উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝালকাঠি (রাজাপুর প্রতিনিধি) : ||
ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলা একটি পশ্চাদপদ উপজেলা হিসেবে সকলের কাছে চিহ্নিত। এই উপজেলাকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর এক বিস্তর মহাপরিকল্পনা নিয়ে, রাত দিন কাজ করে যাচ্ছেন রাজাপুরের গর্বিত সন্তান তানভীর রশিদ আকন। অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়ে রাজাপুরে স্থাপন করেছেন অত্যাধুনিক কনিকা মাহফুজ স্পেশালাইজড চক্ষু হাসপাতাল। রাজাপুরসহ আশেপাশের ৩ জেলা এবং ১২ উপজেলার মোট ৩৮ লক্ষ মানুষের চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য, কোন বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল নেই। অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু অলাভ জনক বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল স্থাপন করে অত্যাধুনিক চক্ষু চিকিৎসার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।তিনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অবহেলিত মানুষের কথা চিন্তা করে প্রতিমাসে ৫০ জন রোগীকে বিনামূল্যে অপারেশন করে যাচ্ছেন। যার অর্থায়ন তিনি নিজ থেকেই করছেন। তিনি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফেকো মেশিনে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সার্জন দ্বারা চোখের অত্যাধুনিক অপারেশন করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠিত কণিকা মাহফুজ স্পেশালাইজড চক্ষু হাসপাতালের রোগীদের কাছ থেকে মাত্র ২০০ টাকা ভিজিট গ্রহণ করেন। কিন্তু সরজমিনে তথ্য পাওয়া গিয়েছে এফসিপিএস করা যে ডাক্তার তার হাসপাতালে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ পর্যন্ত রোগী দেখেন তার ভিজিট ৭০০ টাকা। তিনি রোগীদের কাছ থেকে নেন ২০০ টাকা নিজ পক্ষে থেকে অর্থায়ন করেন ৫০০ টাকা। যে কারণে রাজাপুর কনিকা মাহফুজ স্পেশালাইজ চক্ষু হাসপাতালে জনগণ দুশো টাকা ভিজিটে এফসিপিএস করা বিশেষজ্ঞ কে দেখাতে পারেন। এদিকে তানভীর রশিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই মেধাবী ছাত্র, রাজাপুরের শিক্ষা ক্ষেত্রেও রাখছেন প্রশংসনীয় ভূমিকা। তিনি রাজাপুর মডেল পাইলট স্কুলে সম্মানিত সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমেই তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্ব এবং সময়োপযোগী ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি নিয়মিত অভিভাবকদের সাথে মিটিংয়ে অংশ নেন পাশাপাশি শিক্ষকদেরও সাথে মিটিং অংশ নেয় এবং স্কুলের প্রকৃত সমস্যা অনুসন্ধান করে, সেই সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যা অভিভাবক ও সুধী সমাজে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। এছাড়াও তানভীর রশিদ আকন রাজাপুর উপজেলা মুসলিহীন এর সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। শৈশবে হযরত হযরত মাওলানা মুহম্মদ আযীযুর রহমান কায়েদ ছাহেব নেছারাবাদী হুজুরের নৈকট্য পাওয়া একজন ভক্ত। তাই তিনি উপজেলার মুসলেহিনের সভাপতি দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথে, হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুরের নামকে ব্যবহার করে বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সুফল পাওয়াদের বিরুদ্ধে করে যাচ্ছেন সরাসরি প্রতিবাদ। তিনি প্রথম মানুষ যে হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুরের নাম কে ব্যবহার করে সকল প্রকার ব্যবসা বাণিজ্য এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সুবিধা নেওয়া কে প্রকাশ্যে ধিক্কার জানান এবং প্রতিবাদ জানান। অপরদিকে রাজাপুর স্কুল মাঠের এক সময়ের পরিচিত মুখ তানভীর রশিদ খেলাধুলার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। তিনি রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সভাপতি হওয়ার পর, রেজুলেশন করে অবৈতনিক একজন ক্রিয়া শিক্ষক স্কুলে নিয়োগ দেন। যার মধ্য দিয়ে যুব সমাজকে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি অত্যন্ত জরুরি বলে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে তরুণ যুবকদের নিয়ে ফুটবল খেলার আয়োজন করেন। রাজাপুর উপজেলার খেলাধুলা কে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আর্থিক অনুদান ও বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন সংগঠন এর মাঝে ক্রিয়া উপকরণ বিতরণ করে আসছেন তিনি। আর এই সবকিছু বিবেচনা করে দেখা যায় তিনি পিছিয়ে পড়া রাজাপুর উপজেলা কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যে কারণে তাকে জনপ্রতিনিধি করার একটি বাসনা জনমনে প্রতিফলিত হচ্ছে। এই বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি বরাবরই নীরব ভূমিকায় থাকেন। তবে তার নীরবতা অবসান হওয়া উচিত। তবে তানভীর রশিদ আকন এর মত একজন সৎ, শিক্ষিত, সুযোগ্য, পথপ্রদর্শক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষকে উপজেলার জনপ্রতিনিধি করা হলে এ উপজেলার সাধারণ মানুষের জন্য 'আশীর্বাদ স্বরূপ' বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।