রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় “মিনহাজ” নামে এক ব্যক্তিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রকাশ্যে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে জমি দখল, ফ্ল্যাট দখল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তার নাম ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখছে।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, তিনি বর্তমানে আলোচিত জুলাই গণহত্যা মামলারও একজন আসামি। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তার নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্যমতে, তিনি ওই মামলার ৩২ নম্বর আসামি।
এত গুরুতর মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা ও প্রভাব বিস্তার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাকে প্রায়ই প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যায়, যার ফলে অনেকেই মনে করছেন তিনি কোনো ধরনের প্রশ্রয় পাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার সহযোগীরা নিয়মিত মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও চাপের মুখে পড়ছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে।
হাজারীবাগবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
হাজারীবাগে প্রকাশ্যে দখলবাজি-চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুলাই গণহত্যা মামলার আসামিকে ঘিরে আতঙ্ক
হাজারীবাগে প্রকাশ্যে দখলবাজি-চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুলাই গণহত্যা মামলার আসামিকে ঘিরে আতঙ্ক
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় “মিনহাজ” নামে এক ব্যক্তিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রকাশ্যে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে জমি দখল, ফ্ল্যাট দখল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তার নাম ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, তিনি বর্তমানে আলোচিত জুলাই গণহত্যা মামলারও একজন আসামি। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,
সাবেক মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তার নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্যমতে, তিনি ওই মামলার ৩২ নম্বর আসামি। এত গুরুতর মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা ও প্রভাব বিস্তার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাকে প্রায়ই প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যায়, যার ফলে অনেকেই মনে করছেন তিনি কোনো ধরনের প্রশ্রয় পাচ্ছেন। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার সহযোগীরা নিয়মিত মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি
ও চাপের মুখে পড়ছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে। হাজারীবাগবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত