ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র গেন্ডারিয়া থানার সদ্য নিযুক্ত আহবায়ক আব্দুল কাদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পুরোপুরি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। একসময়ের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কাদেরকে কেন্দ্র করে গেন্ডারিয়ায় চাঁদাবাজি, জুয়ার আসর ও মাদক ব্যবসা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তার প্রভাবশালী সহযোগীরা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে। এ ছাড়া ধুপখোলা মাঠের ইস্টার্ন ক্লাবে প্রতিদিন রাতে জুয়ার আসর বসছে, যেখানে বিএনপি’র ব্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ক্লাবেই চলছে মাদক সেবন ও লেনদেন, যা পুরো এলাকার পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বলেন, “আব্দুল কাদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ভয়-ভীতি তৈরি করছেন। তার লোকজন প্রতিদিন জুয়ার আসর বসাচ্ছে, সেখানে মাদকও চলছে। এতে এলাকার তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।”
তদন্তে আরও জানা গেছে, আব্দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ৪৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র নেতা মামুন ধূপখোলা বাজার থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা তুলে তাকে সরবরাহ করেন। চাঁদাবাজির বেশ কিছু প্রমাণও প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে, কাদেরের ভাগিনা ও যুবদল নেতা মো. রবিন গাড়ি পার্কিংয়ের নামে চাঁদাবাজি এবং মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পুনরায় কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্যে আব্দুল কাদের অবৈধ অর্থ সংগ্রহে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গেন্ডারিয়া এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তার প্রভাবশালী সহযোগীরা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে। এ ছাড়া ধুপখোলা মাঠের ইস্টার্ন ক্লাবে প্রতিদিন রাতে জুয়ার আসর বসছে, যেখানে বিএনপি’র ব্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ক্লাবেই চলছে মাদক সেবন ও লেনদেন, যা পুরো এলাকার পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বলেন, “আব্দুল কাদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ভয়-ভীতি তৈরি করছেন। তার লোকজন প্রতিদিন জুয়ার আসর বসাচ্ছে, সেখানে মাদকও চলছে। এতে এলাকার তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।”
তদন্তে আরও জানা গেছে, আব্দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ৪৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র নেতা মামুন ধূপখোলা বাজার থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা তুলে তাকে সরবরাহ করেন। চাঁদাবাজির বেশ কিছু প্রমাণও প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে, কাদেরের ভাগিনা ও যুবদল নেতা মো. রবিন গাড়ি পার্কিংয়ের নামে চাঁদাবাজি এবং মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পুনরায় কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্যে আব্দুল কাদের অবৈধ অর্থ সংগ্রহে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গেন্ডারিয়া এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব