Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

ভ্যাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে কোটিপতি ভ্যানচালক!

প্রকাশিত:Thursday ২৩ December ২০২১ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৩৮জন দেখেছেন
Image

পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি তিনি। ভ্যান চালিয়ে চার মেয়ে ও স্ত্রীসহ ছয়জনের পরিবারের অন্নের সংস্থান করতেই হিমশিম খাচ্ছিলেন। কীভাবে মেয়েদের বিয়ে দেবেন, ভেবে কূলও পাচ্ছিলেন না। অবশেষে লটারির টিকিট তার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিলো। মাত্র ৬০ টাকার টিকিটি কেটে এখন কোটিপতি ভারতের পশ্চিবঙ্গের ভ্যানচালক দীপক দাস।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে কাজের ফাঁকে ৬০ টাকা দিয়ে লটারি কেটেছিলেন দীপক দাস। কাজ সেরে বাড়ি ফেরার সময় লটারির দোকানে টিকিটের নম্বর মেলাতেই দেখেন, প্রথম পুরষ্কার স্বরূপ তিনি জিতে গেছেন ১ কোটি টাকা। লটারি জিতে কোটি টাকা পাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাবেননি এই ভ্যানচালক।

উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের বরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় বরুয়া এলাকার বাসিন্দা দীপক জানান, প্রতিদিন রায়গঞ্জ শহরে ভ্যান চালিয়ে কোনো রকমে অন্নের সংস্থান করতেন। ফলে চার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য তার ছিল না। তাই সুদিনের আশায় ও মেয়েদের ভালোভাবে বিয়ে দিতে বছর দেড়েক ধরে ভাগ্য পরীক্ষা করতে শুরু করেন তিনি।

তিনি বলেন, মোটা অঙ্কের টাকা প্রাপ্তির আশায় প্রতিদিনের উপার্জন থেকেই কিছু টাকা দিয়ে লটারির টিকিট কাটা শুরু করেন। মাঝে দু-একবার সামান্য কিছু টাকা পেলেও বেশির ভাগ দিনই টিকিট কাটার টাকা জলে যেতো। তবু আশা ছাড়েননি তিনি। অবশেষে মঙ্গলবার তার ভাগ্যে শিকেয় ছিঁড়ল!

লটারিতে কোটি টাকা পেয়ে বিলাসিতা নয়, মেয়েদের ভালোভাবে বিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য ভ্যানচালক বাবার। দীপক দাসের কথায়, ‘চার চারটি মেয়ে। কীভাবে মেয়েদের বিয়ে দেবো, বুঝতে পারছিলাম না। দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটছিল। অবশেষে ভগবান মুখ তুলে চেয়েছেন। এখন চার মেয়ের ধুমধাম করে বিয়ে দিতে পারব।’

এদিকে, দীপক দাসের কোটিপতি হওয়ার খবর মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে গোটা গ্রামে। এরপরেই নিরাপত্তাহীনতা গ্রাস করে ওই ভ্যানচালক ও তার পরিবারকে। আশঙ্কায় মঙ্গলবার রাতেই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে রায়গঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন দীপক দাস। পুলিশ অবশ্য তাকে নিরাশ করেনি। নিরাপত্তাসহ সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে।

দীপক দাসের প্রতিবেশী রিপণ সরকার বলেন, ‘দিনমজুর, হতদরিদ্র ভ্যানচালক দীপক দাস ১ কোটি টাকার লটারি পাওয়ার খবর শোনা মাত্রই রায়গঞ্জ থানার পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দেওয়া ও টাকা ঠিকমতো হাতে পাওয়ার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’


আরও খবর



ফ্যাটি লিভারের যে লক্ষণ রাত হলেই দেখা দেয় হাত-পায়ে

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

বর্তমানে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। লিভারের এই রোগ প্রাথমিক অবস্থায় নিয়ন্ত্রণে না আনলে যকৃত সঠিকভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর থেকে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা বেড়ে যায়।

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের তথ্যমতে, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হলে লিভারে অতিরিক্ত পরিমাণে চর্বি জমা হয়। যদিও একটি সুস্থ লিভারে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চর্বি থাকে। তবে যদি পরিমাণটি লিভারের ওজনের৫-১০ শতাংশের বেশি হয় তাহলে তা অিতিরিক্ত চর্বি হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিভিন্ন সমীক্ষার তথ্য অনুসারে জানা যায়, ফ্যাটি লিভারের রোগীদের মধ্যে ৭-৩০ শতাংশ মানুষের মধ্যে এর লক্ষণগুলো গুরুতর অবস্থা ধারণ করে। ফলে লিভার আরও ফুলে যাওয়া, লিভারের টিস্যুতে দাগ পড়া, এমনকি পেটেও কালচে ছোট পড়ে। ফ্যাটি লিভার থেকে এক সময় লিভারের সিরোসিসও হতে পারে।

যদিও ফ্যাটি লিভার রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। তবে অ্যালকোহল পানের কারণে অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়ে থাকে। অন্যদিকে ভুল জীবনধারণ ও খাদ্যভ্যাসই মূলত নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের অন্যতম কারণ।

নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রথমদিকে কোনো উপসর্গ টের না পেলেও পরবর্তী সময়ে এটি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে।

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ জানান, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ব্যাক্তিরা সন্ধ্যা বা রাতে হাত-পায়ের তালুতে ‘চুলকানি’ অনুভব করে। এটি সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয় কারও। এটি হতে পারে ফ্যাটি লিভারের অন্যতম এক গুরুতর লক্ষণ। নিয়মিত এই সমস্যা দেখলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

যদিও মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুসারে, ফ্যাটি লিভারের রোগে চুলকানি একটি বিরল ঘটনা, এটি প্রাথমিক বিলিয়ারি সিরোসিস (পিবিসি), প্রাথমিক স্কলেরোসিসসহ অন্যান্য ধরনের লিভারের রোগের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ।

কেন এমন চুলকানি হয়?

বিজ্ঞানীরা এখনও লিভারের রোগের সঙ্গে যুক্ত চুলকানির কারণ শনাক্ত করতে পারেননি। তবে কিছু বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন, যাদের যকৃতের রোগ আছে তাদের ত্বকের নীচে পিত্ত লবণের উচ্চ মাত্রা থাকায় চুলকানির সৃষ্টি হতে পারে।

লিভারের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কেন চুলকানি অনুভব করেন তার পেছনে আরেকটি কারণ হতে পারে সিরাম অ্যালকালাইন ফসফেটেস (এএলপি)। এটি একটি এনজাইম যা রক্তে পাওয়া যায় ও শরীরে প্রোটিন ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে)।

চুলকানি প্রতিরোধে করণীয়

>> হালকা সুগন্ধিমুক্ত সাবান বেছে নিন।
>> গোসলের সময় হালকা গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
>> চুলকানির জায়গায় একটি ঠান্ডা বা ভেজা কম্প্রেস প্রয়োগ করুন।
>> রোদ বা গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলুন।
>> ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

ফ্যাটি লিভারের আরও যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন-

মায়ো ক্লিনিকের মতে, এ রোগ সাধারণত কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ সৃষ্টি করে না। তবে ফ্যাটি লিভারের রোগীরা নিযমিত ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও উপরের ডানদিকে পেটে অস্বস্তি অনুভব করেন। এছাড়া আরও কিছু লক্ষণও দেখা দেয় যেমন-

>> পেট ফুলে যাওয়া
>> ত্বকের নীচে রক্তনালি দেখতে পাওয়া
>> বর্ধিত প্লীহা
>> হাত-পায়ে লাল তালু
>> জন্ডিস

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, অ্যালকোহল সেবন সীমিত করা ও ধূমপান ত্যাগ করা জরুরি।

একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট বেছে নিন, যাতে বেশি ফল ও সবজি ও কম প্রক্রিয়াজাত, তৈলাক্ত খাবার থাকে। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো রোগ আছে তারা অবশ্যই নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন ও মেডিকেল চেকআপের মধ্যে থাকবেন।


আরও খবর



জুমার দিন নামাজে কোন কাতারে দাঁড়াবেন?

প্রকাশিত:Friday ১৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

দুনিয়ার কর্মব্যস্ততা রেখে মুমিন মুসলমান জুমার দিন মসজিদে উপস্থিত হয়। সপ্তাহের সেরা দিনের ফজিলত পেতে অনেকে ব্যস্ততা নিয়ে হলেও জুমার নামাজ আদায় করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে মাসজিদের কোনো কাতার এবং কাতারের কোন অংশে নামাজ পড়ার ফজিলত বেশি। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের আগে জেনে নিই কোন কাতার ও স্থানে নামাজ পড়ার ফজলিত কী?

নামাজের কাতার ও অবস্থানের ফজিলত
১. প্রথম কাতারে নামাজ পড়া দ্বিতীয় কাতারে নামাজ পড়ার চেয়ে উত্তম।
২. আর প্রত্যেক কাতারের ডান দিকের মর্যাদা বাম দিকের চেয়ে উত্তম।
৩. আল্লাহ তাআলা প্রথম কাতার এবং কাতারের ডান দিকের উপর রহমত বষর্ণ করেন।
৪. ফেরেশতাগণ প্রথম কাতারের এবং কাতারের ডানদিকের লোকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
৫. নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাতের প্রথম কাতারে নামাজ পড়া ব্যক্তির জন্য বিশেষ দোয়া করেছেন।
৬. নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম কাতারের মুসল্লিদের জন্য তিনবার ও দ্বিতীয় কাতারের মুসল্লিদের জন্য একবার দোয়া করেছেন।

জুমার দিন এ মর্যাদা ও পুরস্কারগুলো পেতে সবার আগে মসজিদে যাওয়ার বিকল্প নেই। নামাজের আজান হওয়ার আগেই নামাজের প্রস্তুতি নিতে হবে। আগে আগে ধীর পদে মসজিদে গিয়ে প্রথম কাতারের ডান দিকে অবস্থান গ্রহণ করায় মিলবে বিশেষ মর্যাদা ও পুরস্কার।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে তাঁর রহমত কামনায় প্রথম কাতারের নামাজ আদায়ের জন্য তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



ঢাকা চাকরির সুযোগ দিচ্ছে নাদিয়া ফার্নিচার

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেডে ‘এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড
বিভাগের নাম: ডিস্ট্রিবিউশন

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ/ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩০-৪০ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (সাভার)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা [email protected] অথবা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৬ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বাস্তুচ্যুতির শঙ্কায় এক কোটি ৩৩ লাখ বাংলাদেশি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘জলবায়ু প্রভাবিত অভিবাসন গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে, যা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন অর্থাৎ প্রায় এক কোটি ৩৩ লাখে পৌঁছাতে পারে। বিশ্বব্যাংকের মতে, এটি দেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসনের প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। এ ধরনের বাস্তুচ্যুতি ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরের ওপর ভারি বোঝা তৈরি করছে।’

সোমবার (২৫ জুলাই) ‘হিউম্যান মোবিলিটি ইন দ্য কনটেক্সট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ: টুওয়ার্ডস অ্যা কমন ন্যারেটিভ অ্যান্ড অ্যাকশন পাথওয়ে’ শীর্ষক নীতিবিষয়ক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ মনে করে যে, জলবায়ু প্রভাবিত লাখ লাখ অভিবাসীদের দুর্দশা অবশ্যই যথাযথ ফোরামে তুলে ধরতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আলোচনায় নারী ও শিশু-সংবেদনশীল বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’

সংলাপে জলবায়ু অভিবাসনের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ ও জরুরি পদক্ষেপ কামনা করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে সংবেদনশীল যে, জলবায়ু প্রভাবিত জোরপূর্বক অভিবাসন দেশের সীমানার বাইরে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে।’

মোমেন বলেন, ‘গ্লাসগোতে গত কপ২৬ সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন, বন্যা ও খরার কারণে বাস্তুচ্যুত জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য বিশ্বব্যাপী দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজারে ব্যাপক পরিবেশগত ক্ষতি জেনেও বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে। সরকার এ দুটি বাস্তুচ্যুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতিপথকে ত্বরান্বিত করছে। এমন পরিস্থিতিতে জলবায়ু অভিবাসী ইস্যুটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উপেক্ষা করতে পারে না।’

এ সংলাপের উদ্দেশ্য ছিল- জলবায়ু পরিবর্তন-অভিবাসন সংক্রান্ত বৈশ্বিক অ্যাজেন্ডাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য উপায়গুলো চিহ্নিত করা।

এ লক্ষ্যে সব স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করা, যাতে চলতি বছরের নভেম্বরে মিশরে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (কপ২৭) উপস্থাপন করা যায়।

সংলাপটি সরকার, সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মিডিয়ার বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার একটি ফোরাম হিসাবে কাজ করেছে।


আরও খবর



আল্লাহকে স্মরণ করার উপকারিতা

প্রকাশিত:Saturday ১৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

কোরআনুল কারিমে এসেছে, , ‌‘অতএব তোমরা আমাকে স্মরণ কর আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।' বান্দা কেন আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করবে? তাঁকে স্মরণ করার উপকারিতাই বা কী? এ সম্পর্কে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী বলেছেন?

আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করলে তিনি বান্দার গুনাহ মাফ করে দেন। ফলে বান্দা তাঁর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হয়। হাদিসে জিকিরের অনেক উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলো-

১. হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলোচ্য আয়াত সম্পর্কে বলেন, ‌আল্লাহ তাআলা বলেন- হে বান্দাগণ! তোমরা আমাকে আমার ইবাদাতের মাধ্যমে স্মরণ কর। অর্থাৎ আমার ইবাদাত করতে থাক, আমি মাগফিরাত দানের মাধ্যমে তোমাদেরকে স্মরণ করব তথা তোমাদের গোনাহ মাফ করে দেব।

২. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বান্দা আমাকে যেমন মনে করে আমি তার জন্য তেমনই হয়ে থাকি। আর সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার হয়ে যাই।’

৩. হজরত আবদুল্লাহ শাকিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তির অন্তরে দুটি কক্ষ আছে। একটিতে ফেরেশতা থাকে এবং অপরটিতে শয়তান। যখন মানুষ আল্লাহর জিকিরে মশগুল হয় তখন শয়তান দূরে সরে যায় এবং যখন জিকির থেকে গাফেল হয়ে পড়ে, তখন শয়তান নিজের ঠোঁট তার অন্তরে স্থাপন করে এবং কু-মন্ত্রণা দিতে থাকে।

আল্লাহর জিকিরই গাফলতকে দূর করে দেয় এবং গাফলতের কারণেই মূলত অন্তর কঠোর হয়ে যায়। গাফলত থেকে বিজয়ী হওয়ার উপায় স্বরূপ হাদিসের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ মুসলিম থেকে ছোট্ট আরও একটি হাদিস তুলে ধরছি-

৪. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মোফরাদ’ ব্যক্তিগণ বিজয়ী হয়ে গেছে। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! মোফরাদ ব্যক্তি কারা? তিনি বললেন, ‘অধিক পরিমাণে জিকিরকারী নারী ও পুরুষ।

আল্লাহ তাআলার ঘোষণা, ‘যদি তোমরা আমাকে স্মরণ কর; তবে আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।’ এ আয়াতের ঘোষণা মোতাবেক মুসলিম উম্মাহর উচিত, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকা। আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালনা করা। তবেই আল্লাহ তাআলার প্রিয় বান্দা হিসেবে সাফল্য লাভ করা সম্ভব।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রতিটি কর্মে তার কর্মনীতি অনুসরণ তথা তাকে স্মরণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর