উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মীর ফারুক হোসেন,ব্যুরো প্রধান খুলনা: ||
হাফেজ বানানোর স্বপ্ন নিয়ে ১০ বছরের সন্তানকে মাদ্রাসায় দিয়েছিলেন দিনমজুর বাবা। কিন্তু শিক্ষার আলো পাওয়ার বদলে শিশুটিকে সইতে হয়েছে ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতন ও অমানবিক বন্দিদশা। খুলনার আড়ংঘাটার শলুয়া হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।যে অভিযোগে গ্রেপ্তার মুহতামিমভুক্তভোগী শিশু মো. মিরাজুল ইসলামের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই মাদ্রাসার মুহতামিম আসলাম উদ্দিন শিশুটিকে দিয়ে মাদ্রাসার বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজ করাতেন। পড়াশোনার পরিবর্তে তাকে গরু-ছাগল চরাতেও বাধ্য করা হতো। শিশুটি এসব কাজে আপত্তি জানালে তাকে মারধর করা হতো এবং নানাভাবে শাস্তি দেওয়া হতো। সবচেয়ে অমানবিক ঘটনা হলো, শিশুটিকে পায়ে শিকল বেঁধে বন্দি করে রাখা হতো।আইনের আওতায় নির্যাতনকারীরোববার (৫ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আড়ংঘাটা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে ওঠা নির্যাতনের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পবিত্র জ্ঞান অর্জনের প্রতিষ্ঠানে এমন অমানবিক ও নিষ্ঠুর ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কঠোর বিচার দাবি করেছেন।