আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আজ বুধবার (৪ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায়।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় এদিন অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাদের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ, হত্যা এবং এ ঘটনায় সহায়তার অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।
সকাল সাড়ে ১০টার পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৩ জুন) এক দিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার সাক্ষ্যের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, প্রতিবেশী ও ভবনের কয়েকজন বাসিন্দা, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ অন্য সাক্ষীরা আদালতে জবানবন্দি দেন।
সাক্ষীদের জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। প্রথমে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে হাজির করা হয়।
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আজ আদালতে আসামিরা
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আজ আদালতে আসামিরা
আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আজ বুধবার (৪ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় এদিন অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন তাদের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ, হত্যা এবং এ ঘটনায় সহায়তার অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। সকাল সাড়ে ১০টার পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩
জুন) এক দিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার সাক্ষ্যের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, প্রতিবেশী ও ভবনের কয়েকজন বাসিন্দা, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ অন্য সাক্ষীরা আদালতে জবানবন্দি দেন। সাক্ষীদের জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। প্রথমে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে হাজির করা হয়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত