খুলনা, ৪ জুলাই: প্রায় ১৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইল একনেক থেকে ফেরত যাওয়ার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার পর কাজের বাস্তব অগ্রগতি দেখতে আজ শনিবার, সরকারি ছুটির দিনেই খুলনায় ছুটে এসেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ নাসিমুল গনি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রকল্পের প্রধান সড়ক, চারটি স্লুইসগেট, প্রকল্প এলাকার ম্যাপ এবং রূপসা সেতুর প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি প্রকল্প এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও মতামত শোনেন।
পটভূমি ও প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ
উল্লেখ্য, গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত একনেক সভায় খুলনা ‘শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রকল্পের অস্বাভাবিক বিলম্ব এবং ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে নিয়োজিতদের অবহেলাকে দায়ী করে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। একই সাথে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর সেই কঠোর বার্তার পর প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শেষ করতে মাঠপর্যায়ে এই তৎপরতা শুরু হলো।
পরিদর্শনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বহর
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনে প্রশাসনের একঝাঁক শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
মো. নজরুল ইসলাম, সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
সিরাজুন নূর চৌধুরী, সচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।
মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা।
এসএম শফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, কেডিএ।
হুরে জান্নাত, জেলা প্রশাসক, খুলনা।
মো. আরমান হোসেন, প্রকল্প পরিচালক।
এছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং কেডিএ’র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উষ্ণ অভ্যর্থনা
এর আগে খুলনায় পৌঁছালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ নাসিমুল গনিকে পৃথকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম মনা।
গড় রেটিং: ৫/৫ (১ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
খুলনা, ৪ জুলাই: প্রায় ১৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইল একনেক থেকে ফেরত যাওয়ার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার পর কাজের বাস্তব অগ্রগতি দেখতে আজ শনিবার, সরকারি ছুটির দিনেই খুলনায় ছুটে এসেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ নাসিমুল গনি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রকল্পের প্রধান সড়ক, চারটি স্লুইসগেট, প্রকল্প এলাকার ম্যাপ এবং রূপসা সেতুর প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি প্রকল্প এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও মতামত শোনেন।
পটভূমি ও প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ
উল্লেখ্য, গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত একনেক সভায় খুলনা ‘শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রকল্পের অস্বাভাবিক বিলম্ব এবং ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে নিয়োজিতদের অবহেলাকে দায়ী করে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। একই সাথে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর সেই কঠোর বার্তার পর প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শেষ করতে মাঠপর্যায়ে এই তৎপরতা শুরু হলো।
পরিদর্শনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বহর
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনে প্রশাসনের একঝাঁক শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
মো. নজরুল ইসলাম, সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
সিরাজুন নূর চৌধুরী, সচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।
মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা।
এসএম শফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, কেডিএ।
হুরে জান্নাত, জেলা প্রশাসক, খুলনা।
মো. আরমান হোসেন, প্রকল্প পরিচালক।
এছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং কেডিএ’র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উষ্ণ অভ্যর্থনা
এর আগে খুলনায় পৌঁছালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ নাসিমুল গনিকে পৃথকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম মনা।
