উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্পোর্টস ডেস্ক: ||
হিউস্টনের মাঠে প্রথমার্ধের সেই স্তব্ধতা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত হাসল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই। জাপানের জমাট রক্ষণ আর অতিমানবীয় গোলকিপিংয়ের দেয়াল ভেঙে ২-১ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিল ব্রাজিল। এই জয়ে রাউন্ড অব ৩২-এর বৈতরণী পার হয়ে টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে পা রাখল সেলেসাওরা।সানোর স্তব্ধতা ও সুজুকি প্রাচীরম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের পায়ে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। ম্যাচের ৩ মিনিটেই ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিহত হয় জাপানি ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে। ৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আক্রমণ বাতাসে ভেসে এসে রুখে দেন জাপানের বাজপাখি জিওন সুজুকি।ব্রাজিল যখন একের পর এক আক্রমণ করেও জাপানের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না, ঠিক তখনই কাউন্টার অ্যাটাকে পুরো স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে দেয় এশিয়ান পরাশক্তিরা। ২৯ মিনিটে বক্সের বেশ দূর থেকে কাইশু সানোর এক অবিশ্বাস্য বুলেট গতির শট ব্রাজিলের জাল কাঁপায় (১-০)। পিছিয়ে পড়েও আক্রমণ জারি রাখে ব্রাজিল, কিন্তু প্রথমার্ধে সুজুকির দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের সামনে বারবার পরাস্ত হতে হয় তাদের।কাসেমিরোর ত্রাতা রূপ ও ভিনির দুর্ভাগ্যদ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বের হয় ব্রাজিল। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে সুজুকি গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে জাপানের লিড ধরে রাখলেও, তা স্থায়ী হয়নি বেশি সময়। ৫৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। গ্যাব্রিয়েলের নিখুঁত ক্রস থেকে উড়ে এসে বুলেট হেডে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো (১-১)।সমতায় ফেরার ঠিক দুই মিনিট পরেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। জাপানি ডিফেন্ডারকে নাটমেগ (দু পায়ের মাঝখান দিয়ে বল গলানো) করে গোলকিপার সুজুকিকেও ফাঁকি দিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাঁর শটটি গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।শেষ হাসি ব্রাজিলেরম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আর কোনো ভুল করেনি সেলেসাওরা। জাপানের রক্ষণভাগের ক্লান্তির সুযোগ নিয়ে আরও একটি গোল আদায় করে নেয় ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। পুরো ম্যাচ জুড়ে বীরত্বের সাথে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পুড়তে হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপানকে।