তারা হঠাৎ এই এলাকায় কোন এক কাজে বাইক চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি যাওয়ার মতো রাস্তাই খোজে পাচ্ছিলেন না।
করুন দৃশ্যের প্রেক্ষিতে সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান তারা তার ফেসবুকে ওই বেহাল রাস্তাটির একটি ভিডিও পোষ্ট করেন। পোষ্টটি চোখে পড়ে রৌমারী উপজেলার প্রশাসনের। পরে সাথে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা শামসদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। সরেজমিন তদন্ত করে রাস্তাটি ৫ নং যাদুরচর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত।
এসময় যাদুরচর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ উপস্তিত্ব হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলেই প্রকল্পের বরাদ্দ না থাকলেও জনস¦ার্থে রাস্তাটির মাটির কাজ করে মানুষের যাতয়াতের বেহাল রাস্তটি সহল করে দেওয়াতে সুস্থির নিঃশ্বাস ফেলছে এঅঞ্চলের মানুষ।
বেহাল রাস্তার বিষয় ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন এই সড়কটি আমার ইউনিয়নের আওতাভুক্ত আমার জানা ছিলনা। আমি জানতাম এই সড়কটা রৌমারী সদর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত যার ফলে এদিকে নজর দেওয়া হয়নি।
এবিষয় রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসদ্দিন বলেন আমার কাছে বরাদ্দ না থাকলেও জনস্বার্থে রাস্তার কাজটি করলা। তিনি আরও বলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তারা সাংবাদিক আমারে অবগত করায় আজ এই অঞ্চলের মানুষের রাস্তাঠি সচল করা হয়েছে এজন্য সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানান।
বিছিন্ন রাস্তার বিষয় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার বলেন এই রাস্তাটি নিয়ে যখন সাংবাদি মোস্তাফিজুর রহমান তারা নিউজ করেছে তখনী আমার নজরে পরে সাথে সাথে প্রকল্প কর্মকর্তা সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল তদন্ত করেই জনস্বার্থে যাতয়াতের রাস্তাটি সচল করে দেওয়া হয়। এজন্য ওই অঞ্চলের মানুষ গুলো উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েনে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
একারনে অঞ্চলের মানুষ গুলো পায়ে হেটে প্রয়োজনী কাজে আসেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের উদ্দেশ্যে। এভাবেই জীবনযাপন করতেন এঅঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ওই এলাকায় কোনপ্রকার যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ ছিলনা। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসলাদি মাথায় করে বহন করে হাটবাজারে আনতে হয় ক্রয়বিক্রয়ের জন্য। এঘটনাটি মনে করিয়ে দেয় ভারতীয় চলচ্চিত্র মিটন চক্রপর্তী ফাটা কৃষœ ছবির মতো।
এই রাস্তাটি উপজেলার ৪ নং সদর ইউনিয়ন ও ৫নং যাদুরচর ইউনিয়ন দুই ইউনিয়নের মাঝামাঝি হওয়ায় রাস্তাটি নজরে নিচ্ছেনা কেউ। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তারা হঠাৎ এই এলাকায় কোন এক কাজে বাইক চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি যাওয়ার মতো রাস্তাই খোজে পাচ্ছিলেন না।
করুন দৃশ্যের প্রেক্ষিতে সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান তারা তার ফেসবুকে ওই বেহাল রাস্তাটির একটি ভিডিও পোষ্ট করেন। পোষ্টটি চোখে পড়ে রৌমারী উপজেলার প্রশাসনের। পরে সাথে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা শামসদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। সরেজমিন তদন্ত করে রাস্তাটি ৫ নং যাদুরচর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত।
এসময় যাদুরচর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ উপস্তিত্ব হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলেই প্রকল্পের বরাদ্দ না থাকলেও জনস¦ার্থে রাস্তাটির মাটির কাজ করে মানুষের যাতয়াতের বেহাল রাস্তটি সহল করে দেওয়াতে সুস্থির নিঃশ্বাস ফেলছে এঅঞ্চলের মানুষ।
বেহাল রাস্তার বিষয় ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন এই সড়কটি আমার ইউনিয়নের আওতাভুক্ত আমার জানা ছিলনা। আমি জানতাম এই সড়কটা রৌমারী সদর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত যার ফলে এদিকে নজর দেওয়া হয়নি।
এবিষয় রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসদ্দিন বলেন আমার কাছে বরাদ্দ না থাকলেও জনস্বার্থে রাস্তার কাজটি করলা। তিনি আরও বলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তারা সাংবাদিক আমারে অবগত করায় আজ এই অঞ্চলের মানুষের রাস্তাঠি সচল করা হয়েছে এজন্য সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানান।
বিছিন্ন রাস্তার বিষয় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার বলেন এই রাস্তাটি নিয়ে যখন সাংবাদি মোস্তাফিজুর রহমান তারা নিউজ করেছে তখনী আমার নজরে পরে সাথে সাথে প্রকল্প কর্মকর্তা সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল তদন্ত করেই জনস্বার্থে যাতয়াতের রাস্তাটি সচল করে দেওয়া হয়। এজন্য ওই অঞ্চলের মানুষ গুলো উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েনে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব