Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

যাত্রাবাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মে ২০23 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। 

শুক্রবার ১৯ শে মে সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কাজলায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।বিশেষ অতিথি ছিলেন,কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি ঢাকা-৫ ও মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল,সাধারণ সম্পাদক  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনয় ছিলেন এইচ এম রেজাউল করিম রেজা ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, টানা ১৫ বছরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশকে এখন উন্নয়নশীল দেশের পথে নিয়ে এগিয়ে চলছে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার হাত ধরে প্রতিদিন উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশ। এই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে  বিএনপি জামাতের দোসর'রা।সেই তারা দিন দিন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে চলেছে। তাই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে এক হয়ে এই দোসরদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান তিনি।সংসদ সদস্য কাজী মনু বলেন,জামায়াত বিএনপি এদেশকে ধংস করার যে পায়তারা করছে তা পারবে না। তাদের সে স্বপ্ন পুরন হবে না। তিনি জামাত বিএনপি'রকে উদ্দেশ্য করে বলেন তোমাদের জন্য  যুবলীগই যথেষ্ট। তোমরা সাবধান হয়ে যাও। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে মির্জা আজম বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যে দলের জন্ম দিয়েছিল তারা আবার গনতন্ত্র শেখায়। এই জিয়া আমৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ক্ষতি করছে। বিএনপি'র আমলে আ’ লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। তাদের ক্ষমতা কালে খুন ধর্ষন চাদাবাজি অগ্নিযোগ করে এদেশকে ৫ বার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছিল। তাদের ভয়ে নারীরা ঘরে থাকতে পারেনি।

বিএনপি'র আমলে বাবার সামনে মেয়েকে, ছেলের সামনে মাকে ধর্ষন করেছিল। আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক নেতাদের খুন করে আওয়ামী লীগকে পঙ্গু করতে চেয়েছিল এই বিএনপি । নির্মমভাবে খুন করেছিল খুলনার মনজুরুল  ইমামকে, গাজিপুরের জনপ্রিয় আওয়ামী লীগের নেতা আহসানুল হক মাষ্টারকে। এতে ও তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি, তারা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার উপরে ১৩ টি গ্রেনেট হামলা করেছিল।

এই বিএনপি, আওয়ামী লীগের নেতাদের খুন করে আবার সেই খুনের জন্য নেতাকর্মীদের সাক্ষী করতে চাপ প্রয়োগ করেছিল। আজ তারা গনতন্ত্র শিখায়।

তিনি আরো বলেন, তত্বাবধায়ক সরকার তো খালেদা জিয়া বিশ্বাস  করেননি। তিনি জোর করে নির্বাচন করে সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগের  আন্দোলনে সেই সরকার টেকেনি।     বিএনপি জামাত ২০১৫ সালে হঠাৎ করে স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা শুরু করে। যেমন করেছিল তারাদের পূর্বপুরুষেরা। ৭১ সালে এদেশের মেধাকে ধ্বংস করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল।

আজম বলেন, তারা আজ বিদেশী প্রভুদের কোলে বসে শেখ হাসিনারকে বিদায় করতে ষড়যন্ত্র করছে। যা এদেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাদের সেই ষড়যন্ত্রের সাড়া এদেশের মানুষ কক্ষনো দিবে না । আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে বলে জানান।অনুষ্ঠানেও আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক, উপ দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, শামীম আহম্মেদসহ আওয়ামী যুবলীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।

এ সময় 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু' শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

হাসপাতালে ভর্তি শামীম ওসমান

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




কোটা সংস্কারের দাবিতে সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image
জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:চলমান কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগে সরকারি পরিপত্র বহাল রাখার দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষনা করে নীলফামারীর সৈয়দপুরে মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বেলা ৩ টায় শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়কের জিআরপি মোড়ে ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধন করেন তারা।জুম্মার নামাজ শেষে বৈষম্য বিরোধী নানা ফেস্টুন ও ব্যনার নিয়ে উল্লেখিত স্থানে জড়ো হয় হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে, সুযোগের সমতা নিশ্চিতের দাবি জানান তারা। এই সময় বক্তব্য দেন মো: রিফাত, মো: শান্ত, সুজন ইসলাম, সিয়াম হোসেন প্রমূখ।আন্দোলনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে  বলেন, দেশ এখন স্মার্ট আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ থেকে প্রতিনিয়ত মেধাবীরা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে আসছে। আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি হবে দেশের মেধাবীরা। সেজন্য মেধার সর্বাত্মক সুযোগ বজায় রাখা কাম্য।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, দেশের সর্বস্তরে কোটা সংস্কার বিষয়ক যেসব আন্দোলন হচ্ছে তা যৌক্তিক। মেধার মুল্যায়ন না হলে দেশে শিক্ষার কমে যাওয়ার আশংকা অনেক। তাই মেধার মুল্যায়ন করতে হবে।  সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে। মেধার মূল্যায়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার জানান আন্দোলনকারীরা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



ভারতকে ট্রানজিট দিলে ক্ষতি কী হচ্ছে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভারতকে আমরা ট্রানজিট দিলাম কেন? এটা নিয়ে নানান প্রতিক্রিয়া, বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আমাদের ট্রানজিট-তো আছেই। ত্রিপুরা থেকে বাস চলে আসে ঢাকায়, ঢাকা হয়ে কলকাতা পর্যন্ত তো যাচ্ছে। এতে ক্ষতিটা কী হচ্ছে? বরং আমরা রাস্তার ভাড়া পাচ্ছি। সুবিধা পাচ্ছে আমাদের দেশের মানুষ। অনেকে অর্থ উপার্জনও করছে।

বুধবার (৩ জুলাই) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর যেসব রেলপথ, নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ ছিল সেগুলো আমরা উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। বিশ্বায়নের যুগে আমরা নিজেদের দরজা বন্ধ করে রাখতে পারি না।

তিনি বলেন, আজ পৃথিবীটা গ্লোবাল ভিলেজ, একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, এগুলোর দরজা বন্ধ করে থাকা যায় না। আমাদের ট্রান্স-এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রান্স-এশিয়ান রেলের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে একটা যোগাযোগ হচ্ছে। আমরা নেপাল-ভুটানের সঙ্গে ট্রানজিট করেছি ভারতে। এটা-তো কোনো একটা দেশ না, আঞ্চলিক ট্রানজিট সুবিধা এবং যোগাযোগ সুবিধার জন্য করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ নেপাল থেকে আমরা জলবিদ্যুৎ কেনা শুরু করতে যাচ্ছি। সেখানে গ্রিড লাইন করা, আমরা সেই চুক্তি করেছি। সেটা আমরা কার্যকরও করছি। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর যেসব রেলপথ, নৌপথ যোগাযোগ বন্ধ ছিল, সেগুলো আমরা উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। আজ ভারত রেল নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ভুটান থেকে একটি রাস্তা যাচ্ছে মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ড পর্যন্ত। অথচ সেই রাস্তাটা যাচ্ছে বাংলাদেশকে বাইপাস করে। বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে যে রোড হচ্ছে তা থেকে বিচ্ছিন্ন, কেন আমরা বিচ্ছিন্ন থাকব? ভারত চাচ্ছিল ভুটান থেকে এই রাস্তাটা বাংলাদেশ হয়ে, ভারত হয়ে মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ড যাবে। আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ সব কিছু কত সুবিধা হতো। সেটাও খালেদা জিয়া নাকচ করে দিয়েছিল। এই হলো অবস্থা। আমি প্রথমবার সরকারে এসে অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা যুক্ত হতে পারিনি।

ভারত থেকে পাইপলাইনে তেল নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আসামের রুমালিগড় থেকে পাইপলাইনে তেল নিয়ে এসেছি। পার্বতীপুর ডিপোতে সেই তেল আসছে। ক্ষতিটা কী হয়েছে? বরং আমরাই কিন্তু সস্তায় কিনতে পারছি। আমাদের দেশের জন্য, ওই অঞ্চলের মানুষের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারি। উত্তরাঞ্চলে কোনো শিল্পায়ন হয়নি, এখন শিল্পায়নে আমরা যেতে পারি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রও আমরা নির্মাণ করেছি। আমরা নিজেদের দরজা তো বন্ধ করে রাখতে পারি না। এটাই কথা।

খালেদা জিয়া মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার সুযোগ নষ্ট করেছেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কী সমস্যা দেশের জন্য করেছে দেখেন, মিয়ানমারে সেখানে গ্যাস ফিল্ডের গ্যাস, ভারত, চীন, জাপান সবাই চাচ্ছে। এই গ্যাসকে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ভারতে নিয়ে যাবে। এই নিয়ে যাওয়ার সময় গ্যাস থেকে আমরা একটা ভাগ নেব। তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামসহ ওই এলাকায় আমাদের গ্যাসের কোনো অভাবই হতো না। খালেদা জিয়া সেটা নিতে দেয়নি। কেন দেয়নি?

তিনি বলেন, আজ সেই গ্যাস নিচ্ছে চীন। আর কোনো দেশ-তো নিতে পারছে না। আমরা সরকারে আসার পর কথা বলেছিলাম মিয়ানমারের সঙ্গে, আনতে পারি কি না। কিন্তু সেটা সম্ভব না। তারা এটা অলরেডি দিয়ে দিয়েছে।


আরও খবর



মিজান গ্রুপের বাধায় শরিফ উদ্দিনের সংবর্ধনা পন্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৫৮জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলা  বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  মিজান গ্রুপের বাধায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য  শরিফ উদ্দিনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে গেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলা কৃষক দলের আয়োজনে তানোর পৌর এলাকার গোকুল গ্রামের বিএনপি নেতা বাদলের খৈলানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু সোমবার দুপুর থেকেই মিজান গ্রুপের নেতাকর্মীরা পৌর এলাকার বিভিন্ন মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়। উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় নির্ধারিত স্থানে সভা করতে পারেনি শরিফ গ্রুপ। সংবাদ পেয়ে উভয় গ্রুপকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন পুলিশ প্রশাসন। বিএনপির কঠিন সময়ে নিজেদের এমন দ্বন্দ্বে চরম ভাবে হতাশ তৃনমুলের নেতাকর্মী রা।
দলীয় সুত্রে জানা গেছে,  বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তানোর উপজেলা কৃষক দল। অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন কৃষক দলসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার বিকেলের দিকে পৌর এলাকার গোকুল গ্রামের বিএনপি নেতা বাদলের খৈলানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। এদিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠান পন্ড করতে পৌর এলাকার বিভিন্ন মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয় মিজান গ্রুপের নেতাকর্মীরা। 
প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাওয়ার অবস্থা ছিল চাপড়া ব্রীজ পার হয়ে গোকুল মোড় দিয়ে এবং তালন্দ বাজার দিয়ে। চাপড়া ও তালন্দ বাজারে অবস্থান নেয় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মিজান গ্রুপের নেতাকর্মীরা। তালন্দ বাজারে দুই গ্রুপের মধ্যে মারপিট ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে নেতাকর্মীর দিকবিদিক ছুটাছুটি শুরু করেন। 
এদিকে কলমা ইউপির দিক থেকে গাড়ী বহর নিয়ে অনুষ্ঠানে আসছিলেন শরিফ উদ্দিন। তিনি সুমাসপুর ও হরিদেবপুর গ্রামের মাঝখানে গাড়ি বহর নিয়ে আটকা পড়েন। পরিবেশ শান্ত করার জন্য পুলিশ সেখান থেকে তাদেরকে সরিয়ে দেন।শরিফ উদ্দিন হ্যান্ড মাইকে নেতাকর্মীদের কলমা বাজারের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তার কথা মত নেতাকর্মীরা কলমা বাজারে রওনা হয়।কামারগাঁ ইউপির বেশকিছু তৃনমুলের নেতাকর্মীরা তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তার তালন্দ সুমাসপুর মোড় পার হয়ে পৌর এলাকার শেষ সীমানায় অবস্থান নেয়। তারা জানায় গোকুল গ্রামে অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মিজান গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং মারপিটসহ বাইকে আঘাত করে। কোনভাবেই সভাস্থলে যেতে দেয়নি। পরে পুলিশ এসে সবাইকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করে অন্যদের কাছে হাসির পাত্র হয়েছি। দীর্ঘ দিন পর একটা সভা তাও আবার নিজেদের জন্য পন্ড হয়ে গেল।

সুমাসপুর গ্রাম পার হয়ে তালন্দ কলমা রাস্তায় দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক আব্দুর রশিদ ও সদস্য সচিব আব্দুল মালেক অবস্থান করছিলেন। তারা জানান, মিজান গ্রুপ সভা পন্ড করার জন্য ক্ষমতা সীন দলের এজেন্ট বাস্তবায়ন করেছেন। সে নিজ গ্রাম ও কিছু সোন্ডা পান্ডাদের দিয়ে এমন ঘটনার জন্ম দিয়ে নতুনভাবে বিভেদ সৃষ্টি করলেন। এর মাসুল তাকে দিতেই হবে।দুপুরে দিকে মালেক তার ফেসবুক আইডিতে সভার প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে পোস্ট করেন। সেখানে মিজান গ্রুপের কয়েকজন কমেন্ট করে লিখেন মিজান বাহিনী মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছে।দুপুরের দিকে মিজানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ঢাকায় আছি, এসব বিষয়ে কিছুই জানিনা।শরিফ উদ্দিনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কোন কথা না বলে কলমা বাজারে যেতে নেতাকর্মী দের আহবান করেন। কলমা বাজারে শরিফ উদ্দিন কে সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং পরবর্তী তে তানোর পৌরসভায় সভা করবেন বলে জানান নেতাকর্মীরা।জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী বিশ্বনাথ সরকার বলেন, তানোর ও গোদাগাড়ী তে লবিং গ্রুপিংয়ের রাজনীতি শুরু করেছেন মেজর শরিফ উদ্দিন। যার কারনে আজকে এমন ঘটনার সুত্র পাত হয়েছে। তবে সভা পন্ড করা সঠিক হয়নি।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, উভয়গ্রুপকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করা হয়েছে। বর্তমানে কোন উত্তেজনা নেই, পরিবেশ আমাদের অনুকূলে রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও খবর



ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সহজ হয়, উদ্যোক্তারা যাতে উৎসাহ পায়, আমরা সর্বদা সেই কাজই করছি,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আমাদের সরকার ব্যবসায় নানা প্রণোদনা প্রদান করে আসছে।

‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’ প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আজ (১৪ জুলাই) এই রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে সফল রপ্তানিকারকদের আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনা করে আমরা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নে রপ্তানি বাণিজ্যের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বিশ্ববাজারে দেশীয় উৎপাদিত মানসম্পন্ন পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বিশ্ব অর্থনীতির এ কঠিন সময়েও পণ্য ও সেবাখাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ৬৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয়েছে।

২০২৭ সালে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এবং রপ্তানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি সেবা খাতের সম্প্রসারণ ও রপ্তানিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন, পণ্য খাতের মতো সেবা খাতেও আমরা সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান কার্যক্রম দেশের রপ্তানিকারকদের উৎসাহ প্রদানসহ রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রদত্ত এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে রপ্তানির চলমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ প্রদান অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



নবীনগরে রাস্তার দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারের নবীনগর টু কোম্পানীগঞ্জ সড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯ টা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রথমে স্থানীয় অবৈধ দখলদারদের বাধায় উচ্ছেদ অভিযান কিছুটা ব্যাহত হলেও পুলিশের জোড়ালো ভূকিকায় কিছুক্ষণ পর থেকে শক্তিশালী ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা। এতে টানা সাত ঘণ্টার অভিযানে রাস্তার দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা কয়েক শতাদিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত হয়।


উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম। উচ্ছেদ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন, উপজেলার সহকারী কমিশনা ভূমি আবু মোছা, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার শিউলী, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি সহ প্রায় শতাদিক পুলিশ সদস্য।


এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম জানান, দোকানগুলো সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্বে ব্যবসায়ীদের একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করে এসব অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও সেটি মানা হয়নি। ফলে বিধি অনুযায়ী এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য স্থানীয়দের সচেতন থাকার আহ্বান জানান।


এব্যাপারে জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন জানান, আগামীতে এই বাজারের মধ্য দিয়ে ফোরলেনের রাস্তা নির্মাণ করা হবে। ফলে আমাদের জায়গাগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন হয়ে পড়ায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেক্রমে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।


জানা যায়, এই বাজারটি কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থান ছিল না, বরং এটি উপজেলার কয়েক হাজার পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস ছিল। এই বাজার উচ্ছেদের ফলে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও কর্মী বেকার হয়ে পড়েছে। এতে করে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ তাদের পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি। বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে আচমকা এ অভিযানে তাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হওয়ার নয়।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর