সোহরাওয়ার্দীঃ ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের বড় গেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতালে এলেও বিকল্প পথ ব্যবহার করতে গিয়ে বাড়ছে সময়, কষ্ট ও ভোগান্তি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে (২০১০) সালে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছত্রছায়ায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিক আনাম কাজলের নেতৃত্বে হাসপাতালে অভ্যন্তরে ব্যবসা ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য বন্ধ করে দেয়।স্থানীয়রা জানান,হকারদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের বড় গেটটি দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ করে রেখেছে।
হাসপাতালের নকশা অনুযায়ী দক্ষিণ পাশের এই গেটটি ছিল এক সময় প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার অন্যতম প্রধান ফটক, ৫ই আগস্ট এর আগে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুশি করতে এটি কে দেয়াল তুলে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল,পরবর্তীতে রোগী ও দর্শনার্থীদের জনরোষ এড়াতে গেটটিকে পকেট গেট এ রূপান্তর করে।বর্তমানে পকেট গেটটি ও নানা রকম মিথ্যা অজুহাতে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রেখেছে।বর্তমানে শুধুমাত্র প্রধান গেটটি দিয়ে সকল রোগী ও দর্শনার্থী,রোগীর এম্বুলেন্স,গাড়ি প্রবেশ ও বাহির হতে হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তটি নেওয়ার এখতিয়ার হাসপাতাল পরিচালকের আছে কিনা তাও একটি বড় ধরনের প্রশ্ন।
উক্ত প্রধান গেটের ভিতরে ও দুই পাশে ফুটপাতের দোকান থাকায় রোগী, দর্শনার্থী,রোগীর অ্যাম্বুলেন্স,গাড়ি প্রবেশ ও বাহির হতে নানারকম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
জানা গেছে,দক্ষিণ পাশের এই গেটটি বন্ধ থাকায় রোগীদের প্রধান ফটক ব্যবহার করে হাসপাতালে প্রবেশ করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হচ্ছে এবং জরুরি রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক রোগী, নারী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
হাসপাতালে আসা কয়েকজন স্বজন জানান, দক্ষিণ পাশের গেটটি চালু থাকলে অনেক কম সময়ে হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হতো। বর্তমানে দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে, যা অসুস্থ রোগীদের জন্য আরও কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গেটটি বন্ধ থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, দালাল চক্র, অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, এবং বিবিধ নিরাপত্তা জনিত কারণে দক্ষিণ পাশে এই গেটটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সাধারণ রোগী ও স্বজনদের সুবিধার্থে দক্ষিণ পাশের এই গেটটি কবে নাগাদ খোলা হবে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
তবে অনেকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে এই গেটটি বন্ধ করে ভেতরে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং, ক্যান্টিন, এবং অন্তরা ফার্মেসী নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে ও হকারদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দেয়ায় মাসে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এই টাকা হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পকেটে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত দক্ষিণ পাশের গেটটি খুলে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, গেটটি চালু হলে হাসপাতালের প্রবেশব্যবস্থা সহজ হবে এবং রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দক্ষিণ গেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ, রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দক্ষিণ গেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ, রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে
সোহরাওয়ার্দীঃ ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের বড় গেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতালে এলেও বিকল্প পথ ব্যবহার করতে গিয়ে বাড়ছে সময়, কষ্ট ও ভোগান্তি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে (২০১০) সালে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছত্রছায়ায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিক আনাম কাজলের নেতৃত্বে হাসপাতালে অভ্যন্তরে ব্যবসা ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য বন্ধ করে দেয়।স্থানীয়রা জানান,হকারদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের বড় গেটটি দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ করে রেখেছে। হাসপাতালের নকশা অনুযায়ী দক্ষিণ পাশের এই গেটটি ছিল এক সময় প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার অন্যতম প্রধান ফটক, ৫ই আগস্ট এর আগে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুশি করতে এটি কে দেয়াল তুলে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল,পরবর্তীতে রোগী ও দর্শনার্থীদের জনরোষ এড়াতে গেটটিকে পকেট গেট এ রূপান্তর করে।বর্তমানে পকেট গেটটি ও নানা রকম মিথ্যা অজুহাতে
স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রেখেছে।বর্তমানে শুধুমাত্র প্রধান গেটটি দিয়ে সকল রোগী ও দর্শনার্থী,রোগীর এম্বুলেন্স,গাড়ি প্রবেশ ও বাহির হতে হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তটি নেওয়ার এখতিয়ার হাসপাতাল পরিচালকের আছে কিনা তাও একটি বড় ধরনের প্রশ্ন। উক্ত প্রধান গেটের ভিতরে ও দুই পাশে ফুটপাতের দোকান থাকায় রোগী, দর্শনার্থী,রোগীর অ্যাম্বুলেন্স,গাড়ি প্রবেশ ও বাহির হতে নানারকম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। জানা গেছে,দক্ষিণ পাশের এই গেটটি বন্ধ থাকায় রোগীদের প্রধান ফটক ব্যবহার করে হাসপাতালে প্রবেশ করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হচ্ছে এবং জরুরি রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক রোগী, নারী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। হাসপাতালে আসা কয়েকজন স্বজন জানান, দক্ষিণ পাশের গেটটি চালু থাকলে অনেক কম সময়ে হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হতো। বর্তমানে দীর্ঘ পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে, যা অসুস্থ রোগীদের জন্য আরও কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গেটটি বন্ধ থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে
সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, দালাল চক্র, অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, এবং বিবিধ নিরাপত্তা জনিত কারণে দক্ষিণ পাশে এই গেটটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সাধারণ রোগী ও স্বজনদের সুবিধার্থে দক্ষিণ পাশের এই গেটটি কবে নাগাদ খোলা হবে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে অনেকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে এই গেটটি বন্ধ করে ভেতরে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং, ক্যান্টিন, এবং অন্তরা ফার্মেসী নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে ও হকারদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দেয়ায় মাসে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এই টাকা হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পকেটে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত দক্ষিণ পাশের গেটটি খুলে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, গেটটি চালু হলে হাসপাতালের প্রবেশব্যবস্থা সহজ হবে এবং রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত