উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ||
ঝালকাঠিতে ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবী ত্যাগী নির্যাতিত নেতাকর্মীদের । জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা মনে করেন এসব কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং রাজনৈতিকভাবে সুবিধা অর্জন করা।ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্ব) অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি অতীতে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবেও সাংগঠনিক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখেছেন বলে নেতাকর্মীরা দাবি করেন।তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অ্যাড. মুবিন ১৯৯৫ সালে ওয়ার্ড পর্যায়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক এবং কাউন্সিলরদের ভোটে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।নেতাকর্মীদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি একাধিকবার হামলা, নির্যাতন ও মামলার মুখোমুখি হন। তারা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে তার বিরুদ্ধে তুলনামূলক বেশি মামলা হয় এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি পেশাগতভাবেও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।অভিযোগকারীদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও অ্যাড. মুবিন ঝালকাঠিতে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলেও তারা দাবি করেন।বিএনপির ত্যাগী নেতাদের দাবী ৫ আগস্টের পর কিছু ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নির্যাতিত নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাকে লক্ষ্য করে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। তবে তার আপোষহীন নেতৃত্ব এবং দলের পিছনে দেয়া মেধা শ্রম তাকে দলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছাতে সহয়ক হবে।