জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা তো হতে পারে না- ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকা, ১৩ মে ২০২৬
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা মেনে নেয়া হবে না। এজন্য অবৈধভাবে যারা খালের যায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি না অপসারণ করেন তাহলে আইনিভাবে এলাকাবাসীদের নিয়ে আমরা সেটা উচ্ছেদ করে দেবো।
আজ সকালে রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনী খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।
এসময় প্রশাসক বলেন, আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যাতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা একাধিকবার খালটি পরিষ্কার করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই আমরা বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরো বলেন, খাল উদ্ধারের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে হলে খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। অবৈধ দখলদারদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে সরকারি বা সংস্থার জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে সেটির দায় তাকেই নিতে হবে।”
তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কেউ সময় চাইলে আলোচনার মাধ্যমে তা বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা এখানে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার করেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”
গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক
গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক
জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা তো হতে পারে না- ডিএনসিসি প্রশাসক ঢাকা, ১৩ মে ২০২৬ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না। জনগণের টাকা অপচয় করে আমরা প্রতিদিন খাল পরিষ্কার করবো আবার পরের দিন আগের অবস্থায় ফিরে যাবে সেটা মেনে নেয়া হবে না। এজন্য অবৈধভাবে যারা খালের যায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি না অপসারণ করেন তাহলে আইনিভাবে এলাকাবাসীদের নিয়ে আমরা
সেটা উচ্ছেদ করে দেবো। আজ সকালে রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনী খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন। এসময় প্রশাসক বলেন, আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যাতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা একাধিকবার খালটি পরিষ্কার করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই আমরা বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।” তিনি আরো বলেন, খাল উদ্ধারের বিকল্প নেই। এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা
থেকে মুক্তি দিতে হলে খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। অবৈধ দখলদারদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে সরকারি বা সংস্থার জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে সেটির দায় তাকেই নিতে হবে।” তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কেউ সময় চাইলে আলোচনার মাধ্যমে তা বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি। প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। যারা এখানে বসবাস করেন, তাদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার করেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত