খুলনার রূপসা ঘাটে সীমাহীন লুটপাট বলতে যা বোঝায় সবাই হচ্ছে খুলনা নগরীর রুপসা খেয়াঘাটে দু:খজনক বিষয় হচ্ছে ৫ আগস্টের পর এটি ভয়ংকরভাবে বেড়েছে। যার ভুক্তভোগী ঘাট দিয়ে যাতায়াত করা হাজার হাজার মানুষ।
প্রতিদিন প্রকাশ্যে টাকা তুলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইজারাদার, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মিলে ভাগ-বাটোয়ারার নজির দেশের আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই।
রুপসা খেয়াঘাট থেকে প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষের নদী পারা-পার হচ্ছে ট্রলার মাঝীরা ইচ্ছামত যাত্রী নিয়ে নদী পারা-পার করছেন যে কোন সময় উক্ত রুপসা নদীতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
ঘাটে যাত্রী টোল হিসেবে আগে জনপ্রতি ১ টাকা করে নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হতো ৬৮ লাখ টাকা। ৫ আগস্টের পর দুই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাহলে জমা হওয়ার কথা ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ। কিন্তু জমা হয়েছে ১০ ভাগের ১ ভাগ।
চলতি জুন মাস থেকে জেলা পরিষদ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আরও কম জমা পড়ছে। অথচ ঘাট পার হওয়া হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে ঠিকই বিপুল অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে।
রূপসা নদীর আরেক পাড়ে জেলখানা ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করা হয় না। সেখানে ফেরী থেকে পণ্যবাহী যান থেকে টোল নেওয়া হয়। যা দিয়ে ফেরী পন্টুন মেরামতসহ উন্নয়ন কাজ করা হয়।
অথচ এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে নিয়মিত টোলের নামের হয়রানী ও অর্থ আদায় চলছে। স্থানীয়রা অসংখ্যবার ঘাটের টোল উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তারপরও কেন টোল উন্মুক্ত করা হচ্ছে না-খুজতে গিয়ে দেখি এই অবস্থা।
ঘাট ইজারা হলেই বছরে কোটি টাকার ভাগাভাগি হয়। এর চেয়ে চাপা পড়ে মানুষের আকুতি.ভোগান্তি ! এর বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে সবাইকে।
খুলনার পূর্ব রুপসা উপজেলা এলাকার বাসিন্দার মনে করেন রূপসা ঘাটে একটি ফেরি যোগ করে যাত্রীদের টোল উন্মুক্ত করা ও ট্রলার মাঝিরা তখন যাত্রী হিসাব-নিকাশ করে পারাপার করবেন। অতি দ্রুত একটি ফেরি দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফেরি ব্যবহার করা পণ্যবাহী যান থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ঘাট মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চলুক।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনার রুপসা ঘাট থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের পারা-পার হচ্ছে ট্রলারে যাত্রী নিচ্ছে ইচ্ছামত
খুলনার রুপসা ঘাট থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের পারা-পার হচ্ছে ট্রলারে যাত্রী নিচ্ছে ইচ্ছামত
খুলনার রূপসা ঘাটে সীমাহীন লুটপাট বলতে যা বোঝায় সবাই হচ্ছে খুলনা নগরীর রুপসা খেয়াঘাটে দু:খজনক বিষয় হচ্ছে ৫ আগস্টের পর এটি ভয়ংকরভাবে বেড়েছে। যার ভুক্তভোগী ঘাট দিয়ে যাতায়াত করা হাজার হাজার মানুষ।প্রতিদিন প্রকাশ্যে টাকা তুলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইজারাদার, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মিলে ভাগ-বাটোয়ারার নজির দেশের আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। রুপসা খেয়াঘাট থেকে প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষের নদী পারা-পার হচ্ছে ট্রলার মাঝীরা ইচ্ছামত যাত্রী নিয়ে নদী পারা-পার করছেন যে কোন সময় উক্ত রুপসা নদীতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন।ঘাটে যাত্রী টোল হিসেবে আগে জনপ্রতি ১ টাকা করে নিয়ে সরকারি কোষাগারে
জমা হতো ৬৮ লাখ টাকা। ৫ আগস্টের পর দুই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাহলে জমা হওয়ার কথা ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ। কিন্তু জমা হয়েছে ১০ ভাগের ১ ভাগ।চলতি জুন মাস থেকে জেলা পরিষদ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আরও কম জমা পড়ছে। অথচ ঘাট পার হওয়া হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে ঠিকই বিপুল অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। রূপসা নদীর আরেক পাড়ে জেলখানা ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করা হয় না। সেখানে ফেরী থেকে পণ্যবাহী যান থেকে টোল নেওয়া হয়। যা দিয়ে ফেরী পন্টুন মেরামতসহ উন্নয়ন কাজ করা হয়। অথচ এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে নিয়মিত টোলের
নামের হয়রানী ও অর্থ আদায় চলছে। স্থানীয়রা অসংখ্যবার ঘাটের টোল উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তারপরও কেন টোল উন্মুক্ত করা হচ্ছে না-খুজতে গিয়ে দেখি এই অবস্থা।ঘাট ইজারা হলেই বছরে কোটি টাকার ভাগাভাগি হয়। এর চেয়ে চাপা পড়ে মানুষের আকুতি.ভোগান্তি ! এর বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে সবাইকে।খুলনার পূর্ব রুপসা উপজেলা এলাকার বাসিন্দার মনে করেন রূপসা ঘাটে একটি ফেরি যোগ করে যাত্রীদের টোল উন্মুক্ত করা ও ট্রলার মাঝিরা তখন যাত্রী হিসাব-নিকাশ করে পারাপার করবেন। অতি দ্রুত একটি ফেরি দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফেরি ব্যবহার করা পণ্যবাহী যান থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ঘাট মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চলুক।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত