Logo
আজঃ Monday ০৩ October ২০২২
শিরোনাম

যুদ্ধাপরাধ: পিরোজপুরের ৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য অব্যাহত

প্রকাশিত:Friday ২৩ September ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৩ October ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত আটক নির্যাতন অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পিরোজপুরের সাতজনের বিরুদ্ধে দ্বাদশ সাক্ষী তার জবানবন্দি পেশ করেছেন।

এই মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন।

এর আগে ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সাত আসামির মধ্যে উপজেলার হেতালিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নান হাওলাদার ওরফে মান্নান ডিলার (৭৫), আজহার আলী হাওলাদার ওরফে আজু মুন্সী (৮৮), আশ্রাব আলী ওরফে আশরাফ আলী হাওলাদার (৬৭) ও মো. মহারাজ হাওলাদার ওরফে হাত কাটা মহারাজ (৬৮) গ্রেফতার হয়ে এই চারজন করাগারে আছেন। বাকী ২ জন পলাতক। গ্রেফতার অবস্থায় মৃত আসামি হচ্ছেন, মো.ফজলুল হক হাওলাদার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল। আর শেষ হয় ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর। আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, হত্যা, গণহতার অভিযোগ আনা হয়েছে। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামিরা কনভেনশন মুসলীম লীগ করতেন। স্বাধীনতার পর থেকে তারা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম বলেন, সাত আসামির মধ্যে গ্রেফতারের পর তদন্তকালে আসামি মো. ফজলুল হক হাওলাদার (৭৫) মারা যাওয়ায় চার আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। দুই আসামি এখনও পলাতক।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ এনেছেন তদন্ত সংস্থা। এই চার অভিযোগে ২৪ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, গুলিতে তিন ব্যক্তি ও এক নারীর স্তনে গুরুতর জখমের ঘটনা রয়েছে।

চার আসামি মুক্তিযুদ্ধের সময় কনভেনশন মুসলিম লীগের সমর্থক হলেও বর্তমানে তারা জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।


আরও খবর