বেসরকারি ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) টেলিভিশন চ্যানেল ইনভিশন টুয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশের পর ঝালকাঠির আলোচিত ব্যক্তি মো. শামিম আহমেদ ওরফে ‘জর্দা শামিম’কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের ওপর হামলার মামলায় অভিযুক্ত এই ব্যক্তিকে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযানে তার ভাই আরিফ আহমেদকেও আটক করা হয়েছে।
রংপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোজাম্মেল হক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকা ও ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীর এলাকায় অবস্থিত একটি তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি পিস্তল, ২৪ রাউন্ড গুলি এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ সময় শামিম ও তার ভাই আরিফ আহমেদকে আটক করা হয়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নির্যাতনের ভিডিও ঘিরে ঝালকাঠিজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে কয়েকজন নারী-পুরুষকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। দুই ব্যক্তিকে বেঁধে মারধর এবং এক নারীকে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে শামিম আহমেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘জর্দা শামিম’ নামে পরিচিত শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে অতীতেও একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি আইনের আওতার বাইরে ছিলেন।বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের ওপর হামলার মামলায় তাকে আসামি করা হলেও দীর্ঘদিন গ্রেফতার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সচেতন মহলের অভিযোগ ছিল, এমন গুরুতর মামলার আসামি প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাকে গ্রেফতার না করা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে।
এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, শামিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে ভয়ভীতি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, আত্মীয়স্বজনকে হুমকি এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শামিম আহমেদ বা তার ঘনিষ্ঠদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।এদিকে সচেতন নাগরিকরা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে হামলার মামলার আসামির গ্রেফতার ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
ইনভিশন টুয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশের পর ‘জর্দা শামিম’ রংপুরে গ্রেফতার, উদ্ধার অস্ত্র-গুলি
ইনভিশন টুয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশের পর ‘জর্দা শামিম’ রংপুরে গ্রেফতার, উদ্ধার অস্ত্র-গুলি
বেসরকারি ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) টেলিভিশন চ্যানেল ইনভিশন টুয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশের পর ঝালকাঠির আলোচিত ব্যক্তি মো. শামিম আহমেদ ওরফে ‘জর্দা শামিম’কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের ওপর হামলার মামলায় অভিযুক্ত এই ব্যক্তিকে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযানে তার ভাই আরিফ আহমেদকেও আটক করা হয়েছে। রংপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোজাম্মেল হক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকা ও ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে রংপুরের পাগলাপীর এলাকায় অবস্থিত একটি তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে একটি পিস্তল, ২৪ রাউন্ড গুলি এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ সময় শামিম ও তার ভাই আরিফ আহমেদকে আটক করা হয়।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নির্যাতনের ভিডিও ঘিরে ঝালকাঠিজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে কয়েকজন নারী-পুরুষকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। দুই ব্যক্তিকে বেঁধে মারধর এবং এক নারীকে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে শামিম আহমেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘জর্দা শামিম’ নামে পরিচিত শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে অতীতেও একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি আইনের আওতার বাইরে ছিলেন।বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের
ওপর হামলার মামলায় তাকে আসামি করা হলেও দীর্ঘদিন গ্রেফতার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সচেতন মহলের অভিযোগ ছিল, এমন গুরুতর মামলার আসামি প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাকে গ্রেফতার না করা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে। এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, শামিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে ভয়ভীতি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, আত্মীয়স্বজনকে হুমকি এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শামিম আহমেদ বা তার ঘনিষ্ঠদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।এদিকে সচেতন নাগরিকরা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে হামলার মামলার আসামির গ্রেফতার ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত