উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সাগর আহম্মেদ, কালিয়াকৈর (গাজীপুর): ||
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিং ও বাড়তি বিলের প্রতিবাদে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করেছে গ্রাহকসহ এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মৌচাক এলাকায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও এ কর্মসূচী পালন করা হয়।এলাকাবাসী ও বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক জোনাল অফিসের আওতায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে গেছে। ঘনঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। যার কারণে বিশুদ্ধ পানির সংকটসহ শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও লোডশেডিংয়ের কারণে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছে। একদিকে ঘনঘন লোডশেডিং সমস্যা, অন্যদিকে বাড়তি বিলের ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বিদ্যুতের গ্রাকদের। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। ঘনঘন লোডশেডিং ও বাড়তি বিলের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নিরবিছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায় তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মৌচাক এলাকায় মৌচাক জোনাল পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় বক্তব্য রাখেন- হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম, সিরাজুল ইসলাম, সোহেল আহমেদ, ইমরান বাদশাসহ আরো অনেকে। এসময় বক্তারা বলেন, এক সপ্তাহ ধরে আমরা বিদ্যুৎ পাই না।ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের জীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। দিনে চার থেকে পাচ ঘন্টা পর পর বিদ্যুত আসে, তাও আবার ১০ মিনিটের জন্য। বাসা বাড়িতে বিশুদ্ধ পানির সমস্যা। তাছাড়াও অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিক তারা ডিউটি শেষ করে ঠিকমতো ঘুমাতে বা বিশ্রাম নিতে পারে না।এদিকে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও রেখে বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষের নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্দ লোকজন সেখান থেকে চলে যায়।এব্যাপারে ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর মৌচাক জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রফিকুল আজাদ জানান, এলাকাবাসী লোডশেডিংয়ের কারণে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে। পরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের আশ্বাস দিলে তারা চলে যায়। বিদ্যুতের গ্রীড সাপ্লাই কম থাকায় এ লোডশেডিং সমস্যা হচ্ছে।কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।