উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মীর ফারুক হোসেন,ব্যুরো প্রধান খুলনা: ||
খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (খুমেবি) প্রতিষ্ঠার ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজস্ব অস্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে থমকে ছিল এর মূল শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম। অবশেষে সেই অচলাবস্থা কাটতে চলেছে। খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস চালুর একটি প্রস্তাবে একমত হয়েছেন খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রবীণ চিকিৎসকরা।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল হাসপাতালটি পরিদর্শনে এলে স্থানীয় অংশীজনেরা দ্রুত এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান।সরেজমিনে সম্ভাব্যতা যাচাইপ্রস্তাবটির সম্ভাব্যতা যাচাই করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) এ এন এম মঈনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি:হাসপাতালের বহির্বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সেবাগ্রহীতাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন।চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা যায়—এমন সম্ভাব্য অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধাগুলো সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দল জানায়, তারা দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।কেন এই প্রস্তাব?২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হলেও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। গত জুন মাসে খুমেবি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন বিশেষায়িত হাসপাতালে অস্থায়ী ক্যাম্পাস চালুর এই লিখিত প্রস্তাব পাঠান।মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন:"খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা গেলে এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও গতিশীল হবে। একই সাথে চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।"সংহতি প্রকাশ ও দ্রুত পদক্ষেপের দাবিমতবিনিময় সভায় উপস্থিত স্থানীয় অংশীজনেরা একই ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের কার্যক্রম যৌথভাবে পরিচালনার বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নিতে তারা সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।সভায় যারা উপস্থিত ছিলেন:মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, খুলনার সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।