জাতিগত ও ধর্মগত বৈষম্য দূর করে সকল ধর্মের ঐক্যের ভিত্তিতে বিশ্বভ্রাতৃত্ব ও প্রেমের রাজ্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সর্বধর্ম মিশন, বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনীস্থ বাংলাদেশ রেলওয়ে সার্বজনীন পূজা মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে “সর্বধর্ম সম্মেলন’২৫”।
সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। এরপর সুভাষ সরকার ও তার দল নাম জপ ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সর্বধর্ম মিশনের প্রেসিডেন্ট শ্রীযুক্ত বাবু প্রভাত কান্তি পাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সম্মেলনের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক বাবু পল্টন ঘোষ, রেলওয়ে পূজা মন্ডপের সেক্রেটারী শ্রী কালিকান্ত ঘোষ, সর্বধর্ম মিশনের প্রচারক বাবু সন্তোষ চন্দ্র সরকার, বাবু দুলাল দেবনাথ ও বাবু বিমল পাল, আনন্দ মহাখালী সংঘের সেক্রেটারী সত্যেন্দ্র মোহন সরকার ও সহ-সেক্রেটারী বাবু বিজয় কুমার শিব প্রমুখ। এছাড়াও মিশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন আশ্রম থেকে আগত গুরু ভ্রাতা-ভগ্নী ও প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বক্তারা সর্বধর্ম মিশনের প্রবর্তক শ্রীমৎ আনন্দ স্বামীজী মহারাজ, মহর্ষী মনোমোহন দত্ত ও জগৎ গুরু শ্রীমৎ লবচন্দ্র পাল মহারাজের বাণী ও আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, “সকল ধর্ম একই সত্য ঘোষণা করে—ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। নাম-যোগ সাধনই জীবনের মুক্তি ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ।”
তারা আরো উল্লেখ করেন, সাম্প্রদায়িকতা হলো ধর্ম জীবনের শৈশবাবস্থা; আর প্রকৃত সিদ্ধাবস্থা অর্জিত হয় সকল প্রকার ভেদাভেদ পরিত্যাগের মাধ্যমে। নাম-যোগ সাধনের মাধ্যমে মনুষ্য রোগ, শোক ও মৃত্যুভয় থেকে মুক্ত হয়ে সত্যিকার অর্থে জীবন-মুক্তি লাভ করতে পারে।
সার্বিকভাবে সর্বধর্ম সম্মেলন’২৫ সকল ধর্মের ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। এরপর সুভাষ সরকার ও তার দল নাম জপ ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সর্বধর্ম মিশনের প্রেসিডেন্ট শ্রীযুক্ত বাবু প্রভাত কান্তি পাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সম্মেলনের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক বাবু পল্টন ঘোষ, রেলওয়ে পূজা মন্ডপের সেক্রেটারী শ্রী কালিকান্ত ঘোষ, সর্বধর্ম মিশনের প্রচারক বাবু সন্তোষ চন্দ্র সরকার, বাবু দুলাল দেবনাথ ও বাবু বিমল পাল, আনন্দ মহাখালী সংঘের সেক্রেটারী সত্যেন্দ্র মোহন সরকার ও সহ-সেক্রেটারী বাবু বিজয় কুমার শিব প্রমুখ। এছাড়াও মিশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন আশ্রম থেকে আগত গুরু ভ্রাতা-ভগ্নী ও প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বক্তারা সর্বধর্ম মিশনের প্রবর্তক শ্রীমৎ আনন্দ স্বামীজী মহারাজ, মহর্ষী মনোমোহন দত্ত ও জগৎ গুরু শ্রীমৎ লবচন্দ্র পাল মহারাজের বাণী ও আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, “সকল ধর্ম একই সত্য ঘোষণা করে—ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। নাম-যোগ সাধনই জীবনের মুক্তি ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ।”
তারা আরো উল্লেখ করেন, সাম্প্রদায়িকতা হলো ধর্ম জীবনের শৈশবাবস্থা; আর প্রকৃত সিদ্ধাবস্থা অর্জিত হয় সকল প্রকার ভেদাভেদ পরিত্যাগের মাধ্যমে। নাম-যোগ সাধনের মাধ্যমে মনুষ্য রোগ, শোক ও মৃত্যুভয় থেকে মুক্ত হয়ে সত্যিকার অর্থে জীবন-মুক্তি লাভ করতে পারে।
সার্বিকভাবে সর্বধর্ম সম্মেলন’২৫ সকল ধর্মের ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।