উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তরিকুল ইসলাম: ||
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, উচ্চমূল্যের কারণে বাজার করতে এসে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। আয়ের তুলনায় নিত্যপণ্যের খরচ লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।সবজির বাজারে স্বস্তি নেই, আলুর কেজি ২৫৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি: বেগুন, করলা, উচ্ছে, শসা, বরবটি ও লতি।১৪০ টাকা কেজি: গাজর (সবচেয়ে চড়া)।৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি: ভেন্ডি, পটল, ধুন্দল, ঝিঙে, চাল কুমড়া ও লাউ।অন্যান্য: কাঁচা পেঁপে ৪০-৫০ টাকা ও জালি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি। কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়।তবে কিছুটা কম দামে মিলছে আলু (২৫ টাকা কেজি) এবং বিভিন্ন রকমের শাক (আঁটি প্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা)।মাংসের বাজারে ব্রয়লার কিছুটা কম, মাছের বাজারে আগুনমাংসের বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,১০০ থেকে ১,২০০ টাকা এবং বকরির মাংস ১,০৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় পাওয়া গেলেও লেয়ার ও সোনালি মুরগির দাম ঠেকেছে ৩৬০ টাকায়। ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়।অন্যদিকে, মাছের বাজারে বড় ওজনের ইলিশ সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩,০০০ টাকায়। ছোট ও মাঝারি ইলিশ ৯০০ থেকে ১,৭০০ টাকার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। এছাড়া রুই-কাতল ৩৫০-৪৫০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা এবং কাচকি মাছ ৬০০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষের ভরসা সিলভার কার্প মিলছে ১৪০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।মুদি ও মসলা পণ্যের হালচালমসলার বাজারে কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৬০ টাকা এবং আদা ১৪০-১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।চালের বাজারে:মিনিকেট ও মোজাম্মেল চাল: ৮৫ টাকা/কেজিবিআর-২৮ ও পাইজাম চাল: ৬০ টাকা/কেজিস্বর্ণা চাল: ৫০-৫৫ টাকা/কেজিমুদি দোকানে দেশি চিকন মসুর ডাল ১৬০ টাকা এবং ছোলার ডাল ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হলেও, একই ডাল সুপারশপগুলোতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।ক্রেতাদের বক্তব্য: আয় এক ফোঁটাও বাড়েনি, কিন্তু চাল-ডাল থেকে শুরু করে মাছ-মাংস সবকিছুর দামই আকাশছোঁয়া। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।