বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
রাজধানী গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক
logo

গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা তো হতে পারে না- ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা, ১৩ মে ২০২৬
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা মেনে নেয়া হবে না। এজন্য অবৈধভাবে যারা খালের যায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি না অপসারণ করেন তাহলে আইনিভাবে এলাকাবাসীদের নিয়ে আমরা সেটা উচ্ছেদ করে দেবো। 

আজ সকালে রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনী খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।

এসময় প্রশাসক বলেন, আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যাতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। 

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা একাধিকবার খালটি পরিষ্কার করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই আমরা বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।”

তিনি আরো বলেন, খাল উদ্ধারের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে হলে খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। অবৈধ দখলদারদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে সরকারি বা সংস্থার জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে সেটির দায় তাকেই নিতে হবে।”

তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কেউ সময় চাইলে আলোচনার মাধ্যমে তা বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা এখানে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার করেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”

খুঁজুন