উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মাসুম খান,ঝালকাঠি: ||
ঝালকাঠি সদর উপজেলার এক ব্যক্তি তার ওয়ারিশি সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, ফল বিক্রিতে বাধা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগকারী মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৮), হিমানন্দকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার পিতা মরহুম শাহজাহান খান গত ৭ মে ২০২৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পৈতৃক ওয়ারিশি সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন। বর্তমানে আইনানুগ উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য ওই সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন।অভিযোগে বলা হয়, শাহজাহান খান জীবিত অবস্থায় চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার জিন্দাকাঠী এলাকার সবুজ মজুমদারের কাছে ২০২৫-২০২৬ মৌসুমের জন্য আমড়া ও পেয়ারা বাগান ইজারা দেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানা রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর গ্রামের শফিক মোল্লা, নজরুল মোল্লা, মেহেদি হাওলাদার, শামিম হাওলাদার, সালাম বেপারীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা তফসিলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি বাগানের পেয়ারা ও আমড়া বিক্রিতে বাধা দিচ্ছেন, ফলজ গাছ কেটে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন এবং প্রতিবাদ করলে অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।এ পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় মারামারি, সংঘর্ষ, খুন-জখম কিংবা বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।লিখিত অভিযোগে অভিযোগকারী ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।অভিযোগে উল্লেখিত সম্পত্তি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ৩১ নম্বর পোষন্ডা মৌজার একাধিক বি.এস. খতিয়ান ও দাগভুক্ত প্রায় ২ একর ৬৫ শতাংশ জমি।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।