দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মানবাধিকার সংস্থা 'সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন'-এর খুলনা মহানগর শাখার ২০২৬-২৮ সেশনের নতুন কার্যকরী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব গাজী আলাউদ্দিন আহমদ-কে সভাপতি এবং দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক রোটারিয়ান সরদার আবু তাহের-কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং মহাসচিব মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটির অনুমোদন দেন।
গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে যারা আছেন:
উপদেষ্টা: খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ এবং রোটারিয়ান ডা. সৈয়দ আবু সইদ।
সহ-সভাপতি: দৈনিক প্রবর্তন-এর সম্পাদক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আরিফ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম শিমুল, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এ এম কামরুল ইসলাম এবং কলেজ শিক্ষক জি এম মোজাহিদুল ইসলাম।
যুগ্ম সম্পাদক: মোল্লা মারুফ রশীদ ও এড. মো. জিনারুল ইসলাম।
সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. নাসির উদ্দিন (সহ-সাংগঠনিক: মো. একরামুল হোসেন লিপু)।
অর্থ সম্পাদক: আব্দুর রাজ্জাক জোদ্দার।
সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্যবৃন্দ:
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (স্বাস্থ্য), মাহবুবুর রহমান মুন্না (প্রচার ও প্রকাশনা), আফরোজা বুলবুল (মহিলা বিষয়ক), রকিব ফারাজী (সমাজ কল্যাণ), অসীম কুমার বিশ্বাস (দপ্তর), এড. মো. আলমগীর হোসেন খাঁন (আইন), মো. হাসানুর রহমান তানজির (আন্তর্জাতিক বিষয়ক), বিমল মল্লিক (সাংস্কৃতিক), মাহমুদ হাসান সোহেল (তথ্য প্রযুক্তি), শায়খুল ইসলাম বিন হাসান (ধর্ম), এবং কাজী কামরুল ইসলাম কচি (শিক্ষা)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন— শেখ ফজলুর রহমান, আখতার জাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. আকবর আলী, কামরুল ইসলাম ভুট্টো এবং ফিরোজ আহমেদ।
সংগঠন পরিচিতি:
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি ভারত ও নেপাল সরকারেরও অনুমোদনপ্রাপ্ত। এটি ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ন্যাশনাল কমিশন ফর ওমেন-ভারত, ন্যাশনাল ভিজিলেন্স কমিশন-ভারত এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃতি ও নিবন্ধনপ্রাপ্ত। বর্তমানে সার্কভুক্ত দেশগুলোসহ বাংলাদেশের জেলা, মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিন শতাধিক শাখার মাধ্যমে এই সংস্থাটি তাদের মানবাধিকার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মানবাধিকার সংস্থা 'সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন'-এর খুলনা মহানগর শাখার ২০২৬-২৮ সেশনের নতুন কার্যকরী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব গাজী আলাউদ্দিন আহমদ-কে সভাপতি এবং দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক রোটারিয়ান সরদার আবু তাহের-কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং মহাসচিব মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটির অনুমোদন দেন।
গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে যারা আছেন:
উপদেষ্টা: খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ এবং রোটারিয়ান ডা. সৈয়দ আবু সইদ।
সহ-সভাপতি: দৈনিক প্রবর্তন-এর সম্পাদক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আরিফ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম শিমুল, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এ এম কামরুল ইসলাম এবং কলেজ শিক্ষক জি এম মোজাহিদুল ইসলাম।
যুগ্ম সম্পাদক: মোল্লা মারুফ রশীদ ও এড. মো. জিনারুল ইসলাম।
সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. নাসির উদ্দিন (সহ-সাংগঠনিক: মো. একরামুল হোসেন লিপু)।
অর্থ সম্পাদক: আব্দুর রাজ্জাক জোদ্দার।
সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্যবৃন্দ:
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (স্বাস্থ্য), মাহবুবুর রহমান মুন্না (প্রচার ও প্রকাশনা), আফরোজা বুলবুল (মহিলা বিষয়ক), রকিব ফারাজী (সমাজ কল্যাণ), অসীম কুমার বিশ্বাস (দপ্তর), এড. মো. আলমগীর হোসেন খাঁন (আইন), মো. হাসানুর রহমান তানজির (আন্তর্জাতিক বিষয়ক), বিমল মল্লিক (সাংস্কৃতিক), মাহমুদ হাসান সোহেল (তথ্য প্রযুক্তি), শায়খুল ইসলাম বিন হাসান (ধর্ম), এবং কাজী কামরুল ইসলাম কচি (শিক্ষা)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন— শেখ ফজলুর রহমান, আখতার জাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. আকবর আলী, কামরুল ইসলাম ভুট্টো এবং ফিরোজ আহমেদ।
সংগঠন পরিচিতি:
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি ভারত ও নেপাল সরকারেরও অনুমোদনপ্রাপ্ত। এটি ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ন্যাশনাল কমিশন ফর ওমেন-ভারত, ন্যাশনাল ভিজিলেন্স কমিশন-ভারত এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃতি ও নিবন্ধনপ্রাপ্ত। বর্তমানে সার্কভুক্ত দেশগুলোসহ বাংলাদেশের জেলা, মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিন শতাধিক শাখার মাধ্যমে এই সংস্থাটি তাদের মানবাধিকার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
