Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মাশরাফী-সাকিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে আরও ১৬টি । জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের তৃতীয় দিনে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এরমধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে রাখা হয়েছে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও সাকিব আল হাসানকে।

সভাপতি করা হয়েছে জাহিদ আহসান রাসেলকে (গাজীপুর-২)। এছাড়া সদস্য করা হয়েছে- মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী (নাজমুল হাসান), মাশরাফি বিন মোর্ত্তুজা (নড়াইল-২), শফিকুল ইসলাম শিমুল (নাটোর-২), মাইনুল হোসেন খান (ঢাকা-১৪), আব্দুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), সাকিব আল হাসান (মাগুরা-১), সোলায়মান সেলিম (ঢাকা-৭) ও মহিউদ্দিন মহারাজ (পিরোজপুর-২)।


আরও খবর



ক্যানসার নিয়ে ফের হাসপাতালে সাবিনা ইয়াসমিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:প্রায় ১৭ বছর পর গত বছর শেষের দিকে ফের মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে।

সাবিনা ইয়াসমিনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের শেষের দিকে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে কিছু জটিলতা ধরা পড়ে। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, তার মুখগহ্বরে ফের ক্যানসারের সংক্রমণ ঘটেছে। পরে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনের মুখের অভ্যন্তরে একটি সার্জারি হয়েছে। শিগগিরই থেরাপি দেওয়া শুরু হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে শিল্পীর জন্য।

এর আগে, ২০০৭ সালে প্রথম ওরাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তখন দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। এরপর থেকে নিয়মিত চেক-আপের মাধ্যমে ভালোই ছিলেন তিনি।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে সঙ্গীতের সঙ্গে আছেন সাবিনা ইয়াসমিন। চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান কণ্ঠে তুলে সৃষ্টি করেছেন ইতিহাস।তিনি ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ লাভ করেন সাবিনা ইয়াসমিন।

ছোট থেকেই সঙ্গীতের ভুবনে পদচারণা শুরু হলেও চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে সাবিনা ইয়াসমিনের আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে; ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ চলচ্চিত্রের ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

এই শিল্পীর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘সব সখীরে পার করিতে’, ‘এই পৃথিবীর পরে’, ‘মন যদি ভেঙে যায়’, ‘ও আমার রসিয়া বন্ধুরে’, ‘জীবন মানেই যন্ত্রণা’, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’, ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’, ‘ও আমার বাংলা মা’, ‘মাঝি নাও ছাড়িয়া দে’, ‘সুন্দর সুবর্ণ’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ প্রভৃতি।


আরও খবর



বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় দশম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) জানিয়েছে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দশম বলে 

সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে। গত এক যুগের মধ্যে বাংলাদেশে দুর্নীতি এবার সবচেয়ে বেশি।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি উপস্থাপন করে টিআইবি।

সংস্থাটি বলছে, দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ২৪। সমান স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকান রিপাবলিক, ইরান, লেবানন ও জিম্বাবুয়ে। ২০২৩ সালে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২তম। বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৫। আর তালিকায় দেশ হিসেবে ১৪৭ তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। যেখানে এবার ১৪৯ তম।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই (দুর্নীতির ধারণা সূচক) অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হতাশাজনক। সিপিআই ২০২৩ অনুযায়ী এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ২০২২ এর তুলনায় এক পয়েন্ট কমে ২৪। নিম্নক্রম অনুযায়ী অবস্থানের দুই ধাপ। অবনতি হয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ম এবং ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী ১৪৯তম।

তিনি বলেন, সূচকের বিশ্লেষণ করলে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান গত এক যুগের মধ্যে সর্বনিম্ন। স্কোর ও অবস্থানের এই অবনমন প্রমাণ করে যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন অঙ্গীকার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে "শূন্য সহনশীলতার" ঘোষণা বাস্তবিক অর্থে কার্যকর প্রয়োগ হয়নি। বরং আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও কাঠামোগত দুর্বলতায় বাংলাদেশের অবস্থানের আরো অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান ও স্কোর যথারীতি বিব্রতকরভাবে আফগানিস্তানের পর।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, টিআইবির উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম, সমন্বয়ক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়। ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। তখন এ তালিকায় মোট ৯১টি দেশ ঠাঁই পায়।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৫ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়নের নজির সৃষ্টি হয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়নের নজির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। 

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উন্মুক্ত স্থানসমূহের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উন্নয়নকৃত শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ভিশন, রুচি ও চেষ্টা থাকলে অনেক কিছু করা যায়। অনেক সময় বড় কিছু করতে গেলে অনেকে অনুৎসাহিত করার চেষ্টা করবে, আটকে দেয়ার চেষ্টা করবে। অনেক বড় কিছু করার চিন্তা ও তা চেষ্টা করা হলে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদল হয়। দৃষ্টিভঙ্গি বদল হলে অনেক বড় কিছু অর্জন করা যায়। গত ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার বিভিন্ন নজির আমরা দেখেছি। দেশের মানুষ যা কিছু চিন্তা করতে পারেনি সে ধরণের উন্নয়নের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে। ১৫ বছর আগে যদি বলা হতো, ঢাকা শহরে মেট্রোরেল চলবে, সেটা কেউ বিশ্বাস করতো না। যদি বলা হতো বাংলাদেশের শতভাগ মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাবে, সেটা কেউ বিশ্বাস করতো না। পদ্মা সেতু আমরা নিজের টাকায় করবো, বাংলাদেশের মানুষ এটাও বিশ্বাস করেনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে গেছে। আমরা অনেক সাহসী হয়েছি, আমরা এখন অনেক বড় স্বপ্ন দেখতে পারি এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারি। সেই জায়গা থেকেই ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের বিষয় চলে এসেছে। 

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ডা. ফজলে রাব্বির নামে পার্কের নামকরণ করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সম্পৃক্ত নামগুলো আমরা আরও স্মরণ করতে চাই, স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখতে চাই এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে নজির হিসেবে রাখতে চাই। যখনই শহীদ ডা. ফজলে রাব্বির বিষয়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম প্রশ্ন করবে, জানবে তখন আরও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হবে এবং সেভাবেই আগামী দিনের ইতিহাস রচিত হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো.মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে নিকেতন সোসাইটির সভাপতি ডা. এম. এ. বাসার, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রি. জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম পিএসসি, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমেনা বেগম, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বির ছেলে ওমর রাব্বি প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

পরে উন্নয়নকৃত শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনে অংশগ্রহণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও বৃক্ষরোপণ,পার্ক পরিদর্শন এবং নবনির্মিত পুলিশ বক্স উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

আরও খবর



আহমেদ রুবেলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিনেতা আহমেদ রুবেলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এর আগে, বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মারা যান শক্তিমান এই অভিনেতা। জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় অভিনেতার ‘পেয়ারার সুবাস’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী ছিল। এ প্রদর্শনীতেই যোগ দিতে পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে এসেছিলেন আহমেদ রুবেল। সেখানে লিফটে উঠার সময় হুট করে মাথা ঘুরে পরে যান তিনি। এরপর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা অভিনেতাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই রুবেলের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আলোচিত ধারাবাহিক নাটক ‘প্রেত’-এ অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পান আহমেদ রুবেল। আহীর আলম পরিচালিত এ নাটকের গল্প লিখেছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তারপর থেকে নাটকে ও সিনেমায় ব্যস্ততা বেড়েই চলে তার।

একটা সময় নন্দিত লেখক, নাট্যকার ও পরিচালক হুমায়ুন আহমেদের পরিচালনায় অভিনয় শুরু করেন। তার পরিচালিত শ্যামল ছায়া সিনেমায় অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল।

এ ছাড়াও অনেকগুলো ধারাবাহিক নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি। সালাউদ্দিন লাভলুর সাড়া জাগানো নাটক ‘রঙের মানুষ’ ও মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীর জনপ্রিয় নাটক ‘৬৯’- এ সাবলীল অভিনয় করে দর্শকনন্দিত হন।


আরও খবর



বস্ত্রখাতের পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যাতে বস্ত্রখাতের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিআইসিসিতে জাতীয় বস্ত্র দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছি- বিভিন্ন শ্রম আইন, নানান বিষয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করে এই শিল্পের (বস্ত্রশিল্প) গোড়ায় আঘাত দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বৈদেশিক বাণিজ্য এখন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। রপ্তানি পণ্যের বাজার এবং পণ্যের সংখ্যা বাড়াতে হবে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মার্ট টেক্সটাইল সেক্টর গড়ে তোলা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকরাই উৎপাদনমুখী শিল্পের চালিকাশক্তি। কারখানা ও শ্রমিক একে-অপরের পরিপূরক। শ্রমিক ভালো থাকলে কারখানা ভালো থাকবে। মনে রাখতে হবে আপনারা শুধু মুনাফার জন্য ব্যবসা পরিচালনা করছেন না। সামাজিক দায়িত্বের বিষয়টিকে আপনাদের গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে।


আরও খবর