বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ এ সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ এ এমদাদুল হক ভরসা ও রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন হাইকোর্টে মামলা করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে।সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে রোববার (১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।
বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। এই দুই আসনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী পক্ষ থেকে এ আবেদন করা হয়।
এর আগে তিন আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো-ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪।
অপরদিকে শেরপুরের একটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবেদন করে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে আদেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ওই আসনগুলোর নির্বাচনি সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়।
১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা করলেন বিএনপির একাধিক প্রার্থী
কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা করলেন বিএনপির একাধিক প্রার্থী
বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ এ সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ এ এমদাদুল হক ভরসা ও রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন হাইকোর্টে মামলা করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে।সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে রোববার (১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী
১১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। এই দুই আসনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী পক্ষ থেকে এ আবেদন করা হয়। এর আগে তিন আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো-ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪। অপরদিকে শেরপুরের একটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবেদন করে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই আসনগুলোর নির্বাচনি সরঞ্জামাদি ইসিকে
হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত