Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

ভোলায় মেঘনার পাড়ে মরুভূমি, গরিবের দুবাই

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৩০৫জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা:ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর বাজার থেকে কিছুদূর শান্তিরহাট এলাকায় গিয়ে বেড়িবাঁধের উপর দাঁড়ালেই চোখে পড়বে মেঘনা নদী। তীরে এসে আছড়ে পড়ছে নদীর ঢেউ। এর পাড় ঘেঁষেই দেখা যাবে বিশাল এলাকাজুড়ে বালু আর বালু। এ যেন বালুর মাঠ। মাঝখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি বেশ কয়েকটি খেজুর গাছ। একদিকে মেঘনা নদীর বড় বড় ঢেউ, অন্যদিকে মরুভূমির মতো কয়েক মাইল এলাকাজুড়ে বালু। চারিদিকে খোলা জায়গা। দখিনা বাতাস। সারি সারি খেজুর গাছ। এই সৌন্দর্যে বিমোহিত না হয়ে উপায় নেই। দেখতে ঠিক যেন আরব্য মরুভূমি। এ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন দূর দুরান্ত থেকে ঘুরতে আসেন বিভিন্ন বয়সী এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষ। কেউ বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আসছেন। কেউ আবার পরিবার-পরিজন নিয়ে আসছেন। তারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘোরাঘুরি করছেন। ছবি তুলছেন আর খেলাধুলা করছেন। মেঘনা নদীর পাড়ের এই জায়গাটি এখন দর্শনীয় স্থানে রুপ নিয়েছে। আগন্তুকদের কাছে পরিচিতি পেয়েছে গরিবের দুবাই নামে।

কেউ বলছেন ভোলার মরুভূমি। তাইতো যারা এখানে ঘুরতে আসেন তারা সবাই ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে লিখছেন আমরা এখন ভোলার মরুভূমিতে। একই জায়গায় ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে অনেকে লিখছেন আমরা এখন আরবের মরুভূমিতে আছি। সদরের বাইরে থেকে বালুর মাঠে এসে সেখান থেকে ফিরে কেউ কেউ আবার লিখছেন ঘূরে এলাম দুবাই থেকে। গত বুধবার (৩১ মে) দৌলতখান থানার ওসি মোঃ জাকির হোসাইন শিবপুরের শান্তিনগর এলাকায় এসে স্বপরিবারে ঘুরে তিনিও ছবি তুলে তার আইডিতে লিখেছেন ’ঘূরে এলাম দুবাই থেকে’। এ স্পটটিকে ঘিরে গরিবের দুবাই নামে পরিচিত সেই বালুর মাঠে ছোট ছোট বিভিন্ন দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকানে চা, পান, সিগারেট, চিপস ও ফুসকা বিক্রি হচ্ছে।শুক্রবার দুপুরে সেই বালুর মাঠে একঝাঁক সংবাদকর্মী নিয়ে ঘুরতে এসে নদীর পাড়ের তাজা ইলিশ মাছ ভাজা ও রান্না করে খাচ্ছেন আর আনন্দ করছেন ভোলার স্থানীয় দৈনিক ভোলার বাণী পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ভ্রমন পিপাসূদের জন্য আকর্ষণীয় স্পট শান্তির হাটের বালুর মাঠ। এ যেন প্রকৃতির অপরুপ ছোঁয়া। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলে পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটানো যেত বলেও মনে করছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে ওই স্পটে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা দৌড়াদৌড়ি করছে। কয়েকজন তরুণ বালুর মাঠে ফুটবল খেলছে। বিভিন্ন বয়সী শিশু, নারী ও পুরুষরা ভিড় জমিয়েছেন।

এদের মধ্যে কেউ ছবি তুলছেন। কেউবা লাইভ করছেন। খোলা মাঠে বইছে দখিনা বাতাস। তীরে এসে আছড়ে পড়ছে নদীর ঢেউ। এমন অপরূপ দৃশ্য আর মনোরম পরিবেশ টেনে নিয়ে আসছে দর্শনার্থীদের। স্থানীয়রা জানান, চায়নারা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাটে মেঘনা নদীর তীরে একটি প্রকল্প গ্রহন করেন। যেখানে ইপিজেডসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে।এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত প্রায় চার বছর আগে এই এলাকায় প্রায় দেড় শতাধিক একর জমি ক্রয় করে। গত প্রায় ৬ মাস আগে ওই এলাকাটিকে মেঘনা থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সেই বালু দিয়ে ভরাট করে। ফলে এলাকাটি বর্তমানে বালুর মাঠে পরিনত হয়েছে। এরপর থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। তারা বালুর মাঠে সারি সারি খেজুর গাছ আর মেঘনা নদীর ঢেউসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। ছবি তুলে নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। এ এলাকাটি দর্শনার্থীদের কাছে এখন আকর্ষনীয় স্পটে পরিনত হয়েছে। তারা আকর্ষনীয় ও দর্শনীয় এ স্পটের নাম দিয়েছেন ’গরিবের দুবাই’। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শান্তির হাটের বালুর মাঠ এলাকায় মানুষের যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে। বালুর মাঠে অবস্থিত ফুসকা দোকানি সাগর বলেন, আমার বাড়ি শিবপুর ইউনিয়নে।আমি ২০২১ সাল থেকে ফুসকা বিক্রি করছি। তবে, দেড় মাস আগে গত রমজানের ঈদের পর থেকে মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। প্রতিদিন ১ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকার ফুসকা, ঝালমুড়ি, চিপস বিক্রি করছেন তিনি।

এ বিষয়ে শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, গত কয়েক আগে চায়নারা সেখানে বালু দিয়ে ভরাট করে কিছু জমি সেল (বিক্রি) করছে। আবার কিছু জমিতে ফ্যাক্টরি নির্মাণ করবে।শিবপুরের বাসিন্দা ও ভোলা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ইউনুস বলেন, এই তীব্র গরমের মধ্যে ভোলায় আসলে একটু ঘোরার মতো তেমন কোন জায়গা নেই। তাই চায়না কোম্পানির ক্রয় করা ওই জমির একপাশে মেঘনা নদীর ঢেউ আরেক পাশে বালুর মাঠ। মাঠের মধ্যে আবার কিছু সারি সারি খেজুর গাছ। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসছে এখানে। ফলে এটি এখন তাদের একটা আকর্ষণীয় স্পট হিসাবে পরিনত হয়েছে। তবে, গত কয়েকদিন ধরে বালুর মাঠে মানুষের যাতায়াতের উপর অনেকটা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রহরি মো: ঝিলন বলেন, অনেজে এখানে এসে বালুর বস্তা কেটে ফেলে। আবার অনেকে মাদক সেবন করে মাতলামি করছে। তাই, ১ জুন থেকে ভেতরে প্রবেশে নিষেধ করেছে চায়না কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



আমরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৯২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রতি ইঞ্চি জায়গা আবাদ করতে হবে। আমরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবনে স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যতটুকু সম্পদ আছে, তা দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রতিটি গ্রামই শহরের মতো গড়ে তুলব। আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পদ্মা সেতু করেছি। এখন পদ্মা সেতুতে রেল লাইনও করে দিয়েছি। 

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। আর বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দেশে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। ‌এ যুদ্ধের প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়েছে। আমরা খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ নিয়েছি।

এসময় জনপ্রতিনিধিদের দেশের মানুষের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা দেশের জন্য কাজ করুন। এ দেশকে ব্যর্থ হতে দেবেন না। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

বর্তমান সরকারের আমলে সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আজ কৃষকের ঘরে সার পৌঁছে যায়। তাদের কৃষি উপকরণ কার্ড দিয়েছি। এটা দিয়ে কৃষি উপকরণ কিনতে পারে। ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। এর মাধ্যমে ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে যায়। জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল পাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, ৯৬ সালে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিল। আমরা ৪ হাজার ৩০০ করে যাই। পরে বিএনপির আমলে কমে গেছে সেটা। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করি। শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পায়। শিক্ষার্থীদের বই, বৃত্তি, উপবৃত্তি দিচ্ছি। ডিজিটাল সেন্টার করে দিচ্ছি। ইনকিউবেটর, হাইটেক পার্ক করে দিয়েছি। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ৭৩ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করি। কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবে না। নানাভাবে তাদের এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছি। প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতা দিচ্ছি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের স্বীকৃতি ও তাদের ভাতাও দিচ্ছি। ৫ কোটি মানুষের পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। এটা দিয়ে স্বল্পমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবং মশার হাত থেকে বাঁচতে হলে মশারি ব্যবহার করতে হবে। ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা মেরে শেষ করা যাবে না। নিজেরাও সচেতন হতে হবে


আরও খবর

আরও ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন

বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩




কলারোয়ায় মৎস্য চাষ পরামর্শ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৭১জন দেখেছেন

Image

কলারোয়া প্রতিনিধি:কলারোয়ায় মৎস্য চাষ পরামর্শ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(১৩সেপ্টেম্বর) সকালে কলারোয়া পৌরসভা হলরুমে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোরাস এগ্রো ফার্মার আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসার আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন-সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার রবীন্দ্র নাথ মন্ডল, রোরাস এগ্রো ফার্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাবিনা সুলতানা, রোরাস এগ্রো ফার্মার মাহবুব আলম, আনিসুর রহমান সোহেল, রোরাস এগ্রো ফার্মার ম্যানেজার জহিরুল হক, সাংবাদিক জুলফিকার আলী ও কলারোয়া বাজারের মাছ চাষী মিজানুর রহমান প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন-রোরাস এগ্রো ফার্মার জোনাল ম্যানেজার নুর হোসেন। উল্লেখ্য-দিনব্যাপী আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ মাছ চাষে রোগ প্রতিরোধ ও করনীয় বিষয় আলোচনা করেন।


আরও খবর



বালিয়াকান্দিতে বিনামূল্যে সেমিপাকা টয়লেট স্থাপন ও বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

মেহেদী হাসান মাসুদ, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধি পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে সেমিপাকা টয়লেট স্থাপন ও বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের কঠুরাকান্দি গ্রামের এ্যাসেড অফিস নদীর পাড়ে বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের বিশেষ বরাদ্দ থেকে বেসরকারী সংগঠনএ্যাসেড এ বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করেন। ১৬টি পরিবারকে আধাপাকা টয়লেট, টয়লেটের উপকরণ, ৬টি গরু, ২টি ছাগল, ১টি সেলাই মেশিন আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম। এ্যাসেডের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক মুহা: শাহজাহান সিদ্দিক এর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন, বালিয়াকান্দি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সনজিৎ কুমার দাস। এসময় নবাবপুর ইউপি চেয়ারম্যান বাদশা আলমগীর, উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিরা গাছের চারা রোপন করেন।


আরও খবর



অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বৃদ্ধিও সাথে সাথে পণ্যের বৈচিত্র্য সাধন হবে: তোফাজ্জল হোসেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৪২জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে পরিকল্পিত শিল্পায়নের অংশ হিসেবে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে বিনিয়োগকারীদের পরিষেবা প্রদানে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও বেজা তা সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করে সকল সরকারী সংস্থার সাথে সুসমন্বয়ের মাধ্যমে পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ নিশ্চিত করছে। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সাথে সাথে পণ্যের বৈচিত্র্য সাধন হবে। সরকারের এই মেগা প্রজেক্টটি দ্রুততম সময়ে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার আন্তরিকতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, জমি বারদ্দ নিয়ে কারখানার কাজ শুরু না করায় ইতোমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের জমি বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান জমি বরাদ্দ নিয়ে কারখানা স্থাপনের কাজ করবে না পর্যায়ক্রমে তাদের জমি বরাদ্দ বাতিল করে নতুন বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। এই শিল্পনগর প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে ১৩৯ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমরা তাদের পুণর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছি। তাদের ঘর করে দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে এশিয়ান পেইন্টস, মডার্ন সিনটেক্স, বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন তিনি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, মিরসরাইয়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পনগর নির্মিত হচ্ছে। এর ফলে এদেশে শিল্পায়নের অভূতপূর্ব বিপ্লব সাধিত হবে এবং জনগনের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যসমূহ পূরণ হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন খাতের নানা শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের শিল্প স্থাপনের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরকে বেছে নিচ্ছেন যা দেশের শিল্পায়নের পথে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এসময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) শেখ ইউসুফ হারুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফারুক, বেপজার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বশর মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্ল্যাহ, বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান ও মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ মিরসরাই, সীতাকুন্ড ও সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩ হাজার একর উপর “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর” স্থাপন করছে। এ শিল্পনগরে এখন পর্যন্ত দেশী-বিদেশী প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৫টি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। আরো ২১ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান শিল্প স্থাপনের কাজ শুরু করেছে যা পর্যায়ক্রমে আগামী নভেম্বর ২০২৩ হতে উৎপাদন শুরু করবে। ইতোমধ্যে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৮৭০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৮ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই শিল্পনগরে।


আরও খবর



সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন সেতুমন্ত্রী।

গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুর গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৫৮৪ ফ্লাইটে সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি ঢাকা ছাড়েন।


আরও খবর

হরতাল-অবরোধের জন্য প্রস্তুত হতে বললেন গয়েশ্বর

বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩