ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে ৬৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হাজি গোলাম সারোয়ার লিটন কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মহল মিথ্যা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।এর প্রতিবাদে শনিবার ২রা মে বাদ পূর্ব হাজিনগর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাসহ পূর্ব হাজিনগর বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামরুল হাসান শাহীন, উক্ত মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা সালেহ আহমেদ দারুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুল আজিজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহাগ, সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিবাদ সভায় সারুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক নির্বাচিত মেম্বার, বর্তমান ৬৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির
নির্বাচিত সভাপতি হাজী গোলাম সারোয়ার লিটন বলেন, আমি ১৯৮৮ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। সেই সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জেল জুলুম ও হামলা মামলার শিকার হয়েছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর এলাকায় চাঁদাবাজি মাদক সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছি। যার কারনে এই এলাকার অপরাধী কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালায়। এছাড়াও আমি আগামী নির্বাচনে ৬৮ নং ওয়ার্ড থেকে বিএনপির সমর্থন নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে এই চক্রটি।
উল্লেখ থাকে যে,২০১১ সালে ৩০ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন সময়ের রানিং মেম্বারকে ৩২২৫ ভোট পেয়ে ১২১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সারুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হন হাজী গোলাম সারোয়ার লিটন। তার পিতা হাজী খন্দকার মফিজ ছিলেন শহীদ জিয়ার আদর্শের একজন সৈনিক জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী বিএনপি'র প্রত্যক্ষ একজন নেতা। স্থানীয় পাটকলে চাকরি কালীন সময়ে শ্রমিকদের নেতৃত্ব দিয়েছেন ২০ বছর হারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন সারুলিয়া বাজার মসজিদের সভাপতি হিসেবে ৩০ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারই সুযোগ্য সন্তান হিসেবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে হাজী গোলাম সারোয়ার লিটনের।
গত কয়েকদিন পূর্বে একটি ফেসবুক পেজ থেকে যাকে ভুক্তভোগী দেখিয়ে মোবাইল ফোনের কল ভাইরাল করা হয়েছিল ওই ব্যক্তির নাম শহিদুল। আমাদের প্রতিবেদক শহীদুল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে আমার চাচাতো ভাই গোলাম সারোয়ার লিটন ১৩ লাখ টাকা পান। ওই পাওনা টাকা চেয়ে তিনি আমার সাথে ফোনে যে কথা বলেছিলেন সেই সেই কথাগুলোই রেকর্ড করে ভাইরাল করা হয়েছে। এখানে অন্য কোন বিষয় নেই।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের সামনে হাজী গোলাম সারোয়া লিটন বলেন, আমি নির্বাচিত হতে পারলে এই এলাকায় চাঁদাবাজি সন্ত্রাস মাদক ভূমিদস্যুদের নির্মূল করব, জনগণের জন্য সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করব, বিগত ঈদুল ফিতরের সময় আমি ১০০০ মানুষকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি ইনশাআল্লাহ আগামী কোরবানির ঈদেও ৮০০ মানুষকে ঈদ উপহার সামগ্রী দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। হাজী গোলাম সারোয়ার লিটনকে নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী গোলাম সারোয়ার লিটনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী গোলাম সারোয়ার লিটনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে ৬৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হাজি গোলাম সারোয়ার লিটন কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মহল মিথ্যা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।এর প্রতিবাদে শনিবার ২রা মে বাদ পূর্ব হাজিনগর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাসহ পূর্ব হাজিনগর বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কামরুল হাসান শাহীন, উক্ত মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা সালেহ আহমেদ দারুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুল আজিজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহাগ, সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিবাদ সভায় সারুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক নির্বাচিত মেম্বার, বর্তমান ৬৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি হাজী গোলাম সারোয়ার লিটন বলেন, আমি ১৯৮৮ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। সেই সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জেল জুলুম ও হামলা মামলার শিকার হয়েছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর এলাকায় চাঁদাবাজি
মাদক সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছি। যার কারনে এই এলাকার অপরাধী কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালায়। এছাড়াও আমি আগামী নির্বাচনে ৬৮ নং ওয়ার্ড থেকে বিএনপির সমর্থন নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে এই চক্রটি। উল্লেখ থাকে যে,২০১১ সালে ৩০ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন সময়ের রানিং মেম্বারকে ৩২২৫ ভোট পেয়ে ১২১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সারুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হন হাজী গোলাম সারোয়ার লিটন। তার পিতা হাজী খন্দকার মফিজ ছিলেন শহীদ জিয়ার আদর্শের একজন সৈনিক জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী বিএনপি'র প্রত্যক্ষ একজন নেতা। স্থানীয় পাটকলে চাকরি কালীন সময়ে শ্রমিকদের নেতৃত্ব দিয়েছেন ২০ বছর হারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন সারুলিয়া বাজার মসজিদের সভাপতি হিসেবে ৩০ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারই সুযোগ্য সন্তান হিসেবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে হাজী গোলাম
সারোয়ার লিটনের। গত কয়েকদিন পূর্বে একটি ফেসবুক পেজ থেকে যাকে ভুক্তভোগী দেখিয়ে মোবাইল ফোনের কল ভাইরাল করা হয়েছিল ওই ব্যক্তির নাম শহিদুল। আমাদের প্রতিবেদক শহীদুল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে আমার চাচাতো ভাই গোলাম সারোয়ার লিটন ১৩ লাখ টাকা পান। ওই পাওনা টাকা চেয়ে তিনি আমার সাথে ফোনে যে কথা বলেছিলেন সেই সেই কথাগুলোই রেকর্ড করে ভাইরাল করা হয়েছে। এখানে অন্য কোন বিষয় নেই। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের সামনে হাজী গোলাম সারোয়া লিটন বলেন, আমি নির্বাচিত হতে পারলে এই এলাকায় চাঁদাবাজি সন্ত্রাস মাদক ভূমিদস্যুদের নির্মূল করব, জনগণের জন্য সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করব, বিগত ঈদুল ফিতরের সময় আমি ১০০০ মানুষকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি ইনশাআল্লাহ আগামী কোরবানির ঈদেও ৮০০ মানুষকে ঈদ উপহার সামগ্রী দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। হাজী গোলাম সারোয়ার লিটনকে নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত