দীর্ঘ বছরের জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ করে নিষ্কাশন খাল পুনঃ খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গৃহীত পদক্ষেপকে আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন কোনাপাড়া মাতুয়াইলে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ।
ডিএনডি এলাকায় বিশেষ করে যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, কদমতলী থানা এলাকার নিম্নাঞ্চলের মানুষের জন্য জলাবদ্ধতা সমস্যা যেন সব সময়ের সঙ্গী।গত ৮ আগস্ট শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদের নির্দেশনায় উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুল আলম রাজীব উপ-সহকারী প্রকৌশলী শুভ্র দত্ত এবং কার্যসহকারী মাহবুব হোসেন মাঠ পর্যায়ে এই খননকাজ শুরু করেন।
কোনাপাড়ার মান্নান স্কুলের সামনে থেকে নিষ্কাশন ক্যানেলের বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়। এসকেভেটর দিয়ে ময়লা আবর্জনা তুলে সারি সারি ট্রাকে করে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।এ পর্যন্ত ৩৪৫টি ট্রিপে ১০৩৫ কিউবিক মিটার ৩৬২.২৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
জলাবদ্ধতা রোধে নিষ্কাশন খাল দখলমুক্ত ও সুগম জলপ্রবাহ নিশ্চিত করতে পারলে এর সুফল পাওয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ বলেন, মানুষজনকে এই বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে যাতে নিষ্কাশন খালে কেউ ময়লা আবর্জনা না ফেলে,বরং নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে অভ্যস্ত হয়। পরিস্কার পরিছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরী। এই প্রচেষ্টায় নাগরিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,নিষ্কাশন ক্যানেল এর মধ্যে ২০ বছর পূর্বে ক্রস বাঁধ দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কয়েকটি স্থানের ক্রস বাঁধ গুলো খালের পানি প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করছে। যার মধ্যে অন্যতম আদর্শ বাগ ও ফার্মের মোড় গ্যাস রোড এলাকার নিচু একটি ক্রস বাধ।এই বাধগুলো অপসারণ করাও প্রয়োজন মনে করছে স্থানীয়রা।
ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণে শিমরাইল ও আদমজী পাম্প হাউজে ১৩টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প রয়েছে ।এসব নিষ্কাশন খাল ভরাট হওয়ায় পানি নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে সেখানে না যাওয়ায় নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এ কারণে কোনাপাড়া থেকে শিমরাইল পর্যন্ত নিষ্কাশন খাল গুলো রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ডিএনডি এলাকায় বিশেষ করে যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, কদমতলী থানা এলাকার নিম্নাঞ্চলের মানুষের জন্য জলাবদ্ধতা সমস্যা যেন সব সময়ের সঙ্গী।গত ৮ আগস্ট শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদের নির্দেশনায় উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুল আলম রাজীব উপ-সহকারী প্রকৌশলী শুভ্র দত্ত এবং কার্যসহকারী মাহবুব হোসেন মাঠ পর্যায়ে এই খননকাজ শুরু করেন।
কোনাপাড়ার মান্নান স্কুলের সামনে থেকে নিষ্কাশন ক্যানেলের বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়। এসকেভেটর দিয়ে ময়লা আবর্জনা তুলে সারি সারি ট্রাকে করে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।এ পর্যন্ত ৩৪৫টি ট্রিপে ১০৩৫ কিউবিক মিটার ৩৬২.২৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
জলাবদ্ধতা রোধে নিষ্কাশন খাল দখলমুক্ত ও সুগম জলপ্রবাহ নিশ্চিত করতে পারলে এর সুফল পাওয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ বলেন, মানুষজনকে এই বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে যাতে নিষ্কাশন খালে কেউ ময়লা আবর্জনা না ফেলে,বরং নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে অভ্যস্ত হয়। পরিস্কার পরিছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরী। এই প্রচেষ্টায় নাগরিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,নিষ্কাশন ক্যানেল এর মধ্যে ২০ বছর পূর্বে ক্রস বাঁধ দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কয়েকটি স্থানের ক্রস বাঁধ গুলো খালের পানি প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করছে। যার মধ্যে অন্যতম আদর্শ বাগ ও ফার্মের মোড় গ্যাস রোড এলাকার নিচু একটি ক্রস বাধ।এই বাধগুলো অপসারণ করাও প্রয়োজন মনে করছে স্থানীয়রা।
ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণে শিমরাইল ও আদমজী পাম্প হাউজে ১৩টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প রয়েছে ।এসব নিষ্কাশন খাল ভরাট হওয়ায় পানি নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে সেখানে না যাওয়ায় নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এ কারণে কোনাপাড়া থেকে শিমরাইল পর্যন্ত নিষ্কাশন খাল গুলো রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব